উমার একটা বড়ো সমস্যা হল, তার ৭ বছরের ছেলে কনিষ্ক তার কথা শোনে না। অন্যান্য বাচ্চাদের মতো কনিষ্কও খেলাধুলা করতে ভালোবাসে। ঘরে একেবারেই তার মন বসে না, যার কারণে দিনের বেশিরভাগ সময়েই তাকে পাড়ার পার্ক-এ লাফালাফি-ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। ঘরে ফিরে হাত না ধুয়ে, সেই নোংরা হাতেই বিস্কুট নয়তো অন্য কিছু খেতে থাকে সে। মায়ের বারবার মানা করা সত্ত্বেও সে শোনে না।

এই সমস্যা শুধুমাত্র উমার নয়, আমাদের আশেপাশে থাকা বেশিরভাগ বাচ্চাই কনিষ্কর মতো। তাদের মায়ের অথবা বাড়ির অন্যদের ‘হাইজিন’ সংক্রান্ত কথা না শুনে, বাড়ির সকলকে চিন্তায় ফেলে দেয়। খেলনা, ভিডিয়ো গেমস থেকে শুরু করে জুতোয় পর্যন্ত জীবাণু থাকে। বাড়িতে হাইজিনিক পরিবেশ তৈরি করার জন্য স্প্রে, অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল সাবান, ফিনাইল ইত্যাদি ব্যবহার করুন, যাতে পোকামাকড় মুক্ত হয়। এটাই সঠিক উপায় কিন্তু আপনাদের কি মনে হয় না যে, বাচ্চাকে সুস্থ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য হাইজিন সম্পর্কিত সঠিক পথগুলি বাতলে দেওয়া উচিত তাদের।

শিক্ষা জরুরি

যখন আপনার আদরের সোনা ছোটো ছিল, তখন তার ঘামের গন্ধও নাকে বড়ো মিষ্টি লাগত। সে যখন হাতে রুটির টুকরো নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ত, তখন তার এই হেন আচরণও খুব ভালোলাগত। গোটা গালে যখন জ্যাম মেখে আপনার সামনে হাজির হতো, তখন আপনি সেটিকে ক্যামেরাবন্দি করে রাখতেন। কিন্তু এখন আপনার আদরের সেই শিশুটি আগের তুলনায় বড়ো হয়েছে, বেড়েছে দুরন্তপনাও। এই রকম দুরন্ত বাচ্চাকে পরিষ্কার করানো ও স্নান করানো মায়েদের কাছে প্রায় যুদ্ধের-ই সমান।

‘হাইজিন’-এর মানে, আপনার বাচ্চাকে পরিষ্কার কাপড়জামায় সুন্দর আর ভালো দেখানোই নয়, রোগ থেকেও দূরে রাখা। স্কুল-এর বাচ্চাদের সঠিক হাইজিন হ্যাবিট তৈরি করা ভীষণ প্রয়োজন কারণ স্কুল যাওয়ার পর ওদের নাক, মুখ এবং হাত থেকে ছড়ায় জীবাণু। যদি শুরুতেই বাচ্চাদের হাইজিন সম্বন্ধে ধারণা দেওয়া যায় তাহলে বাচ্চারা সুস্থ, সবল থাকার চেষ্টাটা অন্তত করতে পারবে।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...