এখনও আমরা করোনার গ্রাস থেকে বেরোতে পারিনি। রয়েছি নিউ নর্মাল আবহে। তাই, এখনও অতি-সতর্ক থাকতে হবে আমাদের। নিজেকে এবং বাড়িঘর জীবাণুমুক্ত রাখতেই হবে। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা, স্যানিটাইজড থাকা, ঠিকমতো স্নান করা, জামাকাপড় ধুয়ে জীবাণুমুক্ত রাখা প্রভৃতির পাশাপাশি, পরিষ্কার রাখতে হবে ঘরদোরও। কারণ, এতে পোকামাকড়, জীবাণু ইত্যাদির আক্রমণ থেকে বাঁচা যাবে এবং নিজের পরিচ্ছন্ন রুচির পরিচয়ও তুলে ধরা যাবে। আর এর জন্য যা যা করতে হবে, রইল তারই বিবরণ।

  •  ঘরে যেন পর‌্যাপ্ত আলো-হাওয়া ঢোকে। মেঝে এবং ঘরের দেয়াল যাতে স্যাঁতসেঁতে না থাকে, তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন। প্রযোজনে পাখা চালিয়ে শুকনো রাখুন ঘরদোর। দেয়ালে লাগান ড্যাম্প-প্রুফ রং
  • ঘরের কোথাও ফাটল থাকলে তা দ্রুত বন্ধ করুন সিমেন্ট কিংবা পুডিং দিয়ে
  • ঘরের মেঝে মুছুন ভালো জীবাণুনাশক তরল দিয়ে সামান্য কেরোসিনও ব্যবহার করতে পারেন এ ক্ষেত্রে
  • বাথরুমের মেঝে এবং টাইলস পরিষ্কার করুন বেকিং পাউডার দিয়ে
  • ঘরের ভিতর কোথাও যেন ধুলো কিংবা ঝুল জমে না থাকে। ঝাড়ু এবং ঝুলঝাড়ু দিয়ে নিয়মিত ঘরদোর পরিষ্কার রাখুন
  • রান্নাঘর এবং শৌচালয়ে নিকাশিনালা পরিষ্কার রাখার জন্য, মাসে একবার ব্যবহার করুন ড্রেন-ক্লিনার পাউডার। রাতে শুতে যাওয়ার আগে, ড্রেন-এর মুখে পাউডার ছিটিয়ে এক গেলাস জল ঢেলে রেখে দিন এবং পরের দিন সকালে ভালো ভাবে জল দিয়ে ওয়াশ করুন ড্রেন
  • ঘরে এসি মেশিন ব্যবহার করলে সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার সামগ্রী কড়া রোদে রাখুন, এতে জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবেন
  • শৌচালয়ে কোনও পাত্রে বেশিদিন জল ধরে রাখবেন না, বদলে ফেলবেন জল। নয়তো মশার জন্ম হবে
  • জানলায় কিংবা বারান্দায় গাছের টব থাকলে মাঝেমধ্যে কীটনাশক স্প্রে করবেন
  • ঘরে ভেজা জামাকাপড় মেলে রাখবেন না
  • বাইরে পরার জুতো স্যানিটাইজ করে ঘরের নির্দিষ্ট ঢাকা জায়গায় রাখুন
  • উচ্ছিষ্ট, পচা খাবার, সবজির খোসা ইত্যাদি একবেলার বেশি জমিয়ে রাখবেন না
  • দরজা-জানলার পর্দা প্রতি পনেরো দিন অন্তর কেচে-ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করুন
  • পোকামাকড় যাতে বাসা বাঁধতে না পারে, তার জন্য মাঝেমধ্যে পেষ্ট কন্ট্রোল করান পেশাদারদের দিয়ে।
  • ---------

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...