১৯৭৫ সালের কালজয়ী ছবি রমেশ সিপ্পির 'শোলে', সেলিম-জাভেদ জুটির অনবদ্য চিত্রনাট্য, ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এই ছবি।
‘দ্য ড্রিমার্স মিউজিক পিআর এজেন্সি’-র উদ্যোগে, ‘সেরাম গ্রুপ’-এর নিবেদনে প্রকাশ পেল "শোলে পঞ্চাশ" শিরোনামের বিশেষ ক্যালেন্ডার। চমক ছিল এই ক্যালেন্ডার প্রকাশ অনুষ্ঠানে। ‘শোলে’-র দুই মুখ্য চরিত্র জয় এবং বীরু রূপে উপস্থিত ছিলেন বাংলা রক ব্যান্ড ‘ক্যাকটাস’-এর সিধু এবং পটা।
বাংলা রক ব্যান্ড ‘ক্যাকটাস’-এর পথ চলাও তিরিশ অতিক্রম করেছে। এদিন মোটরবাইকে চেপে সিধু-পটা গাইলেন সেই আইকনিক গান 'ইয়ে দোস্তি'। পরে এক ঘরোয়া আলোচনায় সিধু এবং পটা দুজনেই 'শোলে' ছবির বিষয় নিয়ে তাঁদের ভালোলাগার কথা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ‘সেরাম গ্রুপ’-এর চেয়ারম্যান সঞ্জীব আচার্য্য জানিয়েছেন, "শোলে নিয়ে আজও আমাদের সকলের মধ্যেই একটা ভালোলাগা কাজ করে। সেরাম গ্রুপ সবসময় সুস্থ রুচি এবং সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক।"
সিধু এবং পটা জানিয়েছেন, "আমাদের এইরকম ভাবে জয় এবং বীরু-র ভূমিকায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যে ভাবা হয়েছে, এটাই খুব আনন্দের, ভালো লাগার।"
‘দ্য ড্রিমার্স মিউজিক পিআর এজেন্সি’-র কর্ণধার সুদীপ্ত চন্দ এই ক্যালেন্ডারের মূল ভাবনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, "প্রতিবছর নতুন কিছু থিম নিয়ে ‘দ্য ড্রিমার্স’ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করে। এবছরের ক্যালেন্ডারের প্রতি পাতায় আছে ‘শোলে’ ছবির আকর্ষণীয় নানা মুহূর্ত। সেই সময়ের পত্রিকায় প্রকাশিত ‘শোলে’ ছবির বিজ্ঞাপন, টিকিট, রেকর্ড কভার এবং মেকিং-এর নানা মুহূর্ত। ছবি প্রেক্ষাগৃহে চলার সময়ের লোকারণ্য হলের সামনের নানা দৃশ্য, পাউডার কেস, দেশলাই বাক্স, ছবির পোস্টার, বুকলেট, লবি কার্ড আরও অনেক কিছুও রয়েছে এই ক্যালেন্ডার-এ। সব মিলিয়ে সংগ্রহে রাখার মতো এই ক্যালেন্ডার।"





