গত বছর আকাশকে বিয়ে করেছে নীরা। আকাশ এমনিতে খুব ভালো মানুষ। ওর মন ভালো। নীরাকে খুব ভালোবাসে, বেশ যত্নও নেয়। কিন্তু ছোটোখাটো বিষয়ে আকাশ বাড়াবাড়ি অভিমান করে বসে। একদিন যখন নীরা অফিস থেকে বাড়ি ফিরল, তখন নীরা দেখল, তার স্বামী আকাশ মুখ ভার করে বসে আছে। নীরা বুঝতে পারছে না, কী হয়েছে। কেন মন খারাপ করে বসে আছে আকাশ! অনেকবার জানতে চাওয়ার পর আকাশ জানাল, ‘আমি তোমাকে অনেকবার ফোন করেছি, কিন্তু তুমি ফোন তোলোনি। ব্যস্ত আছি লিখে পাঠিয়ে দিয়েছ।'

নীরা বুঝতে পারছে না, কী বলবে। আকাশ যখন ফোন করেছিল, নীরা তখন ওর বস্-এর সঙ্গে মিটিং-এ ব্যস্ত ছিল। এইরকম ক্ষেত্রে আগে অনেকবার ‘সরি’ বলেছে নীরা। কিন্তু বারবার এরকম ঘটায় বিরক্তি এসে গেছে তার মনে। তাই, সমস্যার সমাধানের জন্য এই বিষয়ে নীরা তার শাশুড়ির সঙ্গে কথা বলে। শাশুড়ি জানান, ‘আকাশ ছোটো থেকেই একটু বেশি ইমোশনাল। ছোটো ছোটো সব বিষয়ে অভিমান করে।'

আসলে আকাশের মতো ইমোশনাল মানুষ সংখ্যায় কম হলেও আছেন এই সমাজে। এদের সঙ্গে সারাজীবন কাটানো খুব কঠিন মনে হতে পারে কারও কারও ক্ষেত্রে। কখন কী কারণে ইমোশনাল হয়ে পড়বেন আকাশের মতো লোকেরা, তা বুঝে ওঠা মুশকিল৷ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে আবেগ, সংবেদনশীলতা থাকবে অবশ্যই, কিন্তু তা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে গেলে মুশকিল। দাম্পত্য সম্পর্কে গভীরতা বজায় রাখতে গেলে পরস্পরের মতামতকে যেমন গুরুত্ব দিতে হবে, ঠিক তেমনই সম্মান এবং ভরসা করতে হবে। সত্যি এটাই যে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তখনই মধুর হবে, যখন একজন অন্যজনকে স্পেস দেবে।

অনেক দম্পতি পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকেন, কোয়ালিটি টাইম দেন, কিন্তু কখনও আবার পরিস্থিতি বদলে যেতেও দেখা যায়। যদি কারও জীবনসঙ্গী বেশি ইমোশনাল হন, তাহলে তিনি চান তার সঙ্গী সর্বদা যেন ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকে৷ ব্যক্তি স্বাধীনতা তেমন গুরুত্ব পায় না তার কাছে। তাই, আজীবন তাকে মানিয়ে নেওয়াও মুশকিল হয়ে ওঠে। কখন কোন বিষয় সঙ্গীর অপছন্দ হবে, তা বুঝে উঠতে না পারলে মনোমালিন্য, ঝগড়া ইত্যাদির আবহ তৈরি হতে পারে।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...