ওয়েডিং ডেস্টিনেশন অ্যান্ড ডেকোরেশন

জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়– বিয়ে। তাই, বিয়ের অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখতেই হবে। কিন্তু এরজন্য সঠিক প্ল্যানিং চাই। কীভাবে সবার নজর কাড়বে ওয়েডিং পার্টির ডেকর, কীভাবে সবার মন জয় করেও বাজেট হবে পকেট-ফ্রেন্ডলি, গুরুত্ব দিতে হবে সমস্ত বিষয়ে।

আজকাল ছেলে এবং মেয়ের বাড়ির রিশেপশন পার্টি আলাদা হয় খুব কম। বেশিরভাগ মানুষ-ই এখন কম বাজেটে বেশি আনন্দলাভ করতে চান। তাই পাত্র এবং কন্যাপক্ষের লোকেরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষের পছন্দমতো ওয়েডিং-পার্টির ভেনু ঠিক করেন। শুধু তাই নয়, কীভাবে সাজানো হবে, কতজন খাবেন, কী খাবেন সমস্তটাই সবার সম্মতিক্রমে নির্ধারিত হয়। তবে যাবতীয় কাজের দায়িত্ব কোনও পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে ঝামেলামুক্ত থাকতে চাইলেও সেই সুবিধা পাবেন। কিন্তু সবকিছুকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য কিছু পরিকল্পনা এবং প্রয়োগ কৗশল জেনে নিতে হবে।

ওয়েডিং ডেস্টিনেশন

বাজেট অনুযায়ী ঠিক করুন ওয়েডিং ডেস্টিনেশন। ছোটোবড়ো অনুষ্ঠান-বাড়ি ছাড়াও বিয়ের জন্য সর্বত্র রয়েছে কিছু বাগানবাড়ি। এ ছাড়া ভাড়া করতে পারেন সাজানো লঞ্চ। গঙ্গাবক্ষে ভাসমান লঞ্চ-এ ওয়েডিং পার্টি দারুণ জমবে। ভাড়া করতে পারেন পাঁচতারা হোটেলও। আর যারা একটু বেশি টাকা খরচ করে বিলাসী ওয়েডিং পার্টির আয়োজন করতে চান, তারা চলে যেতে পারেন রাজস্থান। ওখানে ভাড়া করতে পারেন গোটা একটা ট্রেন। মরুভূমির বুকে চলমান ‘প্যালেস অন হুইলস’ কিংবা ‘রাজস্থান রয়্যালস অন হুইলস’ ট্রেন-এ বিয়ের রিসেপশন পার্টি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ডেকোরেশন

ম্যারেজ হল-এর ডেকোরেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সাজসজ্জায় চমক থাকলে বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথিরা খুশি হবেন এবং সেই খুশি আর্শীবাদ হয়ে বর্ষিত হবে বর-কনের মাথায়। কিন্তু কীভাবে সাজাবেন ওয়েডিং ডেস্টিনেশন, তা জেনে নেওয়া জরুরি।

সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে ওয়েডিং প্রবেশদ্বার-কে। এর জন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার সঙ্গে আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে কাজ করাতে পারেন। আপনার ইচ্ছের কথা জানিয়ে সেইমতো সাজাতে পারেন প্রবেশদ্বার। এক্ষেত্রে সংস্থার লোকেরা আপনাকে সাজানো গেটের কিছু ছবি দেখিয়ে আপনার পছন্দের দায়িত্ব নিতে পারে। কাঠ এবং প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি রাজকীয় স্তম্ভ ব্যবহার করতে পারেন। সেইসঙ্গে তালগাছ কিংবা নারকেল গাছের কান্ডের (গুঁড়ি) উপর থাকা জালযুক্ত আস্তরণ, বিভিন্ন গাছের সুদৃশ্য পাতা, বহু-রঙা ফুল প্রভৃতিকে গেট সাজানোর উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। টাকা বাঁচানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন কিছু প্লাস্টিক ফুলও। তবে প্লাস্টিক কিংবা প্রাকৃতিক যে-ফুল-ই ব্যবহার করুন না কেন, লাল, নীল, হলুদরঙা ফুলের সঙ্গে কিছু সাদা ফুল মিশিয়ে ব্যবহার করবেন, তাহলে তা বেশ দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

