বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন (শেষ পর্ব)

বিয়ের আচার অনুষ্ঠানে গায়ে হলুদও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই গায়ে হলুদে তেমন দামি শাড়ি পরা হয় না, তাই ফুলের সাজ সমেত তাঁতের শাড়িই ভালো। এখন আবার অনেকে ফুলের চুড়ি, খোঁপা এসবেও নজর কাড়ছেন বিয়েতে।

আসলে, এখন দুরকম ওয়েডিং ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। একদল বিয়েতে লাল বেনারসি পরতেই পছন্দ করছেন। আবার কেউ কেউ এখন টম্যাটো রঙের বা আগুন রঙের কাঞ্জিভরম পরতে চাইছেন।

টিপিক্যাল বাঙালি বউ হিসাবে যারা সাজতে চাইছেন, তারা এখন শাড়ির বর্ডারে হেভি কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। অর্থাৎ, শাড়িটা অ্যাজ ইট ইজ রেখে, বর্ডার আর ব্লাউজ-এ হেভি এমব্রয়ডারি করাতে পছন্দ করছেন। নর্মালি যে-ব্লাউজ পিস থাকে বেনারসির সঙ্গে, সেটা না বানিয়ে গোল্ডেন টিশু বা র-সিল্কের উপর আলাদা কোনও রঙের ব্লাউজ তৈরি করিয়ে নিচ্ছেন উইথ হেভি ওয়ার্ক। কেউ কেউ আবার স্যাটিনের রেড ব্লাউজ পছন্দ করছেন। বেনারসিতে যে-মোটিফ থাকে, সেটাকে তুলে নিয়ে ব্লাউজের কাজ করালে ভালো লাগবে। সাধারণত, হেভি জারদৌসির কাজ চলে বিয়েতে। কেউ কেউ আবার চান মাথায় দেওয়া দুপাট্টা-টা হেভি করে বানাতে। বিয়ে মিটে যাওয়ার পর যাতে ওই আড়াই মিটার দুপাট্টা শাড়ির আঁচল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন, তাই এই সিদ্ধান্ত।

বেনারসির ব্লাউজটা সাদা ঢাকাই বা অন্য কোনও একরঙা শাড়ির সঙ্গে পরলে ভালো লাগবে বিয়ে পর। আবার পরবর্তীকালে বেনারসিটাও কেউ কুর্তা বা আনারকলি স্যুট বানিয়ে পরতে পারেন। আর যারা কাঞ্জিভরম পরতে চান, তখন কাঞ্জিভরমের উপর হেভি ওয়ার্ক করিয়ে নেন। কারণ, সেটাও খুব নজর কাড়ে। আর যারা টিপিক্যাল রেড পছন্দ করেন না, তারা অফহোয়াইট পরতে পারেন।

বাঙালি মেয়েরা স্টিচড শাড়ি পরতে পছন্দ করে না বিয়েতে। পরিবর্তে বউভাতে লেহঙ্গা পরছেন অনেকে। লেহঙ্গাকে শাড়ির মতো করে পরলেও দেখতে ভালো লাগে। তবে এক্ষেত্রে গয়না ও ফুলের  অ্যাক্সেসরি ব্যবহার করলে মানানসই হবে।

বিয়েতে কনে এবং আত্মীয়স্বজনরা পোশাকের যে-সব রং এখন বেশি পছন্দ করছেন তা হল রেড, ব্লাড রেড, ফ্লেম রেড, শকিং পিংক এবং অরেঞ্জ। তবে বউভাতে ইংলিশ কালার্স যেমন লাইট রোজ পিংক, অযে্টার পিংক, পেস্তা এসব রং চলছে পোশাকে। ফরসা মেয়রা সব রং-এর পোশাক পরতে পারেন কিন্তু শ্যামলা হলে রেড, পিংক, অরেঞ্জ এসব রং বাছুন। এ প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি, ডাস্কি কমপ্লেকশনে অ্যান্টিক গোল্ড-ও ভালো মানাবে।

অনেকে আবার মা, ঠাকুমার বিয়ে বেনারসিটাই নিজের বিয়েতে পরতে চান রি-মডেলিং করে। তখন অবশ্য শাড়ির বেস বদলে নতুন কাপড় যোগ করতে হবে। অবশ্য সেই যোগ করার কাপড়টা যেন তসর, স্যাটিন বা হেভি সিল্কের হয়। তারপর আঁচল, পাড় ও বুটিগুলো কেটে অ্যাপ্লিক করে নিতে হবে নতুন বেস-এর উপর। এক্ষেত্রে আসল সোনার পাতলা তার দিয়ে বা রুপো দিয়ে বেস-এর উপর পুরোপুরি কাজ করা হয়। এটা অবশ্য বেশ সময় সাপেক্ষ কাজ। তাই বিয়ে অনেকদিন আগে কাজ করিয়ে রাখতে হবে।

এখন অনেক মেয়ে বউভাতের সকালে চান্দেরি বেনারসি পরছে। হালকা সাজের সঙ্গে এই ধরনের শাড়ি খুব ভালো লাগবে। এর বিকল্প মেখলাও পরতে পারেন। বউভাতে আটপৌরে করে শাড়ি, হাইনেক ব্লাউজ বা ছোটো গলা ব্লাউজ হালকা কুঁচি দেওয়া বেশ মানাবে। এটা এখন ফ্যাশনে ইন।

কনে ছাড়া পরিবারের অন্যান্য মেয়েরা যারা শুধু শাড়িতেই মোহময়ী হয়ে উঠতে চান, তারা শাড়ি পরার ধরন চেঞ্জ করে নিন। প্রায় আটরকম ভাবে পরা যায় শাড়ি। এই তালিকায় আছে বাটারফ্লাই স্টাইল, প্যান্ট স্টাইল, নিভি স্টাইল, মুমতাজ স্টাইল, লহঙ্গা স্টাইল, ট্র‌্যাডিশনাল বাঙালি স্টাইল, কুর্গ স্টাইল এবং মারাঠি স্টাইল। পোশাক নির্বাচনের জন্য এবং তা পরার জন্য যে-কোনও ফ্যাশন ডিজাইনার-এর সাহায্য নিতে পারেন।

 নতুন মায়েদের সৌন্দর্যচর্চা

সন্তানের জন্মে দেওয়ার পরে পরেই মায়েদের মুখের আর শরীরের ত্বকে প্রচুর পরিবর্তন ঘটে ।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর খেয়াল রাখাটাই মায়েদের কাছে প্রায়োরিটি হয়ে দাঁড়ায়। শিশুর দেখাশুনো করা যদিও সবচেয়ে জরুরি কাজ, কিন্তু সদ্য মা হয়েছেন যারা, তাদের এ কথাও ভুলে গেলে চলবে না যে, নিজেদের জন্যও কিছু যত্ন আর ভালোবাসার প্রয়োজন, বিশেষ করে যদি আবার সেই আগের মতো স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্যের দীপ্তি ফিরে পেতে হয়।

