আমাদের পাটনার আবাসনের ফ্ল্যাটগুলোর বেশ কিছু ব্যালকনির অবস্থান এরকম, একটা ব্যালকনিতে দাঁড়ালে অন্য ব্লকের ব্যালকনির ঠিক মুখোমুখি দাঁড়ানো যায়। এর সুফল অনেক, যেমন আমার স্ত্রী-কে এঘর ওঘর ঘুরে না পেলে আমি সোজা ব্যালকনিতে পৌঁছে যাই। দেখি সামনের ফ্ল্যাটের পল্লবীর মায়ের সঙ্গে গল্পে মশগুল। পল্লবীর বাবা চাকরিসূত্রে পাটনার বাইরে কর্মরত। সামনাসামনি ব্যালকনি হওয়ার কুফলও আছে! আজকের গল্প সেই কুফল কে নিয়ে।

আমার পাশের ফ্ল্যাটের গৃহিণী হলেন সুশীলা শর্মা। তিনি ভালোরকম খুঁতখুঁতে ও বাতিকগ্রস্ত ভদ্রমহিলা। বিড়াল রাস্তা কেটে বেরিয়ে গেলে, বরকে ধমকে বাইক থামিয়ে দেন। বেরনোর সময় হাঁচি পড়লে, তখনকার মতো যাত্রা বন্ধ। সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা করলে বলেন - নজর মত লাগাইয়ে জি। রাস্তায় ভুলবশত স্বামীর বাইক কোনও বিষ্ঠার ওপর দিয়ে গেলে বাইক, স্বামী ও নিজেকে স্নান না করিয়ে ছাড়েন না।

একবার ব্যালকনিতে গিয়ে দেখেন পিঁপড়ের সারি রেলিং-এ শুকোতে দেওয়া বালিশের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে, আর তারা আসছে পাশের একটা নির্দিষ্ট পাইপ বেয়ে। ব্যালকনির পাশেই বাথরুম, পাইপগুলো বাথরুম থেকেই বেরিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বালিশগুলো পত্রপাঠ বিদায়। ওনার এই অদ্ভুত আচরণে স্বামী সুনীল বেচারা বিরক্ত এবং পরিশ্রান্ত। কোনও ভাবে সুনীলকে কোনও পাইপের তলা দিয়ে আসতে দেখলে ধুন্দুমার লেগে যায় শর্মা পরিবারে। বেচারিকে বাড়িতে ঢুকে সোজা বাথরুমে স্নান করতে হয়। শাস্তির বহর এখানেই শেষ নয়, এর থেকেও বড়ো শাস্তি পেতে হয়।

শীতের দিনে মাঝ রাত্তিরে আদিম খেলার ইচ্ছা জাগলে, সম্ভোগের পর বেচারা সুনীলকে ৫ ডিগ্রি টেম্পেরেচারেও পুরোদস্তুর স্নান করতে হতো। এহেন অত্যাচারের ফলে প্রায় বারো মাসই পাশের ফ্ল্যাটে সুনীলের ‘হ্যাঁচ্চো” “হ্যাঁচ্চো' লেগেই থাকত। সেই হাঁচিও আবার আমার জন্য বিশেষ বিশেষ সময়েতেই বরাদ্দ থাকত। আমি বাড়ির থেকে বেরোতে গেলে, ঘুম থেকে উঠে মাটিতে পা দেওয়ার আগে, ভাতের থালায় প্রথম গ্রাসটা মুখে দেওয়ার প্রাক্ মুহূর্তে ইত্যাদি ইত্যাদি।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...