প্রবেশদ্বার ছাড়াও প্রবেশ পথের পুরোটা সাজিয়ে তুলুন বাহারি ফুলের গাছ সারিবদ্ধ ভাবে রেখে। ছাদনাতলা সাজাতে পারেন বাঁশ, বেত প্রভৃতির কারুকার্যে এবং তার সঙ্গে টাটকা ফুল ব্যবহার করে। রজনীগন্ধার মতো সুগন্ধি ফুল অবশ্যই ব্যবহার করবেন, কারণ ফুলের সুগন্ধ মন মাতিয়ে রাখবে।

বিয়ের বাসর সাজানোর জন্য লাল ওড়নাও ব্যবহার করতে পারেন ফুলের সঙ্গে। আর যদি লঞ্চ কিংবা বিলাসবহুল ট্রেনকে বেছে নেন ওয়েডিং পার্টির জন্য, তাহলে ওইসব ডিস্টেনেশনও সাজিয়ে তুলুন ফুল, পাতা দিয়ে। অবশ্য এসব সাজানোর জন্য পেশাদার লোকের সাহায্য নেওয়া উচিত।

পাতা, ফুল, কাঠ, বাঁশ, বেত, প্লাস্টার অফ প্যারিস প্রভৃতির মিশ্রণে সাজিয়ে তোলার পর-ই এসে যায় আলো দিয়ে সাজানোর বিষয়টি। কারণ, বিয়ে মানেই দিন-রাতের ব্যাপার। তাই বৈদ্যুতিক আলো দিয়ে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তোলা দরকার। এরজন্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ভাড়া করে তা দিয়ে সাজিয়ে তুলুন। আলো দিয়ে সাজানোর পেশাদার লোক পাওয়া যায় এখন। ওরাই আপনার পছন্দমতো আলোর ব্যবস্থা করে দেবে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে। যেমন পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগর আলোর জন্য বিখ্যাত। শুধু পুজোর উৎসব নয়, বিয়ের অনুষ্ঠানকেও বৈদ্যুতিক আলো দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন চন্দননগরের আলোর ব্যবসায়ীরা।

অতিথিদের বসার জন্য ব্যবস্থা করুন কভারড্ চেয়ার এবং টেবিল। প্রতিটি টেবিলের মাঝখানে রাখুন ফুলের বোকে।

ছোটো কৃত্রিম ফোয়ারাও ভাড়া পাওয়া যায় এখন। ওয়েডিং ডেস্টিনেশন-এর বিভিন্ন জায়গায় ফোয়ারার ব্যবস্থা করুন বিদ্যুৎ এবং জলের সাহায্য নিয়ে। আর ফোয়ারার চারিদিকে লাল, নীল বৈদ্যুতিক আলো বসিয়ে দিন, রাতে দারুণ লাগবে দেখতে।

বুফের ডেকোরেশন

ওয়েডিং পার্টিতে প্রীতিভোজের জন্য এখন বুফে-ই পছন্দ করেন বেশিরভাগ লোক। তাই সাজিয়ে তুলতে হবে বুফে-র জায়গাও। এক্ষেত্রে খাবারের পদ অনুযায়ী ডেকোরেট করুন। যেমন, ফুচকা কাউন্টার-এ কিছু শালপাতার বাটি এবং ফুচকা ঝুলিয়ে দিন। পাস্তা কাউন্টারে সাজিয়ে রাখুন গাজর ক্যাপ্সিকাম, মাশরুম প্রভৃতি। তরমুজ, শসা, বিট, গাজর, মুলো, লেবু, আপেল প্রভৃতি ডেকোরেট করে রাখুন স্যালাড কাউন্টার-এ। বাকি কাউন্টারগুলিকে সাজান নিজের মনের মতো করে। মৃদু আলোর ব্যবস্থা করুন সমস্ত কাউন্টার-এ।

 

যদি গান-বাজনার আসর বসাতে চান তাহলে রাখুন একটা ছোট্টো মঞ্চ। আর ওই মঞ্চটিকে সাজিয়ে তুলুন ফুল-পাতা এবং রঙিন আলো দিয়ে। মোটকথা, ওয়েডিং পার্টির ডেকোরেশন যেন আপনার উন্নত রুচির পরিচয় বহন করে।

আমার প্রেমিক আমাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে । কী করব ?