সদ্যোজাত শিশুর জন্যই মাকে সম্পূর্ণ সময় ব্যয় করতে হয়।তবে এটুকুই একমাত্র কারণ নয়। মায়ের  নিজের শরীরেও হরমোনের ক্ষরণের ওঠাপড়া চলে।বায়েলজিকাল ক্লক নির্ধারিত হয় শিশুর জেগে থাকা ও ঘুমোনোর নিরিখে। ফলে, রাতের পর রাত চোখে ঘুম থাকে না আর বিশ্রামের অবসর পাওয়া যায় হয় খুব সামান্য বা একেবারেই নয়। আর এই সব কিছুই ছাপ ফেলে মায়েদের চেহারায়।

সবুজ শাকসবজি খান

ঝলমলে সুন্দর ত্বক আর চুল চাইলে সবুজ শাকসবজিকে খাদ্যতালিকায় রাখতেই হবে। সবুজ শাকসবজিতে পর্যাপ্ত আয়রন, ভিটামিন এ এবং সি থাকে যা শরীরে এনার্জির জোগান দেয় এবং স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যও খুবই প্রয়োজন। আয়রন চুলের ফলিকলে অক্সিজেন পৌঁছে দেয় এবং ভিটামিনের অ্যান্টি-অক্সিডান্ট দ্রুত চুলের ক্ষয়ক্ষতি মেরামত করে, ফলে চুল ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে যেতে পারে না।বাচ্চাকে ফিড করানোর ক্ষেত্রেও এই পুষ্টি আপনার শরারে বিশেষ প্রয়োজন।

তেল মাখা জরুরি

ভৃঙ্গরাজ বা নারকেল তেলের মতো জরুরি তেল ব্যবহার করে গরম অয়েল মাসাজ নিতে পারলে তা একদিকে মানসিক চাপ কমিয়ে রক্ত সংবহনে সাহায্য করে এবং অন্যদিকে স্ক্যাল্পে ও চুলে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয়। এই সব তেল মাথায় শোষিত হয়ে সারা শরীরে তাদের পুষ্টিগুণ ছড়িয়ে দেয়। তবে প্রাকৃতিক, প্যারাবেন বিহীন, কোল্ড প্রেসড তেলই ব্যবহার করবেন যাতে তেলের সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা বজায় থাকে।

শরীরে মাসাজ নিন

বাচ্চার জন্মের পর ঝুলে যাওয়া ত্বক টানটান করতে মাসাজের একটা ভূমিকা আছে।শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে মাসাজ। তা ছাড়াও মাসাজের অন্য উপকারিতাও রয়েছে। সার্বিকভাবে ভালো থাকার জন্য মানসিক চাপ কমিয়ে ভালো ঘুমেরও প্রয়োজন রয়েছে, যা মাসাজ থেকে পাওয়া যায়। সৌন্দর্যের দিক থেকে দেখতে গেলে মাসাজ ওজন কমাতে সাহায্য করে, ত্বকের অবস্থা ভালো করে, গায়ের রংও উজ্জ্বল করে।

গর্ভাবস্থাকালীন জার্নি করাটা আদৌ কি নিরাপদ

আমি ৫ মাসের সন্তানসম্ভবা। এটি আমার প্রথম Pregnancy। এই সময়ে আমি এবং আমার স্বামী ঠিক করেছি মায়ের কাছে থেকে ডেলিভারি করানো সবথেকে ভালো। আমার যেহেতু শাশুড়িমা জীবিত নেই তাই মায়ের কাছে গিয়ে থাকাটাই বুদ্ধিবিবেচনার কাজ হবে। মায়ের পক্ষে আমার অসুস্থ বাবাকে একা ছেড়ে আসাটা সম্ভব নয়। মায়েরও ইচ্ছে আমি এ কটা মাস মায়ের কাছে গিয়ে থাকি। তাই মায়ের কাছে যাব ঠিক করেছি। কিন্তু প্রেগন্যান্সির সময় জার্নি করাটা কি  আদৌ নিরাপদ? দিল্লি থেকে আমাকে এলাহাবাদ যেতে হবে, ওখানেই আমার বাপের বাড়ি। ট্রেন, এরোপ্লেন না গাড়ি, কোনটা সবথেকে সুরক্ষিত এই ক্ষেত্রে জার্নি করার জন্য?

বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলারা শিশুর সুরক্ষার কারণেই বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণের সময় উদ্বিগ্ন হন। গর্ভাবস্থায় কোথাও যেতে হলে তার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘপথ জার্নি করার অনুমতি যদি তিনি দেন তবেই যাওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ এই অবস্থায়, গর্ভবতী এবং তার অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য, ক্ষতিকর কিংবা যেখানে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সেসব বিষয় থেকে অবশ্যই দূরে থাকার চেষ্টা করা উচিত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল গর্ভাবস্থাকালীন আপনার শিশুটিকে সুরক্ষিত রাখা। কোনও রকম অপ্রয়োজনীয় জটিলতা রোধ করা উচিত।

আপনি Pregnancy-র দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক সময়কালে রয়েছেন। সুতরাং সাধারনত এই সময় ট্রেন, প্লেন বা গাড়ি কোনও একটা-তেই ইচ্ছেমতন সফর করা যেতে পারে। মা ও শিশুর জন্য এই সময়টা সেফ। ট্রেন যেহেতু সোজা লাইনে চলে, এবড়োখেবড়ো রাস্তায় নয় সেহেতু ঝাঁকানি বা হঠাৎ করে ব্রেক লাগা এগুলো একেবারেই থাকে না। জল খাওয়ার হলে বা আরাম করার হলে সহজেই ট্রেনের মধ্যে সেগুলো করা যায় ৷

প্লেনে ৩২ সপ্তাহ পর ট্রাভেল করার অনুমতি পাওয়া যায়। গাড়িতে ধাক্কা লাগা বা ব্রেক কষার একটা আশঙ্কা থাকে। প্লেনে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে। সুতরাং ৩২ মাসের আগে প্লেনে ট্রাভেল করতে হলে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন। গাড়িতে ট্রাভেল করতে হলে মূত্রত্যাগের একটা বড়ো সমস্যা হয় কারণ রাস্তার টয়লেট ব্যবহার হাইজিনের দিক থেকে সেফ নয়। এছাড়াও রাস্তায় বমির সমস্যাও হতে পারে। সেজন্য সুরক্ষিত এবং আরামে ট্রাভেল করার জন্য ট্রেন হল সবথেকে ভালো উপায়। হাত-পা ছড়িয়ে আরামে আপনি যাত্রা করতে পারবেন।

