২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া গ্রাউন্ড-এ পালিত হল পরাক্রম দিবস। আর এই পরাক্রম দিবসের অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ভারত সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রক। ‘জয় হিন্দ – দ্য কল অফ এ রেভোলিউশনারি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেশ মাতৃকার বীর সন্তান নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু-র জীবন, দর্শন এবং চিন্তনকে স্মরণ ও উদযাপন করা হয় সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে।
নৃত্য পরিকল্পনায় ছিলেন বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্য শিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রঘুনাথ দাস এবং ‘দীক্ষামঞ্জরী’-র ছাত্র -ছাত্রীরা। সংগীত পরিবেশন করেন রাঘব চট্টোপাধ্যায়,ইমন চক্রবর্তী ও তাঁর মিউজিক আকাদেমির ছাত্র -ছাত্রীরা। এই তালিকায় ছিলেন আরশাদ আলি খান, দূর্ণিবার সাহা, আরফিন রানা এবং আরাত্রিকা সিনহা। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নীলাঞ্জন ঘোষ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি সি.পি. রাধাকৃষ্ণণ, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস প্রমুখ।

এই দিনেই ছিল এবছরের সরস্বতী পুজো। সকাল থেকেই পুজোর ব্যস্ততার মধ্যেও বিকেলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ভিড় জমান দর্শকেরা। ভিক্টোরিয়ার মেমোরিয়ালের মূল সিঁড়ি জুড়ে হল এই আরাধনা। অর্থাৎ, দেশ মাতৃকার আরাধনা এবং এ দেশের এক ব্যতিক্রমী বীর সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন।
এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারার আনন্দ ভাগ করে নিয়ে নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “এ নিবেদন আমাদের গর্বের। মাতৃভূমির বন্দনা, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে ভালো লাগছে।”

এই অনুষ্ঠানে দর্শকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। দর্শকরা তাদের ভালোলাগার আনন্দ প্রকাশ করেন করতালির মাধ্যমে। আর অনুষ্ঠানের এই সাফল্য দেখে আপ্লুত নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী এবং রাঘব চট্টোপাধ্যায়। বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।