আমি ১৮ বছরের যুবতিবছর ধরে একটি ছেলেকে ভালোবাসিএখনও পর্যন্ত ছেলেটির সঙ্গে আমার সামনাসামনি দেখা হয়নিএবং ফেসবুক-ছেলেটির সঙ্গে আমার পরিচয় এবং ওখানেই আমি ছেলেটির ছবিও দেখেছিহোয়াট্‌অ্যাপে এবং ফোনেও ঘন্টার পর ঘন্টা আমাদের কথা হতোকিন্তু কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি ছেলেটি আমাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেফোন করলে লাইন কেটে দেয়আবার কখনও ফোন ধরলেও,  ‘ব্যস্ত আছি’ বলে ফোন নামিয়ে রাখেআমার কাছে অনেক প্রমিস করেছেআমি জানতে চাই ছেলেটি কেন আমার সঙ্গে এরকম ব্যবহার করছে? এখন আমার কী করা উচিত?

 

আশ্চর্য লাগছে, যে, ৩ বছর ধরে একটি অজানা ছেলের সঙ্গে যাকে আপনি কোনওদিন দেখেননি, তার সঙ্গে আপনি কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভালোবাসেন বলে দাবিও করছেন। ফেসবুক-এ ছবি দেখে কীভাবে আপনি একটি ছেলের প্রেমে পড়ে গেলেন, সেটা একেবারেই বুঝতে পারছি না। আপনি জানিয়েছেন যে আপনার বয়স এখন ১৮। তার মানে ধরতে হবে ৩ বছর আগে অর্থাৎ ১৬ বছর বয়সে ছেলেটির সঙ্গে আপনার প্রথম আলাপ। আসলে ১৬ বছর বয়সে আপনি নাবালিকা ছিলেন এবং কিছু বোঝার বয়স আপনার তখনও হয়নি। সেইজন্যই বোধহয় ফোনে ফোনেই এরকম একটা সম্পর্ক গড়ে উঠতে পেরেছে। আপনি কোথাও পরিষ্কার করে জানাননি যে ছেলেটি বা আপনি কখনও সামনাসামনি দেখা করার জন্য একে অপরকে জোর করেছেন কিনা? এমনও হতে পারে, ছেলেটি আপনাকে কোথাও দেখা করতে বলেছে অথচ কোনও কারণবশত আপনি গিয়ে উঠতে পারেননি। এই ক্ষেত্রে হতে পারে ছেলেটি নিজের পছন্দমতো অন্য কোনও মেয়েবন্ধু খুঁজে নিয়েছে। তবে আপনার জেনে রাখা ভালো যে, সোশ্যাল মিডিয়ার মতো জায়গায় যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াট্‌স অ্যাপে মিথ্যা আইডি এবং নম্বর বানিয়ে অনেকেই ভুলভাল সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। এরকম বহু তথ্য সামনে এসেছে যে, এই মাধ্যমগুলোকে কাজে লাগিয়ে বহু মেয়েকে প্রতারণা করা হয়েছে এবং বন্ধুত্বের নাম করে অনেক অনৈতিক কাজও তাদের দিয়ে করানো হয়েছে। আপনার এই বন্ধুটিও হয়তো ফেক আইডি এবং নম্বর তৈরি করে আপনার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছে এবং এতদিন সুযোগ নেওয়ারই চেষ্টা করে গেছে। এমনও হতে পারে ছেলেটি বিবাহিত এবং আপনার থেকে কোনওরকম প্রশ্রয় বা সুযোগ না পাওয়াতে অন্য কোথাও ফাঁদ পেতেছে। সব থেকে ভালো হবে, এই প্রেমটাকে বয়সের কারণে না বুঝে ভুল করেছেন ভেবে নিন এবং সম্পর্কটার কথা ভুলে যান। কেরিয়ারে মন দিন। সঠিক সময় সঠিক বন্ধুর খোঁজ অবশ্যই আপনি পেয়ে যাবেন।

