আমার ত্বকের রঙে অসামঞ্জস্য

আমার বয়স ২৫ বছর। আমার মুখের ত্বকের রং এক এক জায়গায় এক এক রকম। আমার গলা, ঘাড়ের ত্বক শরীরের অন্য অংশের তুলনায় কালো। স্লিভলেস পোশাক পরতে পারি না কারণ আন্ডারআর্মে কালো প্যাচ থাকার কারণে। শরীরের এক এক জায়গায় এক এক রকম ত্বকের রং আলাদা হওয়ার কী কারণ এবং কী করলে এই সমস্যা দূর হবে যদি পরামর্শ দেন?

আপনার মতো অনেকেরই এই সমস্যা হয়ে থাকে। এর জন্য কিছু ঘরোয়া উপাচার আপনি ট্রাই করতে পারেন। যেমন, মধুর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণটি গলায়, ঘাড়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ২০-২৫ মিনিট পেস্ট-টি লাগিয়ে রেখে ভিজে কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে পুরো মুছে নিন। ১ চামচ টক দইয়ের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। যে-অংশে কালো ভাব বেশি মনে হচ্ছে সেখানে পেস্টটা লাগিয়ে মাসাজ করুন নিয়মিত। এতে কালো ভাব কয়েকদিনের মধ্যেই দূর হয়ে যাবে। সম্ভব হলে সামান্য লেবুর রসও পেস্টটির সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া গলা এবং ঘাড় পরিষ্কার করার জন্য চারকোল অথবা ব্লিচের ব্যবহারও কার্যকরী। ত্বকে গাঢ় এবং ট্যানড প্যাচ পড়ার কারণ হল ত্বককে আমরা সবসময় এক্সফলিয়েট করি না। দূষণ, নোংরা ধুলোমাটি, ঘামের সঙ্গে ত্বকে বসে যায়। ধীরে ধীরে এর ফলে ত্বকের উপর একটা মোটা পরত জমে যায়। ত্বকের মৃত কোশ এবং ধুলোময়লাযুক্ত এই পরতের কারণে ত্বক কোথাও হালকা আর কোথাও গাঢ় রঙের হয়ে যায়। এর জন্য জরুরি সপ্তাহে দুবার ত্বকে স্ক্রাব এবং ফেসমাস্ক ব্যবহার করা। বাড়িতে ঘরোয়া উপায়ে স্ক্রাব এবং ফেসমাস্ক বানিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।

বগলের নীচে ত্বকে কালচে ভাব নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। পোশাকের সঙ্গে বারবার ত্বকে ঘষা লাগার ফলে সেখানে মৃত কোশের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বা চাপা জামাকাপড় পরলেও ত্বকে ঘষা লাগে, ফলে সেখান থেকে কালো ছোপ পড়তে পারে। নানারকম ত্বকের সমস্যার কারণে বগলে কালো ছোপ দেখা দিতে পারে। যদি ত্বকের সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। আমরা নানারকম ডিওডোরেন্ট আমাদের আন্ডার আর্মসে ব্যবহার করে থাকি। তার মধ্যে যে কেমিক্যাল থাকে সেটার প্রভাবও আপনার বগলের কালো ছোপের অন্যতম কারণ হয়ে থাকতে পারে। শেভিং করার কারণেও অনেক সময় আন্ডার আর্মস-এর ত্বক রুক্ষ এবং কালো হয়ে যায়। এক্ষেত্রে লেবুর রস, অলিভ অয়েলের সঙ্গে ব্রাউন সুগার মিশিয়ে, আলুর রস বা গোলাপ জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ত্বকে লাগালে কিছুদিনের মধ্যে উপকার পাবেন অবশ্যই।

 

 

ইন্দ্রাশিস-এর নতুন ছবিতে ঋতুপর্ণা এবং ঋত্বিক

গত জুলাই মাসে মুক্তি পেয়েছিল ইন্দ্রাশিস আচার্য পরিচালিত ছবি ‘নীহারিকা’। আর ঠিক এক মাস পর ‘গাজনের ধুলোবালি’ শীর্ষক নতুন একটি ছবি তৈরি করার কথা ঘোষণা করলেন পরিচালক ইন্দ্রাশিস।

উল্লেখ্য, পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্য চারটে শর্ট ফিলম তৈরি করার পর, ২০১৭ সালে শুরু করেন পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরির কাজ। তাঁর পরিচালনায় প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি ‘বিলু রাক্ষস’ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ছবিটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত এবং প্রশংসিত হয়। আর এই সাফল্যকে পাথেয় করে তিনি দর্শকদের উপহার দেন ‘পিউপা’, ‘দ্য পার্সেল’ প্রভৃতি ছবি। প্রত্যেকটি ছবি-ই প্রশংসা পায় দেশ-বিদেশের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। এরপর ২০২১ সালে তিনি তৈরি করেন ‘রেড ভেলভেট’ নামের একটি হিন্দি ছবি এবং তারপর তিনি আবার তৈরি করেন বাংলা ছবি ‘নীহারিকা’। আর এবার তাঁর পরিচালনায় শুরু হতে চলেছে ‘গাজনের ধুলোবালি’ শীর্ষক ছবির শুটিং।

সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ‘গাজনের ধুলোবালি’ শীর্ষক এই ছবির কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অমৃতা নামের এক গৃহবধূ। বলা যায়, এই ছবি তারই জীবন-সফর। কাহিনিতে দেখা যাবে, অফিসের কাজে বেরিয়ে অমৃতা-র স্বামী প্রখ্যাত সাংবাদিক অরিন্দম আর বাড়ি ফেরেনি। তাই বাধ্য হয়ে থানা পুলিশ করে অরিন্দমের অফিসে খোঁজ নিতে গেলে অমৃতা-র আলাপ হয় স্বামী অরিন্দম-এর সহকর্মী সাংবাদিক শ্রীতমা-র সঙ্গে। শ্রীতমা অমৃতা-কে নিয়ে যায় সেই গ্রামে, যেখানে অরিন্দমের সঙ্গে কাজ করত সে। আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে সেই এলাকার ভয়ংকর সত্যি। যার কথায় পুরো গ্রাম চলে, সেই রাজেন-এর আসল রূপ আর মাস্টারমশাই এর লড়াই সামনে আসে অমৃতার। এরপর গল্প এগোয় পরিণতির দিকে। কী ঘটবে এরপর? অমৃতা-র স্বামী অরিন্দম-কে ফিরে পাবে কি অমৃতা? কোন খাতে বইবে অমৃতা-র জীবন-স্রোত? এই সমস্ত কৌতূহল মেটাবে ইন্দ্রাশিস আচার্য পরিচালিত ছবি ‘গাজনের ধুলোবালি’।