 

বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন (পর্ব-০১)

চিরকালই ফ্যাশনের দুটি ধারা বহমান। ট্র‌্যাডিশনাল ও ফিউশন। মানুষও এই দুই ধারায় পোশাক পরতে বেশি পছন্দ করে। অনেকেই বেশিরভাগ সময় পোশাকে ট্র‌্যাডিশনাল ধারা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। উৎসবে,পার্বণে ভারতীয় সংস্কৃতি ধরে রাখেন। কিন্তু এখন বেশিরভাগ তরুণ-তরুণী সময়ের সঙ্গে নিজের বসন-ভূষণে পরিবর্তন পছন্দ করছেন। আমাদের দেশে সেই ধারাটা অব্যাহত আছে। আগামীতেও থাকবে।

বছরজুড়েই ফ্যাশন ট্রেন্ডে বৈচিত্র‌্যময় ফ্যাশন নিয়ে আধুনিক কনসেপ্টকে উপজীব্য করে নানা ফর্মে পোশাকে ডিজাইন করেন ডিজাইনাররা। স্টাইল এবং ফ্যাশন বজায় রেখে শৈল্পিক প্রতিভা ফুটিয়ে তোলার কাজটি সহজ নয়। বিষেশত যখন প্রতিটি মানুষের রুচি আলাদা। ফ্যাশনে এখন ফিউশনের জয়জয়কার। এটা গ্লোবালাইজেশনের একটা প্রভাব। গত কয়েক বছরের ফ্যাশনের দিকে তাকালে বোঝা যায়, পোশাকের চেয়ে বেশি পরিবর্তন এসেছে পোশাকের অলংকরণে।

ক্রমশ ফ্যাব্রিকের ধরনটাও বদলে যাচ্ছে। ক্রেতারা নতুন নতুন ফ্যাব্রিক চাইছেন। ডিজাইনাররাও প্রতিনিয়ত নতুন ফ্যাব্রিক নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন। আরেকটা দিক বদলাচ্ছে, সেটা হলো কাট-প্যাটার্ন। শুধু আমাদের দেশে নয়, বহির্বিশ্বের ফ্যাশনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

ভারতীয় মেয়েরা মূলত তিন ধরনের পোশাক পরেন–শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ ও টপস-জিন্স। অনেকেই মনে করেন শাড়ি পরা অনেকটাই কমে গেছে। আসলে রেগুলার শাড়ি পরা হয়তো কিছুটা কমেছে; কিন্তু যে-কোনও উত্সব-পার্বণ বা জন্মদিনের মতো ঘরোয়া কোনও অনুষ্ঠানে তরুণীরা শাড়ি পরতে ভালোবাসেন। সালোয়ার-কামিজ অনেক দিন ধরেই পরছেন মেয়েরা। কিন্তু এর বদলে টপস বা সিঙ্গল কামিজে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন কলেজ তরুণীরা। এর দুটি কারণ। প্রথমত, টপ বা সিঙ্গল কামিজ, লেগিংস, পালাজো বা প্যান্ট যে-কোনও কিছুর সঙ্গে অনায়াসেই পরা যায়। অন্যদিকে থ্রি পিসের চেয়ে এটা বেশ সাশ্রয়ী। রেগুলার ড্রেস হিসেবে টপস, টি-শার্ট, জিন্সের দিক থেকে মুখ ফেরানো কঠিন।

গরমে একটু ঢিলেঢালা পোশাকের প্রতি আগ্রহ থাকবে তরুণ-তরুণীদের। ফ্লোরাল মোটিফ, জিওমেট্রিক মোটিফের নানা ব্যবহার দেখা যায় গ্রীষ্ম-পোশাকে। অনুষ্ঠানের পোশাকের ফ্যাব্রিকের মধ্যে কটনের পাশাপাশি কাতান, সিল্ক, হাফ সিল্ক এসব বেশ চলছে আজকাল। বৈচিত্র‌্যময় লং ড্রেসও বাজারে এখন জনপ্রিয়। নাইট পার্টির পোশাক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে স্লিটেড শিমারি গাউন। সামার ক্যাজুয়েস-এর পাশাপাশি একটু ফর্মাল এবং ফিউশনই এখন ইন।

আজকাল বেশকিছু পরিবর্তন এসেছে বাঙালি বিয়ের রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠানে। আসলে বাঙালিরা নিজেদের ধারাবাহিক রীতি-নীতির সঙ্গে এখন মিশিয়ে ফেলেছে অবাঙালি সংস্কৃতিকেও। তাই লেহঙ্গার সঙ্গে শর্টটপ-এর ফিউশনও এখন ওয়েডিং ফ্যাশনে ইন। এছাড়া ট্র‌্যাডিশনাল লেহঙ্গা তো আছেই। কেউ কেউ আবার বিয়ে অনুষ্ঠানে পরতে পছন্দ করেন শরারা, ঘরারা। নাচের তালে ঘেরদার পোশাক বেশ আকষর্ণীয় হয়ে উঠবে। সেইসঙ্গে, পুরোপুরি এথনিক জামাকাপড়ও চলতে পারে। সিকুইন্স, গোটাপত্তি, জারদৌসির কাজ করা পোশাকও নজর কাড়তে পারে বিয়ে অনুষ্ঠানে। এছাড়া, প্রিন্টও এখন ফ্যাশনে ইন। তবে একটু হালকা প্রিন্ট-ই বেশি ভালো লাগবে।

প্রি-ওয়েডিং পার্টিতে চলতে পারে ওযে্টার্ন শর্ট ড্রেস বা গাউন। যেহেতু পার্টি মানেই একটু আলো-আঁধারি পরিবেশ, তাই একটু ব্রাইট টোনের পোশাক পরাই ভালো। চলতে পারে শিমারি পোশাক। ব্ল্যাক, নেভি ব্লু কিংবা ডিপ পার্পল রং এড়িয়ে চলবেন এক্ষেত্রে। পরিবর্তে, কোবাল্ট ব্লু, রয়াল ব্লু, এমারেল্ড গ্রিন বা রেড কালারের পোশাক পরুন। স্ট্রাইকিং কালার্স মেক ইউ স্ট্যান্ড আউট।