 

 

 

 

শাহি ফুলকপি

শীতের সুস্বাদু সবজিগুলির অন্যতম হল ফুলকপি৷ এই সবজি দিয়ে যে-কোনও রান্নাই অসাধারণ হয়ে ওঠে৷ এখানে দেওয়া হল তেমনই এক শীতকালীন রেসিপি৷

উপকরণ – ৫০০ গ্রাম ফুলকপি মাঝারি আকারে কাটা, ১/২ কাপ কড়াইশুঁটি, ১/২ কাপ পেঁয়াজকুচি, ১/৪ কাপ পেঁয়াজবাটা, ১/২ কাপ টম্যাটো পাল্প, ২ বড়ো চামচ দই ফেটানো, ১ বড়ো চামচ

আদা-রসুন পেস্ট, ১/২ ছোটো চামচ হলুদগুঁড়ো, ১/৪ ছোটো চামচ ধনেগুঁড়ো, ১ ছোটো চামচ কাশ্মীরি লংকাগুঁড়ো, ৪-টে কাজু, ২ বড়ো চামচ দেশি ঘি, ১/২ ছোটো চামচ লংকাগুঁড়ো, ১/২ ছোটো চামচ গরমমশলা, ১ বড়ো চামচ রিফাইন্ড তেল, অল্প ধনেপাতা সাজানোর জন্য, নুন স্বাদমতো।

প্রণালী – ফুটন্ত জলে কপির টুকরোগুলো ১০ মিনিট রাখুন। জল থেকে তুলে রাখুন। একই ভাবে কড়াইশুঁটিগুলোও ভাপিয়ে নিন। কাজু গরমজলে ভিজিয়ে রেখে, দইয়ের সঙ্গে মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। কড়ায় ঘি দিয়ে কপি নাড়াচাড়া করুন। এবার ননস্টিক কড়ায় বাকি ঘি দিয়ে পেঁয়াজ ভেজে নিন। আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে কষুন। এবার কাজু পেস্ট, টম্যাটো পিউরি দিয়ে রান্না করুন। মিশ্রণ গাঢ় হয়ে এলে, বাকি মশলা দিন। এতে কপি ও কড়াইশুঁটি দিয়ে কষতে থাকুন। ১/২ কাপ গরম জল ও নুন দিন। ৩ মিনিট রান্না হতে দিন। উপরে ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

 

ফেসিয়াল বাড়ায় ব্রাইডাল গ্লো

বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে আজকাল বহু মেয়েই চান আগে কেরিয়ার তৈরি করতে, পায়ের জমিটাকে শক্ত করে নিতে। ফলে হায়ার স্টাডিজ বা চাকরি করা মেয়ের সংখ্যাই এখন বেশি। রোজ বেরোতে হয়, তাই ত্বকেও বাইরের পলিউশনের কুপ্রভাব পড়ে। বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গেছে, এদিকে আয়নার দিকে তাকিয়ে আপনি শকড। কীভাবে চটজলদি মেরামত করবেন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক, তা ভেবে দিশাহারা। আমাদের সাজেশন স্পা, বডি পলিশিং এবং Facial একমাত্র আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারে।

প্রতিদিন বাতাসে মিশে থাকা দূষণের শিকার আপনার ত্বক। ত্বকের গভীরে তা পৗঁছে গিয়ে বড়োসড়ো ক্ষতি হতে পারে। তাই সচেতন হোন আজই। ফেসিয়ালই সেই পন্থা, যা কিনা ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে। ত্বককে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়। রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে। Facial করার সময় ক্লিনজিং, টোনিং, স্ক্রাবিং, মাসাজ– এই চার ধরনের প্রক্রিয়ায়, ত্বক পরিষ্কার হয়ে যায়। অন্যদিকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ার ফলে, ত্বকে টানটান ভাব আসে।