ছবিটির কাহিনি লিখেছেন পরিচালক ইন্দ্রাশিস নিজেই। যৌথ ভাবে চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্য এবং লুব্ধক চট্টোপাধ্যায়। ছবিটির নিবেদক প্রতীক চক্রবর্তী। ‘প্রমোদ ফিল্মস’ প্রযোজিত, এই ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং ঋত্বিক চক্রবর্তী। ছবিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রূপদান করতে দেখা যাবে শ্রেয়া সিনহা, লোকনাথ দে, দেবপ্রসাদ হালদার, শুভঙ্কর মোহান্ত, দীপক হালদার, অপূর্ব বর, উমা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আজিমগঞ্জ নাট্যসংস্থার অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। ছবিটির লাইন প্রোডিউসার ‘অ্যাডভার্ব মুভিজ’। ‘গাজনের ধুলোবালি’ শীর্ষক এই ছবিটির সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন জয় সরকার। খুব শিগগিরি ছবিটির শুটিং শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে সম্প্রতি।

Tasty স্যান্ডউইচ ( শেষ পর্ব )

স্যান্ডউইচ এমনই একটা স্ন্যাক্স যা বড়োরা যেমন খেতে ভালোবাসে, তেমনই পছন্দ করে বাচ্চারা৷কেন স্যান্ডউইচ এত জনপ্রিয়? স্যান্ডউইচ সারা বিশ্বে জনপ্রিয় কারণ বেশিরভাগ উপাদানই পাউরুটির সাথে মিলিত হয় । এবং রুটি ও পুরের এই মেলবন্ধন  সারা বিশ্বে  স্যান্ডউইচকে আরও বেশি সহজলভ্য করে তুলেছে৷ স্যান্ডউইচকে সুস্বাদু করে তোলে এর পুর বা ফিলিং৷ ফিলিং হিসাবে মাংস, মুরগি, মাছ, ডিম, পনির, শাকসবজি দেওয়া যেতে পারে। সালামি, রান্না করা রোস্ট মুরগি, মেটে,সসেজ,কাটা শসা এবং টমেটো সবই জনপ্রিয় ফিলিং।এমন কী দই বা চকোলেটও এতে ব্যবহার করা যায়৷

 

দইবাদামের স্যান্ডউইচ

উপকরণ : ১/২ কাপ ইয়োগার্ট, ১/২ টেবিল চামচ গ্রেট করা গাজর, ১/৪ টেবিল চামচ পুদিনাপাতা কুচি, ১/৪ টেবিল চামচ ধনেপাতাকুচি, ১ টেবিল চামচ মাখন, ১/২ চা-চামচ মরিচগুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ বাদাম খোলায় ভাজা, ২-৪টি ব্রেড স্লাইস, ১ টেবিল চামচ দুধ, ১/২ চা-চামচ নুন।

প্রণালী: ক্রিম, দই, চিজ ও দুধের সঙ্গে সবজিকুচি মিশিয়ে নিন। নুন-মরিচ ছড়িয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করুন। মাখন লাগান ব্রেড স্লাইসের উপর। এবার সবজির মিশ্রণের পরত লাগান। উপর থেকে বাদাম সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

ক্লাব স্যান্ডউইচ

Club Sandwich recipe

উপকরণ : ৪টি শশার স্লাইস গোল করে কাটা, ৪টে টম্যাটো রিং, ৪টে পেঁয়াজের রিং, ১ টা ওমলেট, ১/২ চা-চামচ মরিচগুঁড়ো, ১/২ চা-চামচ ওরিগ্যানো, ৪-৫ স্লাইস পাউরুটি, ২ টেবিল চামচ চিজ, ১/২ চা-চামচ নুন।

প্রণালী: একটি স্লাইসের উপর চিজ মাখান। টম্যাটো রিং রাখুন। মরিচ, নুন ও ওরিগ্যানো মিশিয়ে একটি মশলা তৈরি করুন। সেই মশলা ছড়িয়ে দিন। এবার আর-একটি স্লাইস রাখুন যার দুপিঠেই চিজ মাখানো। এবার শশার রিং রাখুন। আবার মশলা ছড়ান। একইভাবে পরের স্লাইস চিজ মাখিয়ে নিন এবং ওমলেট-টা রাখুন। উপর থেকে একটা স্লাইস চাপা দিয়ে টুথপিক গেঁথে দিন।

চকোলেট ওপেন স্যান্ডউইচ

Chocolate Open Sandwich recipe

উপকরণ: ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, ১/২ টেবিল চামচ চকোলেট পাউডার, ১/২ টেবিল চামচ গুঁড়ো চিনি, ১টা ছোটো চকোলেট বার, ১/২ চা-চামচ কফিগুঁড়ো, ৪-৫টা কাজুবাদাম, ১/৪ কাপ ক্রিম, ২-৪ স্লাইস ব্রেড, অল্প চারমগজ।

প্রণালী: চকোলেট বার-টা গলিয়ে নিন, ঠান্ডা করুন এবং ক্রিমের সঙ্গে গুলে নিন। গুঁড়ো দুধ, গুঁড়ো চিনি, কফি পাউডার ও চকোলেট পাউডারও মেশান এর সঙ্গে। হালকা করে গুলে নিন যাতে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি হয়। উপরে কাজুবাদাম ও চারমগজ ছড়িয়ে দিন। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। তারপর সার্ভ করুন।

মনোরম সৌন্দর্যের ঠিকানা কালসি

উত্তরাখণ্ডের একটি ছোট্ট গ্রাম Kalsi, দেরাদুন জেলার জৌনসার-বাওয়ার উপজাতি এলাকার প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত। এটি যমুনা নদীর তীরে দেরাদুন এবং চকরাতা হিল স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত। খিল, ভুটি এবং মুন্দার সম্প্রদায়ের লোকেরা এখানে বাস কর। কালসি এমন একটি জায়গা যেখানে পর্যটকরা গ্রামীণ জীবনের অনুভূতি নিতে পারেন।
চারিদিকে সবুজ ওক এবং শালের জঙ্গল এবং একটি বিশাল সবুজ উপত্যকা দ্বারা বেষ্টিত, এই ছোট্ট জায়গাটিতে আপনি গাড়োয়াল পর্বতমালার নিখুঁত বর্ণনা খুঁজে পাবেন।

