মনে রাখবেন, বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়স্বজন নিয়ে সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে বারবিকিউ পার্টির মজাই আলাদা। যারা  মনে করেন, বারবিকিউ করা অনেক ঝামেলার কাজ, তাঁরা সোজা চলে যেতে পারেন রেস্তোরাঁয়। আর বারবিকিউ স্পেশাল মানেই ‘বারবিকিউ নেশন’। পার্ক স্ট্রিট, সল্ট লেক, ডায়মন্ড প্লাজা, রাজারহাট,  লেক মল কিংবা  নিউ মার্কেট শাখার বারবিকিউ নেশন-এ স্পেশাল খাবারের মধ্যে রয়েছে কাজুন সেখ কাবাব, কোস্টাল বারবেক চিংড়ি, ওক টসড শিক কাবাব, শবনম কে মতি মাশরুম, পুরি কাবাব  এবং আরও অনেককিছু। তবে রেসিপি জানা থাকলে বাড়ির ছাদে বা খোলা কোনও জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে আপনিও সহজে তৈরি করে ফেলতে পারেন চমৎকার সুস্বাদু বারবিকিউ।

পদ্ধতিঃ

মুরগী কিনে ধুয়ে নিয়ে উপযুক্ত আকারে কেটে নিন। এবার মাংসের টুকরোগুলোকে একটু একটু মাঝখানে উপরে-নিচে চিরে নিন। তারপর যদি মশলা দিয়ে বারবিকিউ করতে চান তাহলে মশলা, সয়াসস, আদা-রাসুন বাটা দিয়ে মাংসের টুকরোগুলোকে ২ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। আর বারবিকিউ সস দিয়ে করতে চাইলে পরিমান মতো  বারবিকিউ সস ও সয়াসস দিয়ে মাংসের টুকরোগুলোকে ২ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন।
২ ঘণ্টা হওয়ার ১৫ মিনিট আগে থেকে উনুনে আগুন ধরানোর কাজে লেগে পড়ুন। এবার মাংসের টুকরোগুলি একটা শিকে গেঁথে উনুনে বসিয়ে দিন। এরপর সয়াবিন তেল ব্রাশ করে দিন মাংসের একপিঠে। পাঁচ মিনিট পর উল্টিয়ে দিয়ে অন্য পিঠে তেল ব্রাশ করুন।

এরপর ১০ মিনিট পর-পর এপিঠ-ওপিঠ উল্টিয়ে ভাজতে থাকুন। মাঝে আরেকবার সয়াবিন তেল ব্রাশ করে নিন উভয়পিঠে। ৪০-৫০ মিনিট ভাজুন এভাবে এবং খেয়াল রাখুন যাতে পুড়ে না যায়। একই পদ্ধতিতে খাসির মাংসও বাড়বিকিউ করতে পারেন। মাংসগুলি মশলা মাখিয়ে ৪-৫ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখতে হবে আর মাংস ভাজার সময় শিক এ গেঁথে নিতে হবে।

Tags:
COMMENT