ফেসিয়াল

ফেসিয়াল করার আগে শুধু কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখুন

ক)      ক্লিনজিং-এর পর ত্বকের সংবেদনশীল অংশ, যেমন চোখ ও ঠোঁটের আশপাশের অংশে তেল লাগাতে পারেন। এছাড়া গোলাপজলে ডোবানো তুলোর প্যাড বোজা চোখের উপরে রাখতে পারেন

খ)       ফেসিয়ালের সময় মাসাজ আবশ্যিক

গ)       মাসাজ করার আগে অল্প গরম জলে টাওয়াল ডুবিয়ে মুখটা একটু স্পঞ্জ করে নিতে পারেন। এতে মাসাজের সময় রক্ত সঞ্চালন আরও ভালো হবে

মিনারেল ফেসিয়াল

শুষ্ক ত্বকের জন্য এই ফেসিয়াল একেবারে অব্যর্থ। এর দ্বারা ত্বকের মিনারেল-এর ঘাটতি খানিকটা পূরণ করে দেওয়া হয়। ত্বক প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।

প্রথমে স্ক্রাবিং ও পরে ডিপ ক্লিনজিং করার পরে ত্বকে জেট মেশিন দ্বারা মিনারেল প্রবেশ করানো হয়। এই ফেসিয়ালে ত্বক ঝলমলে হয়ে ওঠে।

অ্যালোভেরা ফেসিয়াল

এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য আরও একটি অপরিহার্য ফেসিয়াল। এই ফেসিয়ালের মাধ্যমে অ্যালোভেরা পাল্প ত্বকের উপর মাসাজ করা হয়। এটি ত্বকে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি, ত্বকে আর্দ্রতাও ফিরিয়ে আনে।

ত্বকের নিষ্প্রাণ ভাব দূর করতে এই দুটি ফেসিয়ালের জবাব নেই। তাই ত্বকের পরিচর্যায় আজই যত্নবান হোন।

বডি পলিশিং

ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে পরিচর্যা করার জন্য বডি পলিশিং খুব কার্যকরী প্রক্রিয়া। এক্সফলিয়েশনের সাহায্যে স্কিন-এ ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। স্যালনে গিয়ে যদি বডি পলিশিং করা সম্ভব না হয়, বাড়িতেই চিনি, নুন, ওট্‌স, মধু, অলিভ অয়েল দিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে ব্যবহার করতে পরেন।

বডি পলিশিং-এর সুফল

ক)      বডি পলিশিং মরা কোশ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের নীচের দিকের হেলদি কোশ উপরে এসে ত্বককে উজ্জ্বল করে

খ)       বডি পলিশিং নতুন কোশ তৈরিতেও সাহায্য করে

গ)       ত্বকের নরম ভাব ফিরে আসে

ঘ)       ত্বকের শুষ্ক ভাব চলে যায়, ত্বক অনেক বেশি ময়েশ্চারাইজড ও হাইড্রেটেড লাগে।

চ )          বডি পলিশিং ক্লিনজার-এর কাজ করে। ফলে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা তেল ও ময়লা বেরিয়ে যায়।

ছ)     ফিজিক্যাল বেনিফিটের পাশাপাশি, বডি পলিশিং মেন্টাল থেরাপিতেও সাহায্য করে। অর্থাৎ বডি পলিশিং করানোর সময় আপনি কমপ্লিটলি রিল্যাক্সড্ থাকতে পারবেন

জ)      বডি পলিশিং-এর সময় স্ক্রাব ব্যবহূত হয় যার ফলে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, যা ত্বককে সজীবতা দেয়

ঝ )     বডি পলিশিং রোমছিদ্রগুলি খুলে দেয় ফলে ত্বক মাসাজের সময়, ব্যবহূত প্রাকৃতিক উপাদান থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করতে পারে।

ফলের ফেসমাস্ক

শুষ্ক ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। পেঁপে, কলা, মধু, অ্যাভোক্যাডো ও দুধ দিয়ে তৈরি করতে পারেন এই ফেসমাস্ক। এর নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের শুষ্কভাব উধাও হবে।