দেরাদুনের কালসি সম্পর্কে –

সবুজ উপত্যকার বেষ্টনীতে চারিদিকে সবুজ ঘাস আর লাল রডোড্রেনডন ফুলের বাহার। ছবির মতো সুন্দর দেরাদুন হিমালয়ের এই গ্রাম। এখানে নেই কোনও দূষণ, নেই শহুরে কোলাহল। পাহাড়ের ওপর দাঁড়ালে নীচে দেখা যায় সবুজে মোড়া যমুনা উপত্যকা। কালসি লোকালয়টি তার ঐতিহ্যের জন্য বেশ বিখ্যাত। এই শহরটি সম্রাট অশোকের গৌরবের সাক্ষীও বহন করছে। কালসিতে উপস্থিত ভারতীয় এপিগ্রাফগুলির ইতিহাসের মধ্যে একটি হল, ‘অশোকা রক এডিক্ট’, এখানকার কয়েকটি বিশেষ আকর্ষণের মধ্যে পড়ে। দেরাদুন থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থানটি সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও খুব বিখ্যাত। Kalsi থেকেই জৌনসার-বাওয়ার উপজাতি অঞ্চলের প্রবেশদ্বার। এই স্থানটি অনেক প্রাচীন স্মৃতিসৌধ, অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস এবং পিকনিক স্পটগুলির জন্য বিখ্যাত।

কালসির আশেপাশের আকর্ষণ –

আসান ব্যারেজ

আসান ব্যারেজ বিভিন্ন বিপন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির জন্য পরিচিত, যারা মাইগ্রেশন-এর সময় বছরের বেশিরভাগ সময় এখানে থাকে। অনেক বিদেশি পাখি যেমন লাল-ক্রেস্টেড পোচার্ডস, কুটস, কর্মোরান্টস, ওয়াগটেলস, বৃহত্তর দাগযুক্ত ঈগল, ওস্প্রে, মার্শ হ্যারিয়ার এখানে দেখা যায়। বেড়াতে গেলে অবশ্যই আসান ব্যারেজ পরিদর্শন করা বাঞ্ছনীয়।

বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাথে কালসি ভ্রমণের সময় পিকনিক উপভোগ করতে পারেন। ডাকপাথর এমনই একটি জায়গা, যেখানে পর্যটকদের প্রায়ই ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। একটি দুর্দান্ত পিকনিক স্পট হওয়ার পাশাপাশি, এখানে অনেক রকম অ্যাডভেঞ্চারে ভাগ নেওয়ার সুযোগও পাওয়া যায়। এখানে নৌকা বাইচ, ক্যানোয়িং, রিভার রাফটিং, ওয়াটার রাফটিং উপভোগ করতে পারেন। মাছ ধরার মতো মজাদার ক্রিয়াকলাপগুলিও এখানে করতে পারবেন। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর এবং মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে এখানে ভ্রমণ করার জন্য আদর্শ সময়।

চকরতা পাহাড়

Kalsi থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চকরতা হিল স্টেশনটিও কারও চেয়ে কম নয়। শহুরে জীবনের কোলাহল থেকে দূরে, এখানে আপনি চকরতা পাহাড় এবং আকর্ষণীয় জলপ্রপাতের দৃশ্য দেখতে পাবেন। চকরতা পাসের পাশাপাশি আপনি এখানে ট্রেকিং-ও উপভোগ করতে পারেন। বেশ কিছু বিখ্যাত জলপ্রপাত এখানে অবস্থিত, যেগুলির আনন্দ এখানে এলে আপনি পূর্ণ উপভোগ করতে পারবেন।

টিমলি পাস

আপনি যদি দর্শনীয় স্থানগুলির পাশাপাশি কিছুটা ইতিহাসের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন তাহলে টিমলি পাস-টি দেখার মতো একটি জায়গা। এই জায়গাটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয় কারণ স্থানটি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীদের যুদ্ধের সাক্ষী ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।

কীভাবে কালসি পৌঁছাবেন

বিমানে:  কালসি শহরের নিকটতম বিমানবন্দর হল দেরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দর, যা শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে। আপনি দেরাদুনের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি ভাড়া সংস্থাগুলি থেকে কালসিতে ট্যাক্সি বুক করতে পারেন। শহরে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ২ ঘণ্টা।

ট্রেনে:  কালসি গ্রামের নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হল দেরাদুন রেলওয়ে স্টেশন, শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দূরে। আপনি সহজেই একটি ট্যাক্সি বুক করতে পারেন বা কালসি পৌঁছানোর জন্য একটি লোকাল বাসে যেতে পারেন।

রাস্তা দিয়ে:  কালসি ডাকপাথারের কাছে এনএইচ ১২৩ অবস্থিত। আপনি দিল্লি/এনসিআর এবং অন্যান্য নিকটবর্তী শহরগুলি থেকে গাড়িতে আসতে পারেন বা সরকারি বা বেসরকারি বাসে দেরাদুন পৌঁছোতে পারেন।

 

Tasty স্যান্ডউইচ (পর্ব ১)

স্যান্ডউইচ ! এটি এমন একটা খাবার যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হইহই করে ঢুকে পড়েছে৷ বাচ্চাদের জলখাবারে, টিফিনে, চায়ের আসরে, ব্রেকফাস্ট-এ– স্যান্ডউইচ  ছাড়া যেন চলেই না৷

স্যান্ডউইচ-এর উদ্ভাবন কী করে হল?   পৌরাণিক কাহিনি হল, আর্ল অফ স্যান্ডউইচ একবার জুয়া খেলতে বসেছেন৷ জয়ের ধারা অব্যহত রাখতে গিয়ে তিনি ক্ষুধার্ত হয়ে উঠলেন এবং তাঁর দাসদের খাবার আনতে বললেন। চটজলদি খাবার হিসাবে তারা তাঁকে মাংস, পনির এবং রুটি এনে দিল। খেলা এবং খাওয়া সহজ করার জন্য, তিনি রুটির টুকরোগুলির মধ্যে মাংস রেখেছিলেন এবং ওভাবেই তা খেয়েছিলেন। এইভাবে গল্প অনুসারে স্যান্ডউইচের জন্ম হয়েছিল।

এখন বাচ্চারা লাঞ্চ প্যাকে স্যান্ডউইচ দেখলে আনন্দে নেচে ওঠে৷আপনিও শিখে নিন ওদের মন ভালো করা কিছু স্যান্ডউইচ রেসিপি৷

সালামি স্যান্ডউইচ

উপকরণ : ৪ স্লাইস মাল্টিগ্রেন ব্রেড, ৮ পিস গোলাকার সালামি, ১টি টম্যাটো কুচোনো, ১টি পেঁয়াজ কুচোনো, ১ টেবিল চামচ ধনেপাতাকুচি, ১/২ চা-চামচ মরিচগুঁড়ো, ১/২ কাপ চিজ স্প্রেড, ১-২টি কাঁচালংকা কুচি করা, ১/২ চা-চামচ নুন।

