সন্তানদের নিয়ন্ত্রণে রাখা কিংবা শাসনে রাখা এখন মুশকিল হয়ে উঠছে অভিভাবকদের কাছে। সংবাদ মাধ্যমে খবর দেখেশুনে জ্ঞান অর্জন করা আর লাগামছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও কিছু দেখে শেখার বিষয়টি এক নয়। অথচ আজকের প্রজন্ম তাই শিখছে। ভালো কিছুর থেকে তারা এখন নানারকম অশ্লীল ভিডিয়ো দেখার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে মুঠোফোনের মাধ্যমে। তাই, অনেক ছোটো থেকেই যুবক-যুবতিদের মধ্যে মানসিক সম্পর্কের থেকে বেশি গড়ে উঠছে শারীরিক সম্পর্ক। এক্ষেত্রে তাদের নজরে রেখে সঠিক ভাবে শাসন করতে না পেরে অনেক অভিভাবক অসহায় বোধ করছেন। আর তাই ক্রমশ বাড়ছে খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনা।

প্রেমে ব্যর্থতার কারণে মৃত্যু কিংবা আত্মহত্যার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সব ঘটনা ছড়িয়ে পড়তে থাকায় যুবসমাজ আরও মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। সবথেকে মর্মান্তিক বিষয় হল এই যে, খবরের কাগজ কিংবা টিভি চ্যানেল-এ খবর প্রকাশ করা হয় নাম-ধাম না প্রকাশ করে কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার কেউ এসবের কোনও তোয়াক্কা করে না। নাম, ঠিকানা, এমনকী যোগাযোগের নম্বর পর্যন্ত পোস্ট করা হয়ে থাকে এবং এটা ফরওয়ার্ড হতে থাকে।

প্রেমের শুরুতে প্রেমিক-প্রেমিকা কেউ কারও ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে না কিংবা বায়োডাটাও নেয় না। কেউ মেন্টাল হেলথও চেক করে না। কিন্তু প্রেম যখন পরিণতির দিকে এগোয়, তখন শুরু হয় খোঁজখবর। জাতপাত, ধর্ম, আয় কিংবা পারিবারিক সবকিছুর খোঁজখবর নিতে শুরু করে প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়েই। অথচ প্রেমটা শুরু হয়েছিল শুধু মুখের হাসি দিয়ে আর প্রেম পাকাপোক্ত হয়েছিল হোয়াটস অ্যাপ-এর মাধ্যামে হাজারো, লাখো মিষ্টি প্রেমের কথা লিখে!

দীর্ঘদিন প্রেমপর্বের পর প্রেমিকা তার প্রেমিককে বাড়ি নিয়ে গিয়ে দেখা করায় মা- বাবার সঙ্গে। এক্ষেত্রে ছেলেটির সবকিছু জেনেবুঝে নিয়ে তাকে যদি জামাই হিসাবে মেনে নেন মেয়েটির মা-বাবা— তাহলে সমস্যা নেই, নয়তো শুরু হয় বিভ্রাট। মেয়ের প্রেমিককে যদি ঠিকঠাক মনে না হয়, তাহলে অনেক মা-বাবা মেয়েকে বুঝিয়েসুঝিয়ে প্রেমিকের থেকে আলাদা করে দেন। আর যারা তা পারেন না, তাদের ক্ষেত্রে শুরু হয় সংঘাত।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...