এই মুহূর্তে ভারতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ৬৫ মিলিয়ন, আগামী ১৫ বছরে তা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা! এমনিতেই আমরা ভারতীয়রা ডায়াবেটিস প্রবণ, তার উপর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওবেসিটি৷ আগের চেয়ে প্রসেসড খাবার এবং নরম পানীয় খাওয়ার মাত্রাও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে৷ ফল হচ্ছে মারাত্মক, শিশুরাও এখনও বাড়তি ওজনের চাপ সামলাতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে পড়ছে৷

পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীণ যে, চিনি খাওয়া ছাড়তে পারলে কিন্তু নেহাত মন্দ হয় না! প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন প্যাকেটজাত খাবার।পাউরুটি, সস, জ্যাম, জেলি, আচার, কর্নফ্লেক্স, বিস্কিটেও কিন্তু প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে, যেটা আমরা না বুঝেই খেয়ে ফেলি৷

অনেক সময়ে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে লেখা সতর্কীকরণ আমরা পড়েই দেখি না৷ আসলে কিন্তু সেটা বোকামি ছাড়া কিছু নয়৷ লক্ষ করে দেখবেন, খুব ছোটো পয়েন্ট-এ হয়তো লেখা আছে যে, খাবারটিতে গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ, মোলাসেস ইত্যাদি হরেক উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে৷ এগুলির প্রতিটিই মিষ্টি এবং এই ধরনের জিনিস যত বেশি থাকবে খাবারটি তত অস্বাস্থ্যকর হবে৷

তবে মিষ্টি ছাড়াটা রাতারাতি সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার আরম্ভ করুন৷ চিনির বিকল্প হতে পারে গুড়।  প্রতিদিনের চা বা কফিতে চিনি খাওয়ার মাত্রা কমান প্রথমে৷

যাঁদের মিষ্টি ছাড়া মোটেই চলে না, তাঁরা সপ্তাহে একবার একটা মিষ্টি খান৷ মাঝেমধ্যে নিয়ম না ভাঙলে ডায়েট মেনে বেশিদিন চলা কঠিন, কিন্তু একেবারে একগাদা খেয়ে ফেলবেন না, ছোট এক স্লাইস কেক বা একটা রসগোল্লাতেই ইতি টানুন৷প্যাকেটজাত আইসড টি, কোল্ড কফি, প্যাকেটবন্দি ফলের রস ইত্যাদি থেকে শত হস্ত দূরে থাকুন৷

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...