প্রণালী: চিজের সঙ্গে পেঁয়াজ, লংকা, টম্যাটো ও ধনেপাতাকুচি মিশিয়ে নিন। চিজ স্প্রেড ব্রেড স্লাইসে মাখান। এবার নুন-মরিচ ছড়িয়ে দিন, এর উপর চিজের মিশ্রণ লাগান। আবার মরিচ ছড়ান। সালামি উপরে রেখে সার্ভ করুন।

ক্রিম স্প্রাউট স্যান্ডউইচ

Cream Sprout Sandwich recipe

উপকরণ : ১/৪ কাপ ক্রিম, ১/২ কাপ ইয়োগার্ট, ১/২ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ পুদিনা-ধনেপাতার চাটনি, ১/৪ কাপ পেঁয়াজ কুচোনো, নুন স্বাদমতো, ২-৩ স্লাইস পাউরুটি, ১ কাপ অঙ্কুরিত মুগ।

প্রণালী: একটি মাইক্রোওয়েভ বোলে অঙ্কুরিত মুগের সঙ্গে চাটনি মিশিয়ে, মাইক্রোওয়েভ-এ একটু শুকনো করে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে ইয়োগাটের সঙ্গে ক্রিম, নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে একটা স্প্রেড তৈরি করুন। এবার এই স্প্রেড পাউরুটির স্লাইসে মাখিয়ে, উপর থেকে অঙ্কুরিত মুগের মিক্সচার দিন। টম্যাটো ও পেঁয়াজকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

কর্ন টম্যাটো স্যান্ডউইচ

Corn Tomato Sandwich recipe

উপকরণ : ২টি টম্যাটো, ৩-৪ স্লাইস ব্রেড, চিজ স্প্রেড, ১ কাপ নুন দিয়ে সেদ্ধ ভুট্টা, ১/২ চা-চামচ মরিচগুঁড়ো, ১/২ চা-চামচ ওরিগ্যানো, ১/২ লেবুর রস।

প্রণালী : চিজ মাখিয়ে নিন ব্রেড স্লাইসে। টম্যাটোর রিং কেটে এর উপর রাখুন। ভুট্টা সেদ্ধ, লেবুর রস, মরিচ, ওরিগ্যানো দিয়ে মেখে নিন। এবার অল্প করে ভুট্টার মিশ্রণ প্রতিটা টম্যাটোর রিং এর মাঝখানে রেখে সাজিয়ে দিন। সার্ভ করুন।

তমসা পেরিয়ে (পর্ব-০৪)

ওর চেয়ে মূল্যবান উপহার আর জীবনে পাইনি বিশ্বাস করুন। অবশ্য আগাম আরও একটা মহামূল্যবান উপহার পেয়ে…..’

থেমে যান কাকলিদেবী।

‘থেমে গেলেন কেন? বন্ধু ভেবে না হয় বললেন-ই।’ জানার জন্য উৎসুক হয়ে ওঠেন কাকলি।

আবার বলতে শুরু করলেন কাকলিদেবী। ‘ছবিটা দেখে এতটাই আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম যে, আত্মহারা হয়ে ওকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। তারপর সমস্ত পৃথিবী ভুলে শরীরী খেলায় মেতে উঠেছিলাম দুজনে।’ কাকলির চোখে পড়ে, কথাগুলো বলতে বলতে কাকলিদেবী কেমন যেন কেঁপে কেঁপে উঠছিলেন। দু-চোখ জলে ভর্তি। কাকলিদেবীর হাতের উপর হাতটা রেখে খানিক বল জোগান কাকলি ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মালকিন।

ধাতস্থ হতে খানিক সময় লাগে কাকলিদেবীর। ঘরটিতে কেবল দুজন। কেবল দুজনের নিঃশ্বাস ও ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ। নিস্তব্ধতা ভেঙে কাকলি-ই বলেন, ‘তারপর?’ শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছে নেন ঋতমের মা কাকলিদেবী।

তারপর আবার বলতে শুরু করেন, ‘সেদিন ওই ঘটনার পরে ভীষণ অপরাধবোধ কাজ করছিল মনের মধ্যে। তখন ও-ই সামলেছিল আমাকে। বুঝিয়েছিল আমরা তো কোনও অন্যায় করিনি কাকলি। ভালোবাসা তো কোনও অপরাধ নয়। তাছাড়া আর কদিন বাদেই তো আমাদের বিয়ে। সেদিন ওঁর কথায় আমিও ভুলে গিয়েছিলাম। মনে মনে ভেবেছিলাম ঠিকই তো বলছে, আর কয়েকদিনই বাকি আমাদের বিয়ের। কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস দেখুন তার চারদিন পর থেকেই মানুষটার আর কোনও খোঁজ পাওয়া গেল না। বাবা বহু চেষ্টা করেছেন কিন্তু…।’

‘ওনার অফিসে খোঁজ করেননি?”

“বাবাকে নিয়ে সেখানেও গিয়েছিলাম। তারাও কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। সেই দিন থেকে নাকি আর অফিসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেনি। ভেবেছিলাম ঠিক ফিরে আসবে। মনের মতো কিছুই ঘটল না। উলটে মাস ঘুরতে না ঘুরতেই বুঝতে পারলাম কনসিভ করেছি। প্রথমটা ভীষণ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। কী করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। পেটের সন্তানকে নিজে হাতে খুন করব, না এটা আমি কোনওমতেই পারব না। নীহার ফিরে এসে যদি জবাব চায় কেন এমনটা করলাম। তখন কী জবাব দেব আমি। বাবার কথা কিছুতেই মানতে পারছিলাম না। বাবা বারবার বউদিকে দিয়ে প্রেসারাইজ করার চেষ্টা করছিলেন। সমাজে বাবার একটা নাম আছে, প্রতিপত্তি আছে। সেগুলো বাবা কোনওমতেই খোয়াতে রাজি নন। আর আমিও আমার সিদ্ধান্তে অনড়। সে যে কী ভীষণ রকম অশান্তি শরীরে মনে আপনাকে বলে বোঝাতে পারব না।’ বলতে বলতে হঠাৎই হাঁফাতে শুরু করেন কাকলিদেবী। সামনেই কাচের গ্লাসে রাখা জল এগিয়ে দেন ম্যাডাম। ঢকঢক করে খানিকটা জল খাওয়ার পর খানিক স্বস্তি পান তিনি।

‘এখন ঠিক লাগছে? আমি বোধহয় একটু বেশিই…’ ইতস্তত বোধ করতে থাকেন কাকলি।

“আরে না না। অনেক বছর পরে বুকে চেপে রাখা কথাগুলো বলতে পেরে আমারও বেশ হালকা লাগছে।’

“তারপর কী করলেন? আপনার বাবা মেনে নিলেন?”

