আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড়ো ট্র্যাজেডি হল— একই ছাদের নীচে, একই বিছানায় পাশাপাশি বসেও একে অপরের থেকে আলোকবর্ষ দূরে হারিয়ে যাওয়া। তাই, এখন নানারকম কারণে সম্পর্কগুলো ক্রমশ পুষ্টিহীনতায় ভুগতে শুরু করেছে। কিন্তু মনে রাখবেন, সম্পর্ক কোনও জড় বস্তু নয়। এটি একটি জীবন্ত চারাগাছ, যাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রতিদিন যত্নের প্রয়োজন। আবার বলা যায়, জীবনতরীর দুই মাঝির একসঙ্গে পথ চলার নামই— সম্পর্ক। কিন্তু প্রতিনিয়ত বদলে যাওয়া বাস্তবতায় এই সুন্দর তরীটিকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়ে, সম্মানের তীরে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন এক আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স।

একটু থামুন

সম্পর্কের প্রাণস্পন্দন হল— আবেগ। কিন্তু এই আবেগ যখন সুনামি হয়ে আছড়ে পড়ে, তখন তা সবচেয়ে মজবুত সম্পর্কের ভিতও কাঁপিয়ে দিতে পারে৷ প্রেম, অভিমান, রাগ কিংবা অধিকারবোধ— সব কিছুরই পরিমিত মাত্রা থাকা চাই। কারণ, আবেগের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রথম ধাপ হল— নিজের আবেগকে চিনতে পারা। তীব্র রাগের মাথায় বা চরম অভিমানের মুহূর্তে আমরা এমন কিছু বলে ফেলি, যা পরে আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। তাই, সঙ্গীর কোনও কথায় আঘাত পেলে বা রাগ হলে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া (React) না দিয়ে একটু থামুন (Pause)। বুক ভরে শ্বাস নিন। মনস্তত্ত্বে একে বলা হয় 'The Art of Pause'। তাই, মুহূর্তের ঝড়কে যদি আপনি ১০ সেকেন্ডের নীরবতা দিয়ে আটকে দিতে পারেন, তবে সম্পর্কের অনেক বড়ো বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। এই বিষয়ে রইল আরও বিস্তারিত পরামর্শ...

শ্রবণ ও কথন

সম্পর্কের প্রথম এবং প্রধান স্তম্ভ হল— একে অপরের সঙ্গে মনের কথা ভাগ করে নেওয়া। তবে এই কথন যেন কেবল অভিযোগের পাহাড় না হয়, বরং তা হোক মেঘ কেটে যাওয়া রোদ্দুরের মতো। শুধু নিজের কথা বলাই সম্পর্ক নয়। সঙ্গীর চোখের ভাষা আর না-বলা কথাগুলো শোনা-ই প্রকৃত সংযোগ। যখন একজন কথা বলবেন, অন্যজন তখন তর্কের জন্য নয়, বরং বোঝার জন্য শুনবেন। কারণ, অভিমানের মেঘ জমতে না দিয়ে কথার বৃষ্টিতে তা ধুয়ে ফেলা জরুরি। মনের ভিতর পুষে রাখা কথাগুলো একসময় দূরত্ব তৈরি করে। তাই প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় রাখুন যেখানে কোনও পর্দা থাকবে না, থাকবে কেবল দুটি হৃদয়ের সহজ আলাপ৷

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...