যে সমস্ত জিনগত রোগ সম্পর্কে তেমন কিছু বোঝা যায় না সহজে, তার মধ্যে 'ট্রিপল এক্স সিনড্রোম' অন্যতম। বিশেষ ভাবে উপেক্ষিত এই রোগটি বৈজ্ঞানিক ভাবে ‘৪৭, XXX সিনড্রোম' বা ‘ট্রাইসোমি এক্স সিনড্রোম' নামে পরিচিত। এই রোগটি সেইসব মেয়েদের প্রভাবিত করে, যারা একটি অতিরিক্ত এক্স ক্রোমোজোম নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। যদিও বেশিরভাগ মেয়েদের সাধারণত দুটি এক্স ক্রোমোজোম (XX) থাকে, কিন্তু 'ট্রিপল এক্স সিনড্রোম'-এ আক্রান্ত মহিলাদের তিনটি (XXX) এক্স ক্রোমোজোম থাকে৷ প্রতি হাজারে প্রায় একজনের এই সমস্যা হওয়া সত্ত্বেও, এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা আশ্চর্যজনক ভাবে সীমিত, যা প্রায়ই বিভ্রান্তি, দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং পরিবারগুলির জন্য অহেতুক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সাধারণত, মানুষের প্রতিটি কোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, যা দুটি সেক্স ক্রোমোজোমসহ ২৩ জোড়ায় বিভক্ত। ক্রোমোজোমের একটি সেট আসে মায়ের কাছ থেকে এবং অন্যটি আসে বাবার কাছ থেকে। এই ক্রোমোজোমগুলোতে জিন থাকে, যা উচ্চতা থেকে শুরু করে চোখের রং পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণকারী।

একজন মায়ের দুটি XX ক্রোমোজোমের থেকে একটি X ক্রোমোজোম এবং একজন বাবার একটি X বা একটি Y ক্রোমোজোম নিয়ে ভ্রূণ তৈরি হয়, যা একটি শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করে। যদি দুটি এক্স ক্রোমোজোম মিলিত হয়, তাহলে গার্ল চাইল্ড হবে। আর যদি একটি X ক্রোমোজোম এবং একটি Y ক্রোমোজোম মিলিত হয়, তাহলে বয় চাইল্ড হবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি তৈরি হলে ‘ট্রিপল এক্স সিনড্রোম'-এর সমস্যা তৈরি করে।

‘ট্রিপল এক্স সিনড্রোম' অলক্ষ্যে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ হল, অনেক মহিলার মধ্যে খুব কম বা কেবল মৃদু লক্ষণ দেখা যায়। প্রকৃতপক্ষে, এই রোগে আক্রান্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা তাদের সারাজীবনে হয়তো কখনওই নিয়মিত চেক-আপ করান না। তাছাড়া, ‘ট্রিপল এক্স সিনড্রোম'-এর লক্ষণ প্রায়ই সূক্ষ্ম ভাবে প্রকাশ পায়, যার ফলে জেনেটিক পরীক্ষা ছাড়া এটি শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...