“বাবার মেনে নেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। উনি তো চেষ্টা করেছিলেন যেভাবেই হোক বাচ্চাটাকে …. বুঝতে পেরে সেই রাতেই চোরের মতো ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম পড়াশোনাটা তো জানি। কিছু একটা পথ বার করে নেব। এক বান্ধবীর সহায়তায় সোজা এসেছিলাম বেনারস। সেখানে দিনকতক থেকে তারই সহায়তায় একটা সংস্থায় চাকরিও পেয়েছিলাম। সংস্থার মালিক দীনদয়ালবাবু ভীষণ ভালো মানুষ ছিলেন। উনি সমস্তটা জানার পরেও ওনার সংস্থায় আমাকে চাকরি দিয়েছিলেন। ছোটোবোনের মতো ভালোও বাসতেন। ওখানেই ঋতমের জন্ম, পড়াশোনা সমস্ত কিছু। কম লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে আমাদের? ঋতমের স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু নিয়ে। বুঝতে পারতাম লোকে নানান অকথা কুকথা রটিয়ে বেড়াচ্ছে। সবকিছু অগ্রাহ্য করে ছেলের কথা ভেবে কোনওভাবে চালিয়ে নিচ্ছিলাম। কিন্তু কথায় বলে না “তুমি যাবে বঙ্গে, তোমার কপাল যাবে সঙ্গে। হঠাৎ একদিন অফিসে গিয়ে দেখি কোম্পানির গেটে নোটিশ ঝুলছে। ব্যাংক থেকে কোম্পানি সিজ করে দিয়ে গেছে।’

(ক্রমশ…)

স্বামীর আগের পক্ষের সন্তানের দায়িত্ব যখন কাঁধে

 আমার বয়স ৩৮৷ আমি একজন ডিভোর্সি৷ গত তিন বছর হল আমি একজনকে বিয়ে করেছি৷ আমার স্বামীর আগের পক্ষের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে৷ তাকে পরম আদরে ও ভালোবাসায় আমি বড়ো করেছি৷ ওই ছেলেটির এখন দশ বছর বয়স৷  জানি না আমি অতটা ভালো মানুষ কিনা। তাই মনে হয়েছে, নিজের সন্তান হলেই আমি ভালো দায়িত্ব নিতে পারব।সেই বাসনার কথা স্বামীকে বলি৷ বর্তমানে আমার নিজের একটি সন্তান হয়েছে৷ কিন্তু আমার মনে এখন দ্বিধা তৈরি হচ্ছে নিজের সম্তানকে বড়ো করে তুলতে গিয়ে,স্বামীর আগের পক্ষের সন্তানের অযত্ন করে ফেলব না তো? ওর মনে কোনও ক্ষোভ তৈরি হবে না তো? যদিও ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ও স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক এখনও বজায় আছে৷ভয় হয় আত্মীয়রা ওর মনে কোনও ভাবে হিংসা ঢুকিয়ে দেবে না তো !

আপনি সঠিক পথই বেছে নিয়েছেন। বাচ্চাকে বড়ো করা খুবই গুরুতর দায়িত্ব।আপনি স্বামীর আগের পক্ষের সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে যথেষ্ট বড়ো মনের পরিচয় দিয়েছেন৷ সেই দায়িত্ব একেবারে একশো শতাংশ পালন করতে পেরেছেন৷ কিন্তু নিজের সন্তানের আকাঙ্ক্ষা হওয়াটা দোষের নয়৷ মাতৃত্বের পূর্ণ অভিজ্ঞতাটার মধ্যে দিয়েযাওয়ার অধিকার আপনার আছে৷। যে-শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন হয় এই সময়, তা উপভোগ করতেপেরেছেন, এটাই তো খুব আনন্দের।

প্রথম সন্তানের ওপর কিন্তু আলাদা দুর্বলতা থাকেই। সবসময় অনুভব করবেন যে স্বামীর ওই সন্তান যেন আপনার প্রথম সন্তান। দু’ জনের মধ্যে কোনও ফারাক অনুভব করতে দেবেন না।ওর সঙ্গে আগের মতোই বন্ধুত্ব ও স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখুন৷

মাতৃত্ব নিয়ে বড়ো বেশি মাতামাতি হয় আমাদের দেশে। সন্তান দত্তক নিয়ে মানুষ করলেও ভালোবাসার কোনও খামতি থাকে না তাতে। আর সেই একই ভালোবাসা ফেরতও পাওয়া যায়। তাই ওই ছেলেটিকেও পর ভাবার কোনও কারণ নেই৷আর নিজের সন্তানকে সময় বেশি দিতে হচ্ছে ভেবে অপরাধ বোধেরও কোনও কারণ নেই৷আপনার নিজের গর্ভজাত দুটি সন্তান হলে যা করতেন, তা-ই করুন৷

সন্তান জন্ম দিলেই তা নিজের হয়? নাকি বড়ো করে তুললেও সে একইরকম আপন হয়? এত কিছুর পরে সমাজে বিরোধ, বিতর্ক থেকেই যাবে।আপনি ওসবে কান না দিয়ে মাতৃত্বের আনন্দ উপভোগ করুন দুই সন্তানের জননী হিসাবে৷

‘Dream Girl 2’ নিয়ে দর্শকদের মতামত দ্বিধাবিভক্ত

প্রযোজক: একতা কাপুর ও শোভা কাপুর

লিখেছেন: রাজ শান্ডিল্য ও নরেশ কাঠুরিয়া

পরিচালক: রাজ শান্ডিল্য

অভিনয়ে:  আয়ুষ্মান খুরানা, অনন্যা পান্ডে, আন্নু কাপুর, পরেশ রাওয়াল, রাজপাল যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মনজোত সিং, মনোজ জোশী, সীমা পাহওয়া, বিজয় রাজ, আসরানি প্রমুখ।