ডিমের ফেসমাস্ক

১টা ডিমের কুসুমের সঙ্গে ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও গোলাপজল দিয়ে তৈরি করুন এই ফেসমাস্ক। এটি মুখে লাগিয়ে শুকনো হতে দিন। তারপর ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে নিন।

চকোলেট ফেসপ্যাক

ত্বকের উপর গলানো চকোলেট লাগালে, ত্বক নরম, মোলায়েম ও গ্লোয়িং হয়ে ওঠে। ৫ টেবিল চামচ কোকো পাউডার, ২ টেবিল চামচ মধু, ভুট্টার গুঁড়ো ও ২ টেবিল চামচ চটকানো অ্যাভোক্যাডো দিয়ে তৈরি করুন এই মাস্ক। আধঘন্টা মুখে রেখে শুকিয়ে নিন। ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে নিন।

 

আমরা সন্তানহীন। স্বামী অন্য মেয়ের প্রেমে পড়েছে

আমার বয়স ৩২ বছর। আমার থেকে বয়সে দু’বছরের বড়ো আমার স্বামী। আমরা বিয়ে করেছি বছর সাত আগে। আমরা দু’জনেই কর্মরত। আলাদা শিফ্টে কাজ করি তাই ছুটির দিন ছাড়া আমাদের দেখা হয় না। আমাদের কোনও সন্তান নেই। আমাদের দু’জনেরই দুটো গাড়ি আছে। কয়েকদিন আগে বাড়ির খুব কাছাকাছি খারাপ হয়ে যায় আমার গাড়িটা। অনেক চেষ্টা করেও কোনও মেকানিক এনে গাড়ি সারাই করতে পারিনি। ফোনে স্বামীকে না পেয়ে অগত্যা আমি বাড়ির দিকে রওনা হই স্বামীর সাহায্য নেওয়ার জন্য।

আমি যখন আমার চাবি দিয়ে দরজার লক খুলি, তখন চোখে পড়ে এক ভয়ংকর দৃশ্য। প্রতিবেশী এক ১৯ বছর বয়সি মেয়েকে নিয়ে বিছানায় আমার স্বামী যৗনকর্মে মত্ত। মর্মান্তিক ওই মুহূর্তের আঘাত কাটিয়ে ওঠার পর আমি জবাব চাই স্বামীর কাছে। তিনি মাথা নত করে মেনে নেন ওই মেয়েটির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি। সেইসঙ্গে জানান, দীর্ঘদিন আমাকে ঠিকমতো না পাওয়ার জন্য বছর চারেক আগে থেকেই মেয়েটির সঙ্গে চলছে এই সম্পর্ক।

আমরা স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে যেহেতু ভীষণ ভালোবাসতাম এবং এখনও ভলোবাসি, তাই বিবাহ-বিচ্ছেদ চাই না। মেয়েটির সঙ্গে এমনটা আর ঘটবে না এবং ওর থেকে দূরে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন আমার স্বামী। আমি তাই ওই দিনের ঘটনাও ভুলে থাকার চেষ্টা করছি। আমাদের দাম্পত্য সুখ ফিরে পেতে চাইছি আমি। এরজন্য যদি জব চেঞ্জ করতে হয় দু’জনের একজনকে তাও করব। আমি কী সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছি?

 