নতুন বছরের অন্দরসজ্জা- শেষ পর্ব

পছন্দসই ডেকর হওয়াটা বাড়ির ইন্টিরিয়র করার সবচেয়ে জরুরি বিষয়। দৃষ্টিনন্দন ডেকর হলে সেই বাড়িতে থাকতেও ভালোলাগে। সাজানোর সময় পর্দা বা কুশনও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।আমরা যে-রঙের পর্দা লাগাই সেই রঙের কুশন কভার, বেড কভার ইত্যাদি দিয়ে ঘর সাজাবার চেষ্টা করি, যাতে রং ও স্টাইল-এ একটা মিলমিশ থাকে। পর্দার ঝালর লাগাতে চাইলে দেয়ালের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লাগানো যেতে পারে।

ঘর আকারে ছোটো হলে, বড়ো যাতে লাগে সেইজন্য দেয়ালে ওয়ালপেপার লাগানো যেতে পারে অথবা ওয়ালপেপারে পেন্ট করানো যেতে পারে। ওয়ালপেপার পছন্দ করার প্রথম কারণ হচ্ছে ঘর দেখতে সুন্দর লাগে। তারপর রং করাবার হলে, ভালো রঙের মিস্ত্রী খুঁজে বার করা এবং হাতে সময় থাকাটাও জরুরি। সময় বাঁচাতে চটজলদি ওয়ালপেপার লাগিয়ে ঘরের অন্দরসজ্জা সেরে ফেলতে ক্ষতি কী? বাড়ির সকলের আলাদা আলাদা পছন্দে এবং ওয়ালপেপারের বৈচিত্র্যে প্রত্যেকের ঘর সেজে উঠতে পারে সম্পূর্ণ ডিভারেন্ট লুক নিয়ে। বাড়তি সুবিধা হল দেয়ালে অন্য আর কিছু টাঙাবারও প্রয়োজন পড়ে না।

অনেকের মনেই এই ধারণা রয়েছে যে, নিজের পছন্দমতো বাড়ি সাজাতে গেলেই অর্থব্যয় অনেক বেশি হবে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত হয়তো এই ধারণাটা সত্যি ছিল কিন্তু এখন সময় বদলেছে। কারণ আর কিছুই নয়, এখন বাজারে ভ্যারাইটি এবং বিভিন্ন রকমের মেটিরিয়ালের প্রাচুর্য রয়েছে। কাঠের আসবাব কিনতে গেলে, কাঠের মধ্যেই নানা ভ্যারাইটি পাবেন। তাছাড়াও দামি থেকে শুরু করে কমদামি, সবই পেয়ে যাবেন একই ছাদের তলায়। এরকমই ফ্যাব্রিক, কিচেন অ্যাকসেসরিজ, ডেকরেশনের জিনিস, সবই ফ্ল্যাট অথবা অ্যাপার্টমেন্ট অনুযায়ী এবং বাজেটের মধ্যে পেয়ে যাওয়া কিছুমাত্র মুশকিল নয় এখন। প্রয়োজন শুধুমাত্র সঠিক খোঁজখবর নেওয়ার। সুতরাং অন্যের কথায় কান না দিয়ে নিজের প্রয়োজন জানুন এবং উৎসবের দিনগুলিকে আনন্দময় করে তুলুন।

টুকিটাকি রদবদল

কাস্টমাইজড মেকওভারের সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে হাতের কাছে থাকা বিভিন্ন জিনিসের সামান্য রদবদলেও আপনার ফ্ল্যাটটি উৎসবের রঙে সেজে উঠতে পারে। হাতে একদমই সময় নেই তাই অর্ডার প্লেস করা, জিনিস তৈরি হবার সময় দেওয়া অথবা কিনে আনা কোনওটাই সম্ভব নয়। তাই বলে কি উৎসবের রঙে ফ্ল্যাটটি সাজবে না? দমে যাবার কোনও কারণ নেই। আসবাবপত্রের স্থানগুলো একটু রদবদল করে নিলেই দেখবেন ঘরের চেহারাই পুরো বদলে গেছে। বারান্দায় অবহেলায় পড়ে থাকা ফুলের টবগুলো উঠিয়ে এনে ঘরের কোণায় রাখুন। পারলে নিজেই বাজার থেকে রং কিনে টবগুলো রাঙিয়ে নিন এবং লতানো গাছ বা ফুলের গাছ টবে লাগিয়ে ঘরের চেহারা সম্পূর্ণ বদলে ফেলুন। ঘরের দেয়ালের রং ও পর্দার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কুশনকভার, বেড কভার, বালিশ, পাশবালিশের কভার, বদলে ফেলুন। আজকাল মেঝেতে পাতার জন্যে সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের হালকা, সিন্থেটিক কার্পেট কিনতে পাওয়া যায়। উৎসবের আনন্দে রং ঢালতে বসার ঘরে একটা কার্পেট যদি পেতে দেওয়া যায় তাহলে ঘরের শোভা আরও বাড়বে বইকি। আর সবার বাড়িতেই থাকে ফুলদানি, বিভিন্ন ছোটো- বড়ো শো-পিস। ধুলো-ময়লা ঝেড়ে সেগুলো শুধু জায়গামতো গুছিয়ে নেওয়ার দরকার। দেয়ালে পুরোনো ওয়ালহ্যাঙ্গিংটা ঘরের এই নতুন মেকওভারের সঙ্গে বড্ড বেমানান ঠেকছে। চিন্তা কি? বাড়িতে পুরোনো ছিঁড়ে যাওয়া বেনারসি অথবা সিল্ক শাড়ি থাকলে তাই দিয়ে ওয়ালহ্যাঙ্গিং- এর চারপাশটা বাঁধিয়ে নিলেই দেখবেন আপনার ফ্ল্যাটের লুক-টাই একদম পুরো বদলে গেছে।

সুগন্ধ যখন মৃত্যু পর্ব-৩৫

শব্দহীন কষ্টে প্রাণ ফুরিয়ে আসছিল এক সদ্য যুবতির। তখনই হ্যাঁচকা টানে নিজের কাছে টেনে নিয়েছিল তমাল। টেনে নিয়েছিল বু। দ্বিধা কাটিয়ে উঠে গড়ে উঠেছিল একটা বিশ্বাসের সম্পর্ক। একটা ভালোবাসার সম্পর্ক। সাতটা বছর দুজন দুজনকে ভেঙে-চুরে সম্পূর্ণ নতুন মানুষ করে গড়ে তুলেছিল। পরিবার, পরিজন পেরিয়ে নিজেদের মস্ত এক আশিযানায় কোটি দুঃখের মাঝেও আঁকড়ে ছিল হাজার সুখ…।

কিন্তু তাও সময়ের খাতে খাতে ফল্গুধারার মতো বয়ে গেছে ভয়, বিদ্বেষ, আর মানুষের লালসা। কিন্তু আজ তমাল এত চুপ কেন? আজ তো স্বপ্নপূরণের দিন…। স্বপ্ন দেখার দিন…।

জানলা দিয়ে কস্তুরীর চোখ চলে যায় বাইরে। কালো আকাশে ঢাকা রাতে জেগে থাকে জোনাকি। এলোমেলো অজস্র জোনাকি। মাতৃত্বের এক অদ্ভুত ওম লেগে যেন ওর গোটা শরীরে। রাতভর আলো জ্বেলে রাখা জোনাকিদের দিকে চোখ রেখে কস্তুরী, তমালের শরীর ঘেঁষে আসে।

কথা বলছ না কেন বু?