সাম্প্রতিক খবরগুলিতে প্রকাশ ‘Dream Girl 2’  ছবিটি রিলিজের ৮ দিনের মধ্যে প্রায় ৭২ কোটি টাকার ব্যাবসা করে ফেলেছে। সানি দেওলের ‘গাদার ২’ যেখানে বলিউডে ধামাকা মাচিয়ে রেখেছে সেখানে আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত ‘ড্রিম গার্ল ২’ নিয়ে সকলের মনেই একটা আশঙ্কা কাজ করছিল। বক্স অফিসে ছবিটির উপার্জন ছবিটির সাফল্যের দিকে ইঙ্গিত করছে ঠিকই কিন্তু তবুও ছবিটিতে অনেক খামতি লক্ষিত হয়। এক টানা আট বছর ধরে টিভি শো ‘কমেডি সার্কাস’-এর জন্য সংলাপ লিখেছিলেন যে ব্যক্তি সেই রাজ শান্ডিল্য পরে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের জন্য সংলাপ লিখেছিলেন যেগুলি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়, তবে লেখক ও পরিচালক হিসাবে তাঁর ২০১৯ সালের ছবি “ড্রিম গার্ল” সফল হয়েছিল। এখন তিনি একই ছবির সিক্যুয়েল ‘ড্রিম গার্ল ২’ তৈরি করেছেন এবং তিনি নিজেই জানিয়েছেন যে তিনি মোটেই ভালো গল্প, চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লিখতে জানেন না, এমনকী তিনি ভালো পরিচালকও নন। প্রসঙ্গত, রাজ শান্ডিল্য ‘হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি’র সহায়তায় টিভি পর্বের জন্য কিছু কমেডি এপিসোড লিখেছিলেন।

গল্প:

‘Dream Girl 2’ কে সেই অর্থে ঠিক সিক্যুয়েল বলা যায় না। যদিও ২০১৯ এ মুক্তি পাওয়া প্রথম পর্বের ছবির সঙ্গে সামান্য মিল রয়েছে ছবির প্রেক্ষাপটে। কয়েকজন ছাড়া দ্বিতীয় পর্বের ছবিতেও প্রথম পর্বের অভিনেতাদেরই দেখা গিয়েছে। ছবির প্রেক্ষাপট উত্তরপ্রদেশের মথুরার যমুনা নদীর তীরে বসবাসকারী জগজিৎ(আন্নু কাপুর) এবং তার ছেলে করম(আয়ুষ্মান খুরানা) কে নিয়ে। আগের ছবির মতো এই ছবিতেও বাবার ঋণ শোধ করতে প্রতিদিন হিমশিম খাচ্ছেন বেকার করম। এর মধ্যে করম-এর জীবনে প্রেমিকা রূপে অনন্যা পান্ডে ওরফে পরির প্রবেশ ঘটে। পরির আইনজীবী বাবা শ্রীবাস্তব(মনোজ জোশী) করমের বাড়ির অবস্থা দেখে শর্ত দেন যে করমকে ছয় মাসের মধ্যে একটি ভালো বাড়ি করতে হবে এবং তার অ্যাকাউন্টে ২৫ লক্ষ টাকা থাকতে হবে। এখান থেকেই মোড় নেয় আসল গল্প। প্রেমিকার বাবার শর্তপূরণ করতে গিয়ে মহাফ্যাসাদে পড়তে হয় সেই যুবককে। টাকা রোজগারের জন্য মহিলার বেশভূষা ধারণ করতে হয় তাকে। পরের গল্প সেই মহিলা চরিত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে তৈরি হওয়া একের পর এক জটিলতা আর লুকোচুরিকে কেন্দ্র করে। ছবিটিতে বিশেষ নতুনত্ব কিছু নেই।

রচনা ও পরিচালনা:

‘ড্রিমগার্ল’-এর মতোই ‘ড্রিমগার্ল ২’ ছবি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রাজ শাণ্ডিল্য। এবার লিখিতভাবে নরেশ কাঠুরিয়ার সাহায্য নিয়েছেন রাজ শান্ডিল্য। তা সত্ত্বেও চিত্রনাট্য ও সংলাপ খুবই দুর্বল। শ্রীলংকার অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু করে একজন বরিষ্ঠ ব্যক্তির বয়স নিয়ে যে ধরনের সস্তা রসিকতা করা হয়েছে, তাতে মনে হয় রাজ শান্ডিল্য ভারতীয় সংস্কৃতিকে উপহাস করেছেন। মনে হয়েছে তিনি ভারতের বাসিন্দা নন, বরং এমন একটি দেশে তিনি থাকেন  যেখানে সম্পর্ক ও মানবতার কোনও মূল্য নেই। অনেক দৃশ্যে লেখক ও পরিচালকের অসংবেদনশীলতা দেখা যায়। চিত্রনাট্যের দুর্বলতা আড়াল করার জন্য পরেশ রাওয়াল, অন্নু কাপুর এবং রাজপাল যাদব থেকে শুরু করে মনোজ জোশী, সীমা পাহওয়া, বিজয় রাজ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মনজোত সিং-এর মতো কৌতুক অভিনেতার পুরো পল্টন জোগাড় করলেও ছবিটি ভালো ভাবে তৈরি করতে তাঁরা অসফল হয়েছেন। ছবির ক্লাইম্যাক্সে পরি যখন যমুনা নদীতে নৌকায় করে নিজের বিয়ের শোভাযাত্রা নিয়ে পৌছায়, সেই দৃশ্যটি অবশ্যই সুন্দর এবং মনে দাগ কাটে। ছবির গানও মনে রাখার মতো নয়। মজার ব্যাপার হল, এই ছবিতেও ‘গদর ২’-এর ‘মে গাদ্দি লেকে নিকলা’ গানটি…’ ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখা হয়েছে। কেন এটা শুধু প্রযোজক ও পরিচালকই বলতে পারবেন!

অভিনয়:

আয়ুষ্মানের এই ছবির হিরো, ‘অভিনয় এবং সংলাপ’। এই দুইকে হাতিয়ার করেই বক্স অফিসের বৈতরণী পার করার চেষ্টা করেছেন ছবির নির্মাতারা। আয়ুষ্মান যে ভালো অভিনেতা তা নিয়ে সন্দেহ নেই। বিশেষ করে এই ধরনের বোকা বোকা চরিত্রে অভিনয় করার ক্ষেত্রে তিনি অনবদ্য। শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর ছবি ব্যর্থ হচ্ছে এবং তাঁর অভিনয়তেও দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে। আয়ুষ্মানকেও ছাপিয়ে অভিনয় করেছেন অনু কপূর, পরেশ রাওয়াল, বিজয় রাজ এবং সীমা পাহওয়া। মনজোত সিংহ এবং রাজপাল যাদবও ভালো অভিনয় করেছেন। দু’ঘণ্টা ধরে পর্দায় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন আয়ুষ্মান এবং তাঁর সহ-অভিনেতারা। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অভিনয় ক্ষমতাকে আরও ব্যবহার করা যেত। ‘ড্রিম গার্ল’ ছবিতে আয়ুষ্মান, কল সেন্টারে শুধু মেয়ের কণ্ঠে পূজা হিসেবে কথা বলতেন। কিন্তু ‘Dream Girl 2’-এ তিনি পূজা নামে একটি মেয়ে হয়ে উঠেছেন এবং এখানে মনে হয়েছে দ্বিতীয় ছবিটি করতে গিয়ে তাঁর একমাত্র ধ্যান ছিল যে দর্শকদের সামনে তাঁকে মেয়ে হয়ে উঠতে হবে, সেই ভাবে অভিনয় করতে হবে। ছবিতে যদিও আয়ুষ্মান খুরানাকে তাঁর নারীসুলভ অভিব্যক্তি দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করতে দেখা যায়, তবু বলতেই হবে তিনি শাস্ত্রীয় নৃত্য সম্পর্কে অবগত নন। এ ছাড়াও চিত্রনাট্য ও সংলাপের প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় চরিত্রটি প্রস্ফুটিত হতে ব্যর্থ হয়েছে। আয়ুষ্মান খুরানার মনে রাখা উচিত ছিল যে তাঁকে ‘চাচি ৪২০’ এর কমল হাসানের সাথেও তুলনা করা হতে পারে।