প্রথমে আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন, আয়নার সামনে দাঁড়ান, সত্যিই কি ওই দিনের ঘটনা, যা আপনি নিজের চোখে দেখেছেন, তা ভুলতে পারবেন? ভুলে যাওয়া কি এতই সহজ? আর যদি সত্যি ভুলেও যান, তাহলেও কি দাম্পত্য সুখ পুনরুদ্ধার হবে আপনাদের? এর উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ। তবে আপনি সিদ্ধান্ত সঠিক নিচ্ছেন কিনা, সেই ব্যাপারে দৃষ্টিপাত করা হচ্ছে। দেখুন, আলাদা শিফ্টে কাজের অসুবিধার জন্য ছুটির দিন ছাড়া আপনারা শারীরিক সম্পর্কে লি৫ হতে পারতেন না খুব বেশি ঠিকই, কিন্তু এরজন্য সমাধান সূত্র বের না করে আপনার স্বামী অন্য মেয়ের সঙ্গে যৗন সম্পর্কে দীর্ঘদিন লি৫ থেকেছেন। তাও আবার মেয়েটি যখন মাইনর ছিল তখন থেকেই তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন আপনার স্বামী, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাছাড়া, এখন আপনার স্বামী ওই মেয়েটিকে ছাড়তে চাইলেও, মেয়েটিও যে ছেড়ে দেবে এমন নিশ্চয়তা কোথায়? কারণ, মেয়েটি যৗবনে পা রাখার সময় থেকেই যৗন সম্পর্কের স্বাদ পেয়েছে, আর যদি সত্যিই আপনার স্বামীকে মেয়েটি ভালোবেসে থাকে, তাহলে ওদের সম্পর্কের জল অনেকদূর গড়াবে। অতএব, সবকিছু বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকেই।

 

আমার নিশ্চিত বিয়ে ভেঙে যেতে বসেছে

আমার বয়স ২১ বছরআমাদের ফ্যামিলি খুবই ট্র্যাডিশনালমায়ের মুখে শুনেছি, আমার জন্মের পরপরই আমার দাদু ঘোষণা করেন যে বড়ো হয়ে আমার বিয়ে হবে আমাদেরই পরিবারের এক বন্ধুর ছেলের সঙ্গে, আমার জন্মের সময় যার বয়স ছিল বছরছেলেটির দাদু এবং আমার দাদু দু’জন বন্ধু ছিলেনসেই সূত্রেই আমি বাগদত্তা হই

আমার সঙ্গে কার বিয়ে হবে সেটা শুনতে শুনতেই আমি বড়ো হয়েছিপ্রথমটায় অবশ্য কিছুই বুঝতাম না, একসঙ্গে ছোটোবেলায় খেলা করতামকিন্তু যত বড়ো হয়েছি ব্যাপারটার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি এবং ধীরে ধীরে একে অপরকে ভালোবেসেও ফেলেছিএখন ছেলেটির বয়স ২৭ বছর

গত মাসে হঠাত-বাবার সঙ্গে জেঠুর একটা মনোমালিন্য শুরু হয় আমাদের পারিবারিক ব্যাবসা নিয়েবিরাট পরিমাণ অর্থের ক্ষতি হয় যার দায় একে অপরের ঘাড়ে বাবা-জেঠু চাপাবার চেষ্টা চালানদাদুদের বন্ধুত্বের স্ট্রং বন্ডিং-টাও এখন আর নেই যেহেতু ওনারা দুজনেই আজ আর আমাদের মধ্যে নেই

এই বিবাদের ফলে ওনারা এখন দুজনেই ঠিক করেছেন একসঙ্গে ব্যাবসা আর করবেন না এবং সন্তানদের একে অপরের সঙ্গে ঠিক হয়ে থাকা বিয়েটাও ওনারা ভেঙে দিয়েছেন

এতে আমরা দুজনেই ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছিআমি এই ব্যাপারে নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করতে রাজি আছি কিন্তু ছেলেটি রাজি নয়ওর মতে বড়োদের বিরোধিতা করে বিয়ে করলে সেই বিয়ে সুখের হয় নাএই মতামত জানিয়ে আমার সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করেছেএতে আমি মানসিক ভাবে খুবই ভেঙে পড়েছিআত্মহত্যা করতে ইচ্ছে হচ্ছেকীভাবে এই ঝড় কাটিয়ে উঠব বুঝতে পারছি নাপরামর্শ দিন

আপনার ‘উড বি একজন মেরুদণ্ডহীন পুরুষ, এতে কোনও সন্দেহ নেই। ওকে ভোলার চেষ্টা করুন কারণ উনি আপনার কান্নার যোগ্য নন। আপনার বয়স এখন খুবই অল্প। যেহেতু আপনি জ্ঞান হওয়া থেকেই ওই ছেলেটির সঙ্গেই বিয়ের স্বপ্ন দেখে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাই আপনার এখন মনে হচ্ছে ওকে ছাড়া আপনার জীবন শূন্য। চারপাশে ভালো করে তাকালেই বুঝতে পারবেন আপনার উপযুক্ত অনেক ছেলেই রয়েছে যারা আপনাকে সুখী করতে পারবে।