কথা বলার মতো আর কিছু বাকি নেই আমাদের।

এরকম করে কথা বলছ কেন? আজ যে…। তমালের ঠান্ডা জবাবে শিরদাঁড়া দিয়ে হিম নেমে যায় ওর। কাঁপা গলায় কিছু বলতে গিয়ে থেমে যায় কস্তুরী।

আমার জীবনটাকে তুমি নষ্ট করে দিলে? কেন করলে এমন? হিসহিসে গলায় কস্তুরীকে জিজ্ঞাসা করে তমাল।

কী বলছ আমি বুঝতে পারছি না বু।

শট আপ ইয়োর মাউথ। ওই নামে খবরদার আর আমাকে ডাকবে না তুমি…।

প্লিজ তমাল তুমি এমন করছ কেন?

সরে যাও। একদম সরে যাও। আমাকে ছোঁবে না তুমি। লজ্জা করে না, এখন ন্যাকামি করছ আমার সামনে? আমার মাথাটা এভাবে হেঁট করে দিলে? কী জবাব দেব আমি নিজের কাছে? নিজের প্রেমিকা নিজের সুন্দরী বউ অন্যের বিছানায় শুয়ে আমাকে সন্তান উপহার দিয়েছে? বলো?

তমাল…!

আর কী বলবে তুমি…? আর কীই বা বলতে পারো তুমি…। কত লুকাবে? পাপ কোনওদিন চাপা থাকে না জানো তো? আমার ভাই, আমার বাবা-মায়ের কাছে কী মুখ নিয়ে দাঁড়াব আমি? দ্যাখো, চেয়ে চেয়ে দ্যাখো…। রাগে কাঁপতে কাঁপতে তমাল কস্তুরীর মুখের সামনে একের পর এক মেলে ধরছিল মোবাইলে শৈবাল আর কস্তুরীর পাশাপাশি ঘেঁষাঘেঁষি কয়েকটা ছবি, আর সেই ভিডিওটা…।

এটা তো সেদিন ক্যাফেতে…। শৈবালদাই দেখা করতে বলেছিল, তুমিই তো…

আর একটাও কথা সাজাতে আসবে না আমার কাছে। একটাও না। আর এইটা কী? নিজের ঘরে দাঁড়িয়ে কস্তুরী এসব কী করেছ? এটা আবার প্রেমিককে পাঠিয়ে? একটা লোক কী করে তোমার শরীরের পুঙ্খানুপুঙ্খ

জানতে পারে বলো এবার বুঝতে পারছি! চুপ করে থাকবে না বলো শিগগিরি।

আমি কিচ্ছু জানি না তমাল, আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না…। দুহাতে মুখ ঢেকে কাঁদতে থাকে কস্তুরী।

আমাকে তুমি ঠকিয়ে কস্তুরী। বিয়ে আগে তো বটেই, তোমার জীবনে আমি আসার পরও এসব…। ফেসবুকে যখন অচেনা লোকটা আমাকে তোমার ডিটেইল দিচ্ছিল এক মুহূর্তের জন্য মিথ্যে মনে হয়েছিল। কিন্তু মিথ্যে যে ওটা ছিল না, বুঝেছি আজ। মিথ্যে ছিল আমাদের সম্পর্কটা।

সব মিথ্যে তমাল, সব মিথ্যে বিশ্বাস করো…।

এখন তো বুঝতে পারছি আমার প্রতি তোমার ভালোবাসাটাই মিথ্যে, একটা ফেক।

কী হল কী? তোরা দুজনে মিলে কী করছিস বলতো? এত চ্ঁযাচামেচি কেন? দরজায় টোকা মেরে কে যেন কথা বলে যাচ্ছিল চেঁচিয়ে

তমাল আমাদের সন্তান…।

আমি বিশ্বাস করি না। ও আর যাই হোক আমাদের সন্তান নয়।

তমাল…।

খুব ভুল করেছি তোমার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ভাই যখন বলেছিল তোমার মতো মেয়ে কারুর একার হতে পারে না, তখনই ভেবে দেখা উচিত ছিল আমার। কাকিমাও বারণ করেছিল আমি শুনিনি কারুর কথা শুনিনি, ক্ষতি করেছি নিজের।

ভাই? ওকে আমি নিজের ভাইযে মতো…।

সুগন্ধ যখন মৃত্যু পর্ব-৩৪

( ১৫ )

ওমা এই তো কর্তা-গিন্নি দু’জনে ঠাসাঠাসি চলছিল? এসব আবার কী? একসঙ্গে দু-দুটো বউই…? আমি পারব কী করে?

আপনার তো খুশি হওয়া উচিত মাসিমা। বাড়িতে জোড়া বংশধর আসছে। দুটো বউমাই গর্ভবতী। এ কী যার তার ভাগ্যে হয়?