এই ছবিতে পরির চরিত্রে যে অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন তিনি হলেন অনন্যা পান্ডে। কিন্তু পর্দায় তাঁর অভিনয়ের জাদু দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। অনন্যাকে পর্দায় দেখে মনে হয়েছে যে, ছবির সংলাপগুলি মনে রাখার জন্য তিনি অভিনয় থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিচ্ছেন। একজন শিল্পী হিসাবে, তিনি দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা এবং তাঁর সংলাপের গভীরতা বোঝেননি। এমনকী পরিচালকরাও হয়তো তাঁকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন। গোটা ছবির মধ্যে মেরেকেটে ২০-২৫ মিনিট পর্দায় মুখ দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন তিনি। অনন্যা পান্ডেকে এখনও তাঁর অভিনয়ের উন্নতির জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অন্নু কাপুর, রাজপাল যাদব, সীমা পাহওয়া, বিজয় রাজ, পরেশ রাওয়াল, মনোজ জোশী, মনজোত সিং এবং অভিষেক ব্যানার্জি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। কিন্তু স্ক্রিপ্ট এবং সংলাপ যদি দুর্বল হয় তাহলে তাঁরা কী করবেন?

 

 

 

 

তমসা পেরিয়ে (পর্ব-০৩)

অবাক হচ্ছেন তাই তো?  আসলে ওর সংস্কার, চিন্তাভাবনা, ব্যবহার দেখে খুব জানতে ইচ্ছে করছিল কে সেই মহিলা যিনি তার সন্তানকে এভাবে গড়ে তুলেছেন। বিশ্বাস করুন আপনাকে দেখার লোভ সংবরণ করতে পারিনি। ঋতমকে দেখার পর তাই এভাবে ছুটে এসেছি। ওনার কথায় খানিক অপ্রস্তুতে পড়ে যান ঋতমের মা। ঠোঁটের কোণায় ঈষৎ হাসি খেলে যায় ছেলের প্রশংসা শুনে।

‘আপনি বোধহয় একটু বেশিই প্রশংসা করছেন।’ কিন্তু মন থেকে কিছুতেই নিঃসন্দেহ হতে পারছিলেন না যে এটাই সঠিক। মহিলা বোধহয় আর একমিনিটও অপেক্ষা করতে চাননি। তাই না ইনিয়েবিনিয়ে সোজাসুজি ঋতমের বাবার কথা জিজ্ঞাসা করে বসেন।

কাকলিদেবীও ঠিক ছেলের মতোই সোজাসাপটা ভাবে জবাব দিলেন, ‘তিনি তো আমাদের সঙ্গে থাকেন না।’

‘এই পর্যন্ত তো আমি ঋতমের মুখে শুনেছি। আপনি এটা বলুন, তিনি কি জানতেন যে আপনি সেই সময় গর্ভবতী ছিলেন?”

অচেনা এক মহিলার আকস্মিক এই প্রশ্নে কেমন যেন খতিয়ে যান কাকলি। দ্বিধা কাটিয়ে জিগ্যেস করে ফেলেন, ‘আপনি কি কোনও সূত্রে আমাকে বা ঋতমের বাবাকে চেনেন?

‘চেনাটা কি খুব জরুরি বোন? দুটো অপরিচিত মানুষ কি বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না?’ সপ্রতিভ ভাবে জবাব দেন কাকলি ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সর্বময় কর্ত্রী।

“জানি না কেন অপরিচিত জেনেও আপনাকে আজ সব বলতে ইচ্ছে করছে। কেন বলুন তো? কেন যেন মনে হচ্ছে যে আপনাকে সব বলা যায়। আপনি যে কী উদ্দেশ্যে এই সমস্ত প্রশ্ন করছেন আর আমিই বা আপনাকে অ্যালাও করছি কেন… কিছুই বুঝতে পারছি না। তবে আজ আপনাকে বলব।’ একটা চাপা নিশ্বাস ছাড়েন কাকলিদেবী। তারপর মাথা নীচু করে জবাব দেন, ‘না, ও জানত না আমি মা হতে চলেছি।’

একটা বড়ো দীর্ঘশ্বাস ফেলেন মহিলা। বোধকরি বুকের ওপর থেকে পাথরটা সরে গেছে। মনে মনে খানিক আশ্বস্ত বোধ করেন তিনি। উনি যে কেন চাপা পড়া পুরোনো ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করছিলেন কাকলিদেবীর কাছেও সেটাও পরিষ্কার ছিল না।

“আচ্ছা ঋতমের বাবা মানে নীহারেন্দুবাবুর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণটা কী ছিল?’ আবার ঋতমের মা-র দিকে প্রশ্ন ছোড়েন কাকলি ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মালকিন।

প্রশ্নের খোঁচাতে সমস্ত অতীতের স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাকলিদেবীর। অবলীলায় বলে ফেলেন ‘এই প্রশ্নের উত্তর আজও আমি খুঁজে বেড়াচ্ছি। জানেন সাতবছরের ভালোবাসা ছিল আমাদের। আমাকে চোখে হারাত। বিয়ের আগে একবার হঠাৎ করে মাসির অসুস্থতার কথা শুনে দেওঘর চলে গেছি। ওকে জানানো হয়নি। তখন তো অ্যাতো ফোনের চল ছিল না। আমারও মনটা খারাপ। ইস্ তাড়াহুড়োতে ওকে জানাতে পারলাম না। জানালার ধারে বসে আছি। হঠাৎ দেখি কে যেন আমার দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ছে। জানতে পারলাম, আমাদের কাজের লোক দাসুদার থেকে ঠিকানা নিয়ে ওখানে হাজির হয়ে গেছে। তারপর সে যে কী অবস্থা, আপনাকে কী বলব। বাড়িতে জানাজানি। হইহুল্লোড়। তারপরেই তো বিয়ের ঠিক হয়ে গেল। থাক সে-সব ছাড়ুন। সেসব এখন গল্পকথা।’ থেমে যান কাকলিদেবী।

