আমি ৩০ বছর বয়সি বিবাহিত মহিলা। দেখেশুনে বিয়ে হয়েছে আমাদের। বিবাহিত জীবনের মেয়াদ ছ মাস। আমার স্বামী আমার থেকে চার বছরের বড়ো এবং যৌন চাহিদা খুব বেশি। আমরা দু’জনেই ভালো চাকরি করি।

কাজের ব্যস্ততা থাকলেও, বিয়ের পরে কিছুদিন আমরা স্বামী-স্ত্রী সেক্স-লাইফ দারুণ এনজয় করেছি। প্রতি রাতে একাধিকবার এবং ছুটির দিনগুলিতেও তিন-চারবার শরীরী মিলনের আনন্দ নিয়েছি। কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে, মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে বিষয়টা।

এতবার শরীরী মিলনে খুব ক্লান্ত লাগে এখন। শুধু তাই নয়, খুব একঘেয়ে লাগছে। আমার স্বামীর যৌন আচরণ অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। ওর অতিরিক্ত যৌনক্রিয়ার অভ্যাস কমাতে ওকে অনুরোধ করেছি কিন্তু ও পারছে না। আমি যেহেতু ওকে খুব ভালোবাসি, তাই ওকে আর-পাঁচজন পুরুষের মতো স্বাভাবিক করে তুলতে চাইছি। আমাকে সমস্যা সমাধানের পথ দেখাবেন প্লিজ?

কিছু মানুষ আছেন যারা ওভারসেক্সড, কেউ বা আবার সেক্সুয়ালি উইক, কেউ হয়তো স্বাভাবিক। ভেবে দেখুন উনি সবসময় কিছু নিয়ে ওভার স্ট্রেসড থাকেন কিনা? কোনও বিষয়ে টেনশন ভোগ করেন কিনা? কোনও অপরাধবোধ থেকেও অনেক সময় পলায়নের মানসিকতা থেকে  সেক্স-কে আঁকড়ে ধরে।

বিয়ের পরে কিছুদিন শরীরী মিলনের ইচ্ছে বেশি থাকে, এটা কোনও অস্বাভাবিকতা নয়। অবশ্য বিয়ের ছয় মাস পরও যদি আপনার স্বামীর অভ্যাসে বদল না হয়ে থাকে এবং আপনি এতে বিরক্ত কিংবা ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই চিন্তার এবং উদ্বেগের। তবে এ বিষয়ে আপনি কোনও সেক্স স্পেশালিস্ট-এর পরামর্শ নিতে পারেন। সেইসঙ্গে  বেশি পেঁয়াজ-রসুন দেওয়া রান্না ডিম, মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলুন আপনার স্বামীকে। পরিবর্তে, পেট ঠান্ডা থাকবে এমন খাবার খাওয়ার অভ্যাস করান এবং দিনের বেলা ওকে নানা কাজে ব্যস্ত রাখুন। কারণ, পরিশ্রম করলে রাতে ঘুম পাবে এবং খুব স্বাভাবিক ভাবে ওর একাধিকবার শরীরী মিলনের সুযোগ কমবে।

এছাড়া মন-কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত যোগ ও মেডিটেশন খুব কার্যকর। দুজনেই এরকম কোনও সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হোন। কোনো সমাজসেবামূলক কাজেও স্বামিকে ইনভলভ্ করুন।অনাথাশ্রম বা চিলড্রেন উইথ স্পেশাল এবিলিটিজ– এদের সঙ্গে সময় কাটালে আপনার স্বামীর মানসিক পরিবর্তন হতে বাধ্য। প্রয়োজন বুঝলে একজন কাউন্সেলর-এর সাহায্য়ও নিতে পারেন। স্বামীর মন শান্ত হলে দুজনে কোথাো বেড়িয়ে আসুন। নির্ভার যোনজীবন পালন করুন। দেখবেন সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...