আমাদের অনেকেরই বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর শখ আছে। অনেকেরই শখ আছে বরফের ঘরে রাত কাটানোর বা আরামদায়ক বিছানায় শুয়ে আকাশের তারা খসা বা তুষারপাত দেখা। এরকম ইচ্ছে থাকলে আপনাদের সে ইচ্ছেও পূরণ হয়ে যাবে। কারণ আমাদের এই পৃথিবীতে এমন কিছু হোটেল আছে যা আপনার মনের ইচ্ছে পূরণ করতে পারবে। সেরকম দুটি হোটেলের সন্ধান রইল এখানে। আজ ষষ্ঠ পর্ব।

দ্য কমার্শিয়াল স্পেস স্টেশন : জানা গেছে রাশিয়াও মহাশূন্যে হোটেল বানানোর পরিকল্পনা করছে। দ্য কমার্শিয়াল স্পেস স্টেশন নামের এই হোটেলটি হয়তো এতদিনে চালু হয়ে গিয়ে থাকবে। নভোযান আকৃতির রাশিয়ার এই হোটেলটির তৈরির পরিকল্পনা রাশিয়ান কোম্পানি অরবিটাল টেকনোলজিস নামে একটি সংস্থার। তাদের পরিকল্পনা অনুসারে তাতে চারটি কেবিন থাকবে এবং সাতজন পর্যটক থাকতে পারবেন। তবে খাওয়ার জিনিস পৃথিবী থেকে নিয়ে যেতে হবে। আরও একটি জরুরি কথা, এই হোটেলে অ্যালকোহল ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পসাইডন আন্ডার ওয়াটার রিসর্ট : বিজ্ঞানের কল্পকাহিনিকেও হার মানিয়ে বিভিন্ন হোটেল তৈরি হয়েছে জলের তলায়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে এসব আন্ডার ওয়াটার হোটেল তৈরি হয়েছে। তবে বৈচিত্র‌্যে ও বিলাসিতার দিক দিয়ে ফিজির পসাইডন আন্ডার ওয়াটার রিসর্ট অন্যান্য হোটেলগুলো থেকে আলাদা। এই হোটেলে থাকলে বোর্ডাররা বিছানায় শুয়ে শুয়ে সমুদ্রের নীচে যেসব জলের প্রাণীরা ঘুরে বেড়ায়, তাদের দেখতে পাবেন। অর্থাৎ ডলফিন, হাঙর, জেলিফিশ ইত্যাদির চলাফেরা দেখতে পাবেন। কখন দিন আর কখন রাত হল কিছুই বোঝা যায় না।

ফিজির এই হোটেলে থাকতে হলে দু'মাস আগে থেকে বুকিং করতে হয়। কারণ সারা বছরই থাকে পর্যটকের চাপ। বিশেষ করে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় এখানে। প্রত্যেকটি কক্ষের আয়তন ১২ বর্গমিটার। আর উচ্চতা মাত্র আট ফুট। অর্থাত্ যখন কেউ বিছানায় ঘুমিয়ে থাকেন তার আট ফুট উপর দিয়ে জলে ভেসে বেড়ায় বিভিন্ন মাছ ও জলজ প্রাণী।

आगे की कहानी पढ़ने के लिए सब्सक्राइब करें

ডিজিটাল

(1 साल)
USD10
 
সাবস্ক্রাইব করুন

ডিজিটাল + 12 প্রিন্ট ম্যাগাজিন

(1 साल)
USD79
 
সাবস্ক্রাইব করুন
আরো গল্প পড়তে ক্লিক করুন...