ভাগ্যবতী না ছাই। বড়োজন মোটেই সুবিধার নয়। মুখ বেঁকায় শেলীদেবী।

তবে একটা কথা ভালো ডাক্তার দেখান। আপনার বড়ো বউমার হিমোগ্লোবিনটা কমের দিকে। পরের দিকে ওনার সমস্যা হতে পারে।

নিকুচি করেছে। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা প্রদীপদার হাত থেকে প্রেগনেন্সি টেস্টের রিপোর্টটা বিরক্তিসহকারে নিয়ে ঘরে ঢুকে আসে তমালের মা।

ঘর টপকে সমস্ত কথাগুলোই কস্তুরীর কানে আসছিল। মনের মধ্যে অদ্ভুত একটা ভালোলাগা তিরতির করে উঠছিল। সত্যিই ও ঠিক শুনছে? ও মা হতে চলেছে? নতুন একটা প্রাণ, সম্পূর্ণ নতুন প্রাণের জন্মদাত্রী হতে চলেছে ও? এখন থেকে আর বাঁজা শব্দের ট্যাগটা বয়ে বেড়াতে হবে না? নিস্তেজ শরীরটায় বল এনে ফোনটাকে কাছে টেনে নিতে চায় ও। ওকে ফোন করতে হবে। এতদিনের পিছলে যাওয়া আনন্দটুকু যেন একটু একটু করে ফিরে আসছে। কী যে ভালো লাগছে।

ফোনটা হাতে তুলে নেয় কস্তুরী।

বিপ্… বিপ্…। একটা মেসেজ ঢুকল।

কী হল উত্তর দিলে না জানেমন। শৈবালদা।

নাহ আর এক মুহূর্ত চুপ করে থাকা যাবে না। এতদিন অনেক সহ্য করেছে, সবার সম্মানের কথা ভেবে। ওকে জানাতেই হবে। কস্তুরী তো কোনও অন্যায করেনি। তাহলে এই অন্যাযটাকে মেনে নেবে কেন? কী কারণে? সব প্রমাণ তো ওর হাতেই আছে। উনি লুকিয়ে ওর ঘরেই কীভাবে কখন ক্যামেরা রেখে গেছিলেন আজও মাথায় আসছে না কস্তুরীর। এও কী সম্ভব? বন্ধুর মতো, দাদার মতো একটা মানুষ এতটা আগ্রাসী, তত অমানুষ কীট হতে পারে কী করে? আর এই মানুষটাকেই তমাল আপন মনে করে মনের যাবতীয কথা…।

কস্তুরী এখন থেকে জীবনের এই কালোগুলোকে দুহাত দিয়ে সরিয়ে দেবে। নতুন একটা পৃথিবী ওকে ডাকছে যে। সেদিন ভিডিওগুলো দেখার পর পরই কেমন যেন অবশ হয়ে কস্তুরীর শরীরটা মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। এই দুদিন এতটাই দুর্বল লাগছিল কিছুতেই উঠতে পারেনি বিছানা থেকে, তাই নিয়ে কম তানাও শুনতে হয়নি ওকে। শ্বশুড়বাড়ির ফ্যামিলি ফিজিসিযান এসে কয়েকটা টেস্ট লিখে দিয়ে গেছিলেন আর তারপরই ইউরিন টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ।

ভাগ্য, ভবিষ্যৎ এসব তাহলে মিথ্যে নয়? সেই যে ছোটোবেলার জ্যোতিষী বলেছিল ওর নাকি ৩৪-৩৫ বছর বয়সে সুদিন আসবে? মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। তাহলে এটারই ইঙ্গিত? সামনের বছর জুনেই তো কস্তুরীর চৌত্রিশ বছর পূর্ণ হবে। ভয়, ভাবনা, ঘৃণা কেটে অনাবিল এক দেহ-মনোচিত সুখ ঘিরে ধরে ওকে।

তুমি কি খুশি নও? কথা বলছ না কেন বু?

আজ ঠিক কতগুলো বছর পর তমালকে এই নামে ডাকল জানে না কস্তুরী। সময়ে জাঁতাকলে সম্পর্কেও দূষণ জমছে যেন। কিন্তু তবুও কস্তুরী জানে এই ভালোবাসার মানুষটাই ওকে হাত ধরে টেনে নিয়ে এসেছিল আলোর ধারে। রঙিন স্বপ্ন দেখিয়েছিল দুচোখ ভরে। ঠিক এই মানুষটাই একটা সংসার করার সাহস দিয়েছিল। তবে কেন, কেন ভুল বোঝাবুঝি, কেন এত দূরত্ব? হাত ধরে চলার শুরুতে ভয় ছিল, শঙ্কা ছিল কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির এমন ফাঁক তো ওরা দুজন রাখতে দেয়নি।

উচ্চমাধ্যমিকে পিছিযে পড়া ফলাফল ওকে ভেতর থেকে দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছিল। আর তাতেই ভযানক সেই সিদ্ধান্ত…। মেট্রোর সিঁড়ি দিয়ে নেমে দুরন্ত গতিতে ট্রেনের সামনে লাফিযে পড়ার আকুতি… কোনও সম্পর্ক, কোনও বাঁধন-ই কস্তুরীকে সেদিন ফিরে আসতে বলেনি। কেবল ছোট্ট একটা না অসীম নিঃশব্দের দিকে আকর্ষণ করছিল। ভরা নেশালু এক পাত্রের মুখ থেকে চলকে চলকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছিল অতীতের কিছু জ্বালাময় গরল।

রামায়ণে হৃতিকের পরিবর্তে দক্ষিণী নায়ক যশ

রামায়ণের কাহিনি নিয়ে একটি মেগাবাজেট ছবি তৈরি করতে চলেছেন প্রযোজক মধু মান্তেনা ও দক্ষিণী প্রযোজক অল্লু অরবিন্দ।শোনা যাচ্ছে এই ছবিতে নাকি অভিনয় করবেন বহু বলিউড তারকা। পাশাপাশি দেখা যাবে বেশ কিছু দক্ষিণী অভিনেতাকেও।

প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ আজও দর্শকের কাছে আকর্ষণীয়। ৮০- র দশকে টিভির জন্য তৈরি রামানন্দ সাগরের Ramayana রীতিমতো সাড়া জাগিয়েছিল। আদিকবি ঋষি বাল্মীকি, রামায়ণের রচয়িতা। গ্রন্থটি বৈদিক শাস্ত্রের অন্তর্গত। এই মহাকাব্যের গল্প একাধিক সময়ে পরিচালক ও নির্মাতারা টেলিভিশনের পর্দা অথবা বড়ো পর্দায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।এই দফায় রুপোলি পর্দায় ‘রামায়ণ’-কে ফের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন বলিউড পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি।

ছবিতে রাবণের চরিত্রে নেওয়া হবে হৃতিক রোশনকে তা  প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে হৃতিক রাবণের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি না হওয়ায় অন্য কথা ভাবতে হচ্ছে নির্মাতাদের। শোনা যাচ্ছে দক্ষিণী তারকা যশকে রাবণের চরিত্রের জন্য চূড়ান্ত করতে পারেন ছবির প্রযোজক।

‘বিক্রম বেদা’ ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন Rithik Roshan। তাই আপাতত ছবিতে রাবণের চরিত্রে নেওয়া হবে হৃতিক রোশনকে তা  প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে হৃতিক রাবণের চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি না হওয়ায় অন্য কথা ভাবতে হচ্ছে নির্মাতাদের।। এই যুক্তি দেখিয়েই নাকি নীতেশের ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এই একই কারণে নাকি ব্রহ্মাস্ত্র ২-এর অফারও ছেড়ে দিয়েছিলেন Rithik Roshan।