“না না থাকবে কেন? বলুন না।’ তখনও কাকলি ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মালকিনের চোখেমুখে বিস্ময়ের স্পষ্ট ছাপ।

‘জানেন সেই দিনটা ছিল রবিবারের এক বিকেল। তার দিন দুয়েক পরেই আমার জন্মদিন। নীহার সেই শুক্রবার দেখা করেছে আমার সঙ্গে, তারপরে দুদিন একেবারে বেপাত্তা। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। যে-ছেলে আমাকে একবেলা না দেখে থাকতে পারে না, সে হঠাৎ গেল কোথায়? জ্বর-টর বাধিয়ে বসেনি তো? মনটা কিছুতেই কাজে বসাতে পারছিলাম না। আমার বাড়ি থেকে ওদের বাড়ি মিনিট কুড়ি। সকাল থেকেই ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছিল। না থাকতে পেরে বিকেলবেলা একটা ছাতা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ওর বাড়িতে গিয়ে তো অবাক। জানেন ও ভীষণ ভালো ছবি আঁকত। দেখি একটা বিশাল পোর্ট্রেট এঁকেছে আমার। জানতে পারলাম ওটা নাকি আমার জন্মদিনের গিফ্‌ট।

(ক্রমশ…)

রান্নাঘরের Comfort

রান্নাঘরে গৃহিণীদের দিনের একটা বড়ো অংশের সময় অতিবাহিত হয়৷ তাই কিচেনের প্ৰথম শর্তই হল এটি খুবই ওয়ার্ক ফ্রেন্ডলি এবং কমফর্টেবল হওয়া উচিত৷ কোন কোন দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত সেটা আজ আলোচনা করা যাক৷ প্রথমেই বলব আলো এবং হাওয়া রান্নাঘরে খুব জরুরি৷ হাওয়া এলে রান্নাঘরের ভেজা ভাবটা দূর হবে৷ তাই জানলা খুলে রাখুন সব সময়৷

রান্নাঘর ঠাণ্ডা রাখতে হলে সেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকা খুবই প্রয়োজন। এর জন্য রান্নাঘরের জানালা খোলা রাখা ছাড়াও এক্সজস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন। এছাড়াও, আপনি আপনার রান্নাঘরে বৈদ্যুতিক ফায়ারপ্লেস ব্যবহার করতে পারেন। এই সবের সাহায্যে, রান্নাঘরের তাপ বের করা সহজ হবে এবং ঘর সতেজ থাকবে।

বাজারের চিমনির সাকশন ক্ষমতা খুব বেশি নয়, তাই এক্ষেত্রে ভরসা রাখুন জানলাতেই৷ রান্নার ধোঁয়া ঘরের মধ্যে ঘুরপাক খেলে যিনি কাজ করবেন, তাঁর শরীর-স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে৷

দ্রুত খাবার তৈরি করতে টোস্টার, গ্রিল, বৈদ্যুতিক কুকার ইত্যাদি ব্যবহার করে আপনি কম সময়ে আরও সহজে খাবার রান্না করতে পারেন। এগুলোতে রান্না করার সুবিধা হল টাইমার দিয়েই আপনি রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে একটু ফ্যানের হাওয়া খেয়ে আসতে পারেন। তাছাড়া গ্যাসে রান্না করার সাথে সাথে আঁচের গরম হাওয়া এতে পাবেন না। ফলে গরম অনেক কম লাগবে।

ইন্ডাকশন কুকটপ এবং বার্নার ব্যবহারের কারণে রান্নাঘর গরম হয় না। এমতাবস্থায় গ্যাসের আভেন না লাগিয়ে এগুলো ব্যবহার করা উচিত। ইন্ডাকশন অ্যাপ্লায়েন্স থেকে কম তাপ নির্গত হয়, যার কারণে রান্নাঘর গরম হয় না এবং আপনি সহজেই রান্না করতে সক্ষম হন। তাছাড়া Induction Cooking-এ রান্না করাও অনেক সহজ ও দ্রুত পদ্ধতি৷

রান্নাঘরে সাবধানতা

  • মাইক্রোওয়েভ আভেনকে অনেকেই ব্যবহারের পর ঢাকা পরিয়ে রাখেন৷ এটা একটা মারাত্মক প্রবণতা৷ এই আভেন থেকে উত্তাপ বেরিয়ে যাওয়ার জন্য নীচের দিকে অনেক ছিদ্র থাকে৷ এই সব ভেন্টিলেশন হোলস বন্ধ থাকলে প্রথমত তাপ বেরতে পারবে না এবং দ্বিতীয়ত এর ফলে এখানেই আরশোলা ডিম পাড়ার আদর্শ জায়গা হিসেবে বেছে নেয়৷ রাতে শোওয়ার আগে একটা ছোট্ট বাটিতে অল্প ভিনিগার নিয়ে দু’মিনিট গরম করে আভেনের ভিতর রেখে দিন৷ পরের দিন সকালে সেই পাত্রটা বের করে আনুন৷ ভিনিগারের বাষ্প এই ছিদ্রগুলোকে পরিস্কার করে দেবে রাতারাতি৷ ফ্রিজকেও পোশাক পরানোর প্রবণতা পরিত্যাগ করুন৷
  • স্টোরেজ সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অনেকে গ্যাস সিলিন্ডারের কাছেও জিনিস স্টোর করেন৷ এটা করবেন না৷ এই জায়গায় আরশোলা আর পোকামাকড় আস্তানা গাড়ে৷ সপ্তাহে অন্তত একদিন এই জায়গায় ইনসেক্ট কিলার স্প্রে করবেন৷
  • অন্যতম সাবধানতা নিতে হবে কিচেন কাউন্টার বানানোর সময়৷ লক্ষ্য রাখতে হবে স্ল্যাবের ধারটা যেন মোল্ডেড হয়৷ শার্প থাকলে রান্না করবেন যিনি তাঁর আহত হওয়ার সম্ভাবনা৷ বিশেষ করে প্রেগন্যান্ট মহিলাদের৷
  • রান্নাঘরের রং এমন হওয়া উচিত, যেটা আলোকে প্রতিফলিত করে৷ এতে ঘরের ঔজ্জ্বলতা বাড়ে৷ ক্রিম কিংবা হালকা হলুদ, রং হিসেবে সেরা৷
পড়ার জন্য সীমাহীন গল্প-নিবন্ধসাবস্ক্রাইব