সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছে যে, ৮ বছর বয়সি মেয়েকে মাসে ১৫ দিনের জন্য বাবার হেফাজতে দেওয়ার আদেশ ভুল, যদি বাবা তার মেয়েকে ঘরের খাবার না খাইয়ে রেস্তোরাঁর খাবার খাওয়ান। তাই, সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত না হয়ে জানিয়েছে, মাসে মাত্র দুই দিন করে বাবা সঙ্গে রাখতে পারবেন তার মেয়েকে।

আসলে, এই মামলার স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, স্বামী কর্মরত সিঙ্গাপুরে এবং তিনি ভারতে এসে প্রতি মাসে মেয়েকে কিছুদিন রাখতে চেয়েছিলেন নিজের সঙ্গে। কিন্তু মেয়ের মায়ের অভিযোগ ছিল এই যে, তার মেয়ের বাবা সিঙ্গাপুরে কর্মরত এবং তিনি তিরুবনন্তপুরমে এসে, একটি ভাড়া বাড়িতে মেয়েকে রেখে বাড়ির খাবার না খাইয়ে রেস্তোরাঁর খাবার খাওয়াচ্ছেন। ফলে মেয়ের শরীর খারাপ হচ্ছে।

যাইহোক, যা হওয়া উচিত ছিল তাই হল, যদি বাবা সন্তানের সঠিক যত্ন নিতে না পারেন, তাহলে সন্তানকে মায়ের কাছেই রেখে দেওয়া উচিত, যতক্ষণ না মা নিজেই অন্য কারণে সন্তানদের বাবার কাছে রেখে যেতে চান। যদি মা সন্তানের উপর তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন সন্তানের মঙ্গলের জন্য, তাহলে কর্তব্য পালনে অক্ষমতার কারণে বাবার উচিত চুপচাপ মেয়ের মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া। তবে হ্যাঁ, পিতা হিসাবে সন্তানকে দেখার কিংবা সন্তানের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর অধিকার তার অবশ্যই থাকা উচিত। এই বিষয়েও মেয়ের মা-কে সহযোগিতা করতে হবে।

সারা বিশ্বের আদালত এমন মামলায় ভরে আছে, যেখানে সন্তানদের হেফাজতের জন্য আদালতে আইনজীবীদের পিছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছেন অনেক মা-বাবা। তারা দুজনেই যে টাকা খরচ করছেন, তা আসলে বাচ্চাদের ভবিষ্যতের মূলধন, যা বাবা-মায়েরা বোকার মতো বাচ্চাদের হেফাজতের জন্য নষ্ট করছেন। বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে থাকবে এবং সন্তানের খরচ বাবা বহন করবেন, এটা মেনে নিতে কোনও আপত্তি থাকা উচিত নয়। এটি বিবাহ এবং সংসারধর্ম পালনে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং শর্ত। কারণ সন্তান উভয়ের হলেও, মা গর্ভধারণ করেন এবং বুকের দুধ খাইয়ে তাকে বড়ো করে তোলেন। আর তাই সন্তানকে বড়ো করে তোলার জন্য বাকি দায়িত্ব সন্তানের বাবাকেই বহন করতে হবে বিবাহবিচ্ছেদের পরও।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...