দেশভর থানা ও ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে একটা জরুরি বার্তা দেওয়া হোক। লিভ-ইন রিলেশনশিপে থাকা কোনও মেয়ে যদি পরবর্তীকালে ধর্ষণের অভিযোগ আনে, তাহলে দোষীকে তত্ক্ষণাৎ লকআপে আটকে রাখার নিয়ম বদলানো দরকার। এমনিতে ধর্ষণের অভিযোগ জামানত অযোগ্য অপরাধ। কিন্তু অপরাধ কিনা তা সাব্যস্ত হওয়ার আগে বেল-এর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

নিম্ন আদালত অভিযোগ জমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আনার ওয়ারেন্ট জারি করে দেয়। কেউ কেউ সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মামলা নিয়ে যান। কিন্তু ততদিন লকআপ-এ জীবন কাটে আসামির।

সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার ঘোষণা করেছে, লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলে ধর্ষণের অভিযোগ ধোপে টিকবে না কিন্তু এই ধরনের মামলার নিষ্পত্তি সহজে হয় না। ফলে অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত দুতরফই মামলা খারিজ না হওয়া অবধি চূড়ান্ত মানসিক অশান্তির মধ্যে থাকেন। লিভ-ইন সম্পর্কে ভালোমন্দ দুই-ই আছে। যতটা নির্ঝঞ্ঝাট বলে এটা ভাবা হয়, সমস্যায় পড়লে দেখা যায় তা সহজ নয়। কেউ যদি মনে করেন বিবাহবহির্ভত সম্পর্কে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকবেন, যৌনজীবন উপভোগ করবেন, সেটা অবশ্যই তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু সমাজ এখনও এই সম্পর্ককে মর্যাদার আসনে বসাতে পারেনি।

লিভ-ইন সম্পর্কে খরচ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বোঝাপড়া শুরু থেকে না থাকলে, বিবাদের সূচনা হতে পারে। তৃতীয় কেউ যদি এর মধ্যে প্রবেশ করে, তখন তিক্ততা আরও বাড়তে থাকে। গার্হস্থ্যজীবনে যেমন অশান্তি, মারধোরের মতো ঘটনা অনভিপ্রেত, ঠিক সেই রকমই লিভ-ইন-এর ক্ষেত্রেও। আদালতও যেন এই লিভ-ইন সম্পর্কের ব্যাপারে কিছুটা বায়সড।

বর্তমানে ভারতে লিভ-ইন এবং তারপর ধর্ষণের অভিযোগ ভিত্তিক মামলার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এর কারণ বহু মেয়ে সম্পর্কে জড়িয়ে ঠকে গেছেন। বিশ্বাসভঙ্গের কাজ করেছে সঙ্গীটি। ভারতীয় পিনাল কোড অনুযায়ী, বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, ধর্ষণের সমতুল্য। এই আইন আজকের সমাজব্যবস্থায় কতটা গ্রহণযোগ্য এখন সেই প্রশ্নই উঠে আসছে। কারণ সম্পর্কস্থাপন ও তার থেকে সম্মানজনক ভাবে বেরিয়ে আসা, মৌলিক অধিকারের অঙ্গ।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...