সামনেই কোনও নিকটজনের বিয়ে? তাহলে  সোনার গয়না, সোনালি জরির কারুকাজ করা শাড়ি বা কুর্তায় সেজে না উঠলে বিয়েবাড়ির জাঁক ফিকে হয়ে যাবে,তাই না ? যারা বেনারসি বা কাঞ্চিপুরমের মতো ট্র্যাডিশনাল শাড়ি বেছে নিতে চান, খুব ভালো। ব্লাউজ় নিয়ে ইদানীং অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে, কিছু কিছু ডিজ়াইনার এমন ব্লাউজ় তৈরি করেন যেগুলি আপনার একেবারে সাদামাঠা শাড়িকেও চোখ ধাঁধানো করে তুলবে – তেমন কিছু বেছে নিতে পারেন।

কিন্তু বিয়েবাড়ির সাজে মাস্ট হল গয়না৷ এমন অনেকেই আছেন যারা ornaments পরতে একেবারেই ভালোবাসেন না। কোনও সমস্যা নেই তাতে! রোজের জীবনে গয়নাগাটি পরাও খুব ঝক্কির, তা ছাড়া হারিয়ে গেলে বড্ড মন খারাপও হয়! তবে সাজগোজ করলে তো কিছু গয়না পরতেই হয় – বিশেষ করে দেশি পোশাকের সঙ্গে, তাই যদি একান্ত পরতেই হয়, তা হলে এমন গয়না পরুন যা  কালজয়ী এবং বহুদিন ধরে তার কদর একইরকম আছে। যেমন ধরুন চোকার। মোটামুটি শ’ পাঁচেক বছর ধরে চোকার পরাটা ফ্যাশনেবল বলে মনে করা হয় এবং আজকের তরুণীদের কাছেও তার আবেদন বিন্দুমাত্র কমেনি। বলিউড তারকারাও দেশি ও  ইন্দো-ওয়েস্টার্ন সাজের সঙ্গে চোকার পরেন।

মুক্তো, লেস, ভেলভেট, আনকাট হিরে, পান্নার চোকার যেমন হয়, তেমনই আবার ফিউশন সাজের সঙ্গে আপনি বেছে নিতে পারেন রুপো বা মেটালের চোকার। যাদের গলাটা লম্বা, রাজহাঁসের মতো, তাদের চোকার বেশি মানায়। যদি আপনার গলাটা একটু চাপা হয়, তা হলে অবশ্য চোকারের উপর আস্থা না রেখে নেকলেসে ভরসা রাখুন। নেকলেসই আপনার গলার সৌন্দর্যটা ঠিকঠাক ফুটিয়ে তুলবে।

গলায় ভারি গয়না পরলে  কিন্তু কানে খুব লম্বা, ঝোলা দুল পরার প্রয়োজন নেই। ছোট, গোল টপ পরতে পারেন। চুলটা তুলে বেঁধে নিতে পারলেই ভালো হয়,  তাহলে গয়নার সৌন্দর্য সুন্দরভাবে চোখে পড়বে।Dressing with ornaments  কিন্তু একটা আর্ট৷

ঝোলা কানের দুল বা এক জোড়া ঝুমকো পরতে পারেন সঙ্গে হাতে বাউটি বা বালা।অনেকেই আবার এক হাতে মোটা ব্রেসলেট পরা পছন্দ করেন৷তারা ট্রাডিশনাল সেট পরতে পছন্দ করেন ৷ নিঃসংকোচে ট্র্যাডিশনাল নকশার দুল আর হালকা নেকলেস পরুন! যারা দুল পরতে ভালোবাসেন না, তারা ভারী নেকলেসে ভরসা রাখতে পারেন।আঙুলে স্টাইলিশ এবং বড়ো আংটি পরা এখন ফ্যাশন৷ সে ক্ষেত্রে হাতের চুড়ি ছিমছাম হওয়াই ভালো, যাতে আক্ষটিই হয়ে ওঠে আপনার হাতের প্রধান আকর্ষন৷

বুঝতেই পারছেন, এই ধরনের সাজের সঙ্গে খুব পরিচ্ছন্ন, সাদাসিধে মেকআপই দেখতে ভালো লাগে। দুল-নেকলেস যা-ই পরুন না কেন, চুলটা তুলে বেঁধে নিন। তাতে গয়নার সৌন্দর্যটা পরিষ্কার বোঝা যাবে। চোখের মেকআপটা মন দিয়ে করুন – কাজল, আইশ্যাডো, বেশ কয়েক পরত মাসকারায় সেজে উঠুন। আর সব শেষে একটা ছোট্ট টিপ পরতে ভুলবেন না যেন!

Tags:
COMMENT