 

অতীত-কে ভুলে জীবনে এগিয়ে যান। মানুষের আত্মবিশ্বাসের শক্তি যে কতটা হতে পারে, সেটা নিজেই প্রমাণ দিয়ে সকলকে দেখান। নিজের জন্য সুন্দর জীবনের ভিত গড়ুন এবং খুশিতে থাকতে চাইলেই দেখবেন আপনি নিরাশ হচ্ছেন না।

কীভাবে ব্যবহার করবেন হোয়াইট আইলাইনার

মেক-আপ লুক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে হলে, White Eyeliner ব্যবহার করে দেখুন।মেক-আপ-এর এই নতুন সংযোজন আপনার লুক্স-এ কী পরিবর্তন আনবে, আসুন জানা যাক। আই-মেক-আপ কে মুহূর্তের মধ্যে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে আইলাইনার।

আই মেক-আপের বিকল্প আইলাইনার- এর থেকে ভালো কিছু হতে পারে না। ব্ল্যাক থেকে শুরু করে পছন্দমতো সব রঙের আইলাইনার পাওয়া যায় এখন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দ করে যে-কোনও রং-ই বেছে নেন ফ্যাশন সচেতন মহিলারা। কিন্তু হোয়াইট লাইনার ব্যবহার করতে অনেকেই দ্বিধা করেন কারণ তাদের মনে হয় সাদা রঙের লাইনার সৗন্দর্য বাড়াতে পারবে না বরং লুক নষ্ট করে দেবে। এটা একটা ভ্রান্ত ধারণা কারণ White Eyeliner চোখের সৗন্দর্য বাড়াবার সঙ্গে সঙ্গে আইব্রো বোন, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি মুখের ফেসিয়াল কনট্যুরগুলিকেও হাইলাইট করতে সাহায্য করে।

ব্রাইট লুক

চোখ যদি ছোটো হয় তাহলে পেনসিল White eyeliner দিয়ে মেক-আপ শুরু করা উচিত। চোখের নীচের আইলিড-এ হোয়াইট আইলাইনারের সিংগল কোট লাগান। এরপর (এর উপর নয়, এর ঠিক পিছনে) কাজল, ব্ল্যাক বা অন্য রঙের আইলাইনার লাগান। এর ফলে ছোটো চোখ হলেও দেখতে অনেক বড়ো লাগবে।

ভিনটেজ লুক

যদি নিজের আই মেক-আপ কে ভিনটেজ লুক দিতে হয়, তাহলে লিকুইড হোয়াইট আইলাইনারকে প্রায়োরিটি দেওয়াটা যুক্তিসঙ্গত হবে। চোখের পাতায় প্রথমে ব্ল্যাক আইলাইনারের ডবল কোট লাগান। শুকিয়ে গেলে ব্ল্যাক আইলাইনারের গা-ঘেঁষে হোয়াইট আইলাইনারের ডবল কোট লাগান। ব্ল্যাক এবং হোয়াইট আইলাইনারের কম্বিনেশন আপনাকে ভিনটেজ লুক দেবে ।

ক্যাট লুক

ক্যাট আই লুক-এর জন্য চোখের উপর লিকুইড ব্ল্যাক আইলাইনারের ডবল কোট লাগান। আইলাইনার শেষের দিকে টেনে এনে চোখের উপর অংশে নিয়ে যান। এবার নীচের আইলিডের শুধু কর্নারে লিকুইড হোয়াইট আইলাইনার লাগিয়ে সামান্য নীচের দিকে কার্ভ করুন।

ভি-লুক

ভি-লুকের জন্য চোখের কোণে পেনসিল হোয়াইট আইলাইনার দিয়ে ভি-শেপ আঁকুন। তারপর ব্ল্যাক, ব্রাউন যে রং চান সেই