এ দিকে নির্মাতারা, দক্ষিণী সুপারস্টার যশের কাছে ‘রামায়ণ’-এর চিত্রনাট্য পাঠিয়েছেন। তা নাকি পছন্দও হয়েছে ‘কেজিএফ’ খ্যাত তারকার। সবুজ সংকেত পেলে ছবিতে নিঃসন্দেহে রাবণের ভূমিকায় দেখা যাবে দক্ষিণী অভিনেতা Yash-কে। তেমনটা হলে দু-এক বছরের মধ্যেই বড়োপর্দায় আসছে ‘রামায়ণ’। সবটাই এখন সময়ের অপেক্ষা।

এদিকে কেজিএফ ২-এর পর যশের ভক্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। KJF-2-এর সাফল্যের পর অভিনেতার অনুগামীরা তাঁর আগামী সিনেমার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে রয়েছেন। Yash-এর পক্ষ থেকে পরবর্তী সিনেমার ঘোষণা এখনও করা না হলেও, তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বড়ো কিছু করতে চলেছেন। জোর গুঞ্জন, নিতেশ তিওয়ারির রামায়ণই সেই বড়ো প্রজেক্ট হতে পারে, যেটার কথা যশ বলেছিলেন।

দঙ্গল ও ছিছোড়ের মতো হিট সিনেমার পরিচালক Nitesh Tiwari ও প্রযোজক মধু মান্তেনা ২০১৯ সালেই ‘রামায়ণ’ বড়োপর্দায় নিয়ে আসার ঘোষণা করেছিলেন।কিন্তু কোভিডের কারণে এই বিলম্ব। এখন এই প্রজেক্টের সঙ্গে যশের যুক্ত হওযার খবরও সামনে আসছে।

জানা গিয়েছে আপাতত পরিচালক নিতেশ তিওয়ারী ‘বাওয়াল’ সিনেমার কাজ শেষ করে রামায়ণ প্রজেক্টে হাত দিতে চাইছেন। এই সিনেমার শুটিং শুরুর আগেই রামের চরিত্রে রণবীর কাপুর ও রাবণের চরিত্রে হৃতিক রোশনের নাম চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন পরিচালক।ডুগ্গুবাবু জমি ছেড়ে দিলেও সেখানে যশ যে সোনা ফলাবেন– বিশ্বাস করেন যশের ফ্যানেরা।

রকিং স্টার যশের কাছে এই মুহূর্তে ৪-৫টি দারুণ চিত্রনাট্য রয়েছে। যার মধ্যে জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্চার, সায়েন্স ফিকশন ও গ্যাংস্টার ড্রামাও রয়েছে। আর এর মধ্যেই নিতেশ তিওয়ারীর রামায়ণের চিত্রনাট্য প্রায় পরশপাথর হয়ে তার হাতে ধরা দিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, যশের নাকি স্ক্রিপ্টও পছন্দ হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রণবীর কাপুর অবশ্য এই সিনেমায় কাজ করার জন্য রাজি হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি চান যে চূড়ান্ত সাইন করার আগে সিনেমার কাস্ট ঠিক হয়ে যাক। নিতেশ তিওয়ারী এর আগেই জানিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর ‘রামায়ণ’ প্রজেক্ট নিয়ে খুবই আবেগপ্রবণ এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এর শুটিংও শুরু হয়ে যাবে শীঘ্রই।

এক যাত্রায় ৪ গন্তব্যে শেষ পর্ব

হিড়িম্বা মন্দিরের কিছুটা আগে একটা বড়ো গাছের তলায় হিড়িম্বার পুত্র ঘটোত্কচের পুজো হয়। মন্দিরের আশেপাশে অনেক দোকান আছে। মানালির ক্লাবহাউসও অতি চমৎকার। পরের দিন রোটাং পাস যাওয়া হল। মানালি থেকে ৫১ কিলোমিটার দূরে পীর পাঞ্জাল রেঞ্জে প্রায় চার হাজার মিটার উঁচুতে রোটাং পাস। রোটাং এর বেশ কিছুটা আগে থেকে সবুজ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় প্রায়, অক্সিজেনের এখানে বেশ অভাব। তবে রোটাং-এর বরফের মধ্যে আমরা খুব মজা করেছি। রোটাং পাস থেকে নেমে সোজা হোটেলে গেলাম। সেইদিন হোটেলে রাত কাটিয়ে পরের দিন ডালহৌসির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।

ডালহৌসি হিমাচল প্রদেশের একটি মনোরম শৈলশহর। ১৮৫৪ সালে সেনাবাহিনী ও সরকারি পদাধিকারিকদের গ্রীষ্মবকাশ যাপনের জন্য ব্রিটিশ সরকার, এই শহরের পত্তন ঘটান। শহরটি ভারতের তত্কালীন গভর্নর লর্ড ডালহৌসির নামাঙ্কিত। শহরটি পাঁচটি শৈলশিখর নিয়ে গঠিত। শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,০০০ – ৯,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। শহর জুড়ে ভিক্টোরিয়ান ও স্কটিশ স্থাপত্যের বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যায়। একইসঙ্গে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিলন যেন ঘটেছে এখানে। ডালহৌসিতে দেখার মতো যা যা রয়েছে তা হল খাজিয়ার, সাতধারা জলপ্রপাত, পঞ্চপুলা, চামেরা লেক।

সাড়ে নয় ঘন্টা জার্নি করে প্রায় সন্ধে হয়ে গেল ডালহৌসির হোটেলে পেঁছোতে আমাদের। সেই রাতটা খাবার খেয়ে সবাই বিশ্রাম নিলাম। ডালহৌসিতে আমরা তিনরাত দুইদিন ছিলাম। পরদিন সকালে জলখাবার খেয়ে প্রথমে আমরা গেলাম খাজিয়ার। ভারতের মিনি সুইজারল্যান্ড হিসেবে পরিচিত খাজিয়ারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য‌ মনোমুগ্ধকর। একটি বেশ সুদৃশ্য লেক রয়েছে খাজিয়ারে এছাড়া রয়েছে বিশালাকার নয়টি গলফ কোর্স। খজিয়ারের পর আমরা সাতধারা জলপ্রপাত ও পঞ্চপুলা দেখতে যাই।

