গাঢ় ছাই রঙের ঘন মেঘ জমেছে আকাশে। খানিক পরে কালো মেঘের বুক চিরে বৃষ্টি নামল ঝেঁপে। শুরু হল প্রেমের শিহরণ। আচমকা মেঘের গর্জনে কিংবা বিদ্যুতের ঝলকে দু'জনে আবদ্ধ হলেন বাহুবন্ধনে। ভেবে দেখুন, যদি হনিমুন-এ গিয়ে বর্ষার এমন আবহ তৈরি হয়, তাহলে...? তাহলে জীবন হবে সার্থক।

আসলে, প্রত্যেক মানুষের জীবনে বর্ষা আনে পরিবর্তন। দেহ-মনে বারিধারা আনে শান্তি। চিরজাগরুক করে মানব-মন, উজ্জীবিত করে প্রেম। আর এই বর্ষার আবহে মধুচন্দ্রিমা সূচনা করে এক অন্য অধ্যায়। কিন্তু সার্থকতা সহজে আসে না, এর জন্য আগাম পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। অতএব, হনিমুন প্ল্যানিংও জরুরি। কখন, কীভাবে সেই পরিকল্পনা করবেন কিংবা প্রস্তুতি নেবেন, সেই বিষয়ে জেনে নিন বিশদে।

সিদ্ধান্ত

বিয়ে ফাইনাল হয়ে যাওয়ার পর হবু স্বামী-স্ত্রী একান্তে শুধু হনিমুন প্ল্যানিং-এর জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ করুন। আর সেই আলোচনা পর্বের প্রথমেই একটা খোলামেলা মত বিনিময়ের পরিবেশ তৈরি করুন। অর্থাৎ, কোথায় যাবেন হনিমুন-এ সেই সিদ্ধান্ত নিন। এক্ষেত্রে পরস্পরের মতামতকে গুরুত্ব দিন। কিন্তু মনসুন-এ হনিমুন-এর বাড়তি মজা পাওয়ার জন্য বেছে নিন জুন কিংবা জুলাই মাসকে। আর দিনক্ষণ ঠিক করে, উভয়ে কর্মক্ষেত্রে ছুটির আবেদন করে রাখুন আগেভাগে। কিন্তু কোথায় যাবেন? কারও ভালো লাগে পাহাড়, কারও সমুদ্র, কারওর আবার ভালো লাগে জঙ্গল। তাই গুরুত্ব দেওয়া উচিত দু'জনের ইচ্ছেকেই। অনেকের মনের মধ্যেই মধুচন্দ্রিমাকে ঘিরে থাকে নানারকম সুপ্ত বাসনা। অনেকেই স্বপ্ন বুনে ফেলেন ঠিক কী কী করবেন তারা। আসল কথা হল, মধুচন্দ্রিমা ব্যাপারটা সব সময়ই খুব স্পেশ্যাল। তা পুরুষ বা নারী দু'জনের কাছেই। তাই আগে মিলিয়ে নিন সেই ইচ্ছে। তারপর লাগেজ নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন হনিমুন-এ। কিন্তু মনে রাখবেন, মনসুন-এ হনিমুন-এর সবচেয়ে ভালো জায়গা হল— জঙ্গল। অবশ্য সমুদ্র কিংবা পাহাড়েও যেতে পারেন কিন্তু যদি পাহাড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সড়কপথে না যাওয়াই ভালো। কারণ, বর্ষাকালে পাহাড়ি রাস্তায় যাতায়াতে কিছুটা ঝুঁকি থাকে। তাই একান্তই যদি পাহাড়ে যান বর্ষাকালে, তাহলে এমন পাহাড়ি অঞ্চলে যান, যেখানে বায়ুপথে যাতায়াতের সুবিধা আছে।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...