কলকাতা, বাংলা তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করার প্রয়াস জারি রেখেছে সে। এবার তার লক্ষ্য— অলিম্পিক্স-এ স্বর্ণপদক। কিন্তু ধাপে ধাপে সাফল্য অর্জন করে সেই স্তরে পৌঁছাতে চায় আত্মবিশ্বাসী মেয়েটি। তাই সে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ত। তবে ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে তার স্বপ্ন এবং সাফল্যের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে ১৫ বছর বয়সি টেবল টেনিস তারকা সিন্ড্রেলা দাস।

কীভাবে শুরু করেছিলে টেবল টেনিস-এর কেরিয়ার?

আমার যখন মাত্র ৪ বছর বয়স, তখন প্রথম টেবল টেনিস-এর র‍্যাকেট ধরা শিখেছিলাম। আমার বাবার একটা টিটি ব্যাট ছিল, আর আমি সেটা দিয়ে খেলতে ভালোবাসতাম। দেয়ালে বল মারতাম ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আমি এভাবেই অনুশীলন শুরু করেছিলাম। পরে, আমার বাবা-মা (সুপ্রিয় এবং সুস্মিতা) আমাকে একটি স্থানীয় (বাঘাযতীন) টেবল টেনিস ক্লাবে ভর্তি করে দেন। মূলত সাঁতার, ছবি আঁকা, গান গাওয়া এবং নাচের পাশাপাশি, আমাকে সক্রিয় রাখার জন্য টেবল টেনিস-এ আগ্রহী করে তোলা হয়। আমার বয়স যখন ৮ বছর, তখন আমি একটি স্থানীয় টেবল টেনিস টুর্নামেন্ট-এ অংশগ্রহণ করেছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। যেহেতু এটি একটি ছোটোদের টুর্নামেন্ট ছিল, তাই কোনও লিঙ্গ বিভাজন ছিল না। আমি ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের বিরুদ্ধেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম। সেই টুর্নামেন্টটি সত্যিই আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। এখনও আমার মনে আছে, তখন আমি আমার বাবা-মাকে বলেছিলাম যে, আমি সত্যিই এই খেলাটি ভালোবাসি।

কে বা কারা তোমাকে তোমার কেরিয়ার শুরু করতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন?

আসলে আমার বাবা-মা দু'জনেই আমার প্রথম প্রেরণা। কারণ, তাঁরা ছোটোবেলায় টেবল টেনিস খেলতেন স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে। আমার বাবা মাঝেমধ্যে তাঁর অফিসে খেলতেন। আর খেলাধুলা আমার পরিবারের গভীরে ছড়িয়ে আছে। ‘ভারতীয় মারাদোনা” নামে পরিচিত ফুটবলার প্রয়াত কৃশাণু দে ছিলেন আমার আত্মীয়। তাই, বলতে পারি, খেলাধুলা আমার রক্তে রয়েছে। কিন্তু আমার বাবা-মা কখনও আমাকে খেলার জন্য চাপ দেননি। তবে খেলাধুলার প্রতি তাঁদের ভালোবাসা অবশ্যই আমার উপর প্রভাব ফেলেছিল। তাই, ৯ বছর বয়সে কোচ সৌম্যদীপ রায় স্যার এবং পৌলমী ঘটক ম্যাডামের অধীনে প্রশিক্ষণ শুরু করি। তাঁদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ, আমার কেরিয়ার-এর জার্নির এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় ছিল। তাঁদের উৎসাহ, ভালোবাসা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে আমার নিজস্ব সম্ভাবনার উপর বিশ্বাসী করে তুলেছিল। তখন আমার সত্যিই মনে হয়েছিল, আমি কেবল মজা করার জন্য খেলতে চাই না, আমি পেশাদার হতে চাই। আমার প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আমাকে আরও বড়ো স্বপ্ন দেখার এবং খেলাধুলার প্রতি সম্পূর্ণরূপে নিবেদিত হওয়ার আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আন্তর্জাতিক কোচ ওয়াং মান্যু এখন আমার অন্যতম আদর্শ পথ প্রদর্শক। এঁদের সবার ভালোবাসায় আমি এখন দৃঢ় বিশ্বাসী।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...