সাতধারা জলপ্রপাত স্থানীয় ভাবে গান্ডাক নামে পরিচিত। সাতধারা ঝরনায় সাতটি ঝরনার জল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,০৩৬ মিটার উঁচু স্থানে মিলিত হয়ে নীচে নেমে আসে। বলা হয় এর জলে মাইকা বা অভ্র নামক এক পদার্থ রয়েছে, যার ফলে ত্বকের বিভিন্ন রোগের নিরাময় ঘটে।

পাঁচটি ঝরনা ধারার মিলনে পঞ্চপুলা এক অন্যতম পর‌্যটনকেন্দ্র। স্থানীয়দের কাছে পঞ্চপুলা জলের অন্যতম উত্সও বটে।

ডালহৌসির দুটো প্রধান কেন্দ্র, সুভাষচক এবং গান্ধিচক। আমাদের হোটেল ছিল সুভাষচকের কাছে। শেষদিনে আমরা চামেরা লেক দেখে হিমাচলি পোশাক পরে ফটো তুললাম তারপর আমরা সবাই মিলে গান্ধি চকে কেনাকাটার জন্য গেলাম। কেনাকাটা হয়ে গেলে হোটেলে ফিরে গিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। পরদিন সকালে জলখাবার খেয়ে আমরা অমৃতসরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। দুপুরবেলা অমৃতসরের হোটেলে পৌঁছে গেলাম।

পঞ্জাবের কেন্দ্রস্থলে অমৃতসর একটি বড়ো বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। শহরটিতে শিখ ধর্মের আধ্যাত্মিক গুরু, হরমান্দির সাহেবের বাড়ি, এটি স্বর্ণমন্দির নামেও পরিচিত। আমরা হোটেলে পৌঁছে স্নান খাওয়া সেরে বাসে করে ওয়াগা সীমান্তে যাই। ওয়াগা সীমান্তের অনুষ্ঠানটি সূর‌্যাস্তের দুই ঘন্টা পূর্বে প্রতিদিন সীমান্ত গেটে অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা অনুষ্ঠানটি ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ও পাকিস্তানের রেঞ্জার্স (পিআর) দ্বারা পরিচালিত হয়। অপূর্ব সুন্দর অনুষ্ঠান দেখে ফিরে এলাম হোটেলে।

পরদিন আমরা সকালে স্নান করে স্বর্ণমন্দির দেখতে গেলাম। অপূর্ব পরিবেশ। মন্দিরের ভিতর ঢুকলে আর বেরোতে ইচ্ছা করে না। স্বর্ণমন্দিরের অন্যতম আকর্ষণ এর প্রসাদ। আসল ঘি দিয়ে তৈরি প্রসাদের গন্ধ মাতোয়ারা করে দেয়। এখানে জাত, ধর্ম, বর্ণ বিশেষে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করা হয় না। স্বর্ণমন্দিরের থেকে খুব কাছেই জালিয়ানওয়ালাবাগ।

১৯১৯সালে ১৩ই এপ্রিল রাওলাট আইনের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলি চালনার অর্ডার দেন জেনারেল ডায়ার। নির্বিচারে গুলি চালনায় প্রাণ দেন প্রচুর মানুষ। জালিয়ানওয়ালাবাগ এসে মনটা একটু খারাপ হয়ে গেল।

বেড়ানো প্রায় শেষ, পরদিন দশটায় বাড়ি ফেরার ট্রেন। মনের মণিকোঠায় সঞ্চয় করে নিয়ে গেলাম পাহাড়ি রাজ্যের ও অমৃতসরের কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি।

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে সহবাস করা কি নিরাপদ?

আমার প্রেগনেন্সির ২ মাস হয়েছে। আমার স্বামী সহবাসের ইচ্ছা প্রকাশ করেন কিন্তু আমি সন্তানের ক্ষতি হবে ভেবে এগোতে সাহস পাই না। অনেকেই বলেন প্রথম কিছু মাস Sex করা একেবারেই অনুচিত। আমি জানতে চাই এই সময় কি যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা উচিত হবে কিনা?

গর্ভাবস্থায় সহবাস কতটা নিরাপদ এই প্রশ্ন অনেকের মনেই উদয় হয়। এই অবস্থায় অনেকের স্বাভাবিক যৌনতার ইচ্ছা একেবারেই থাকে না আবার অনেকে বেশি করে যৌনতায় মেতে ওঠেন। কিন্তু প্রশ্ন হল এই শারীরিক অবস্থায় Sex করলে অনাগত সন্তানের কি কোনও ক্ষতি হতে পারে? বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাস সহবাস করলে অনেকেই আশঙ্কা করেন গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে বলে।

প্রেগনেন্সির প্রথম তিনমাস ইন্টরকোর্স বা যৌনসম্পর্ক গড়া সেফ নয়। এর ফলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে গর্ভাবস্থা যদি স্বাভাবিক হয় এবং যদি নির্দিষ্ট কোনও স্বাস্থ্যের জটিলতার কারণে ডাক্তার সহবাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ না দিয়ে থাকেন তাহলে সহবাস করা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত।

তবে সবসময় যে Sex নিরাপদ বা সহজ হবে সেটা নিশ্চিত হয়ে সকলের ক্ষেত্রে বলা যায় না। স্বাভাবিক সময়ের মতো গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে কোনও সমস্যা হলে বিভিন্নভাবে পজিশন বা অবস্থান পরিবর্তন করে চেষ্টা করাও যেতে পারে। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যাপারটিই মুখ্য।

ইন্টারকোর্স করার সময় খেয়াল রাখা উচিত ফোরপ্লে এবং হৃদয়ের ভালোবাসার সংমিশ্রণ এই ক্ষেত্রে বেশি থাকা উচিত। অর্থাৎ পার্টনারের সঙ্গে জোরজবরদস্তি করা একেবারেই অনুচিত। যৌনসম্পর্কের মধ্যে দিয়ে দম্পতি উভয়ের মানসিক ভাবে আরও কাছাকাছি চলে আসেন। দ্বিতীয় তিনমাসের সময়কাল অতিবাহিত হয়ে গেলে যৌনমিলনের সময় অক্সিটোন নামক লভ হরমোন রিলিজ হয়, যার ফলে মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যে বন্ধন আরও মজবুত হয়। সুতরাং Sex নিয়ে ঘাবড়াবার কোনও কারণ নেই। জানবেন এর ফলে নর্মাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। হাইজিন মেনটেইন করা অবশ্য দরকার এবং কনডোম ব্যবহার করতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন, এনজয় সেক্স, সেফ সেক্স-এর ক্ষেত্রে ডেলিভারিও সেফ।

 

পড়ার জন্য সীমাহীন গল্প-নিবন্ধসাবস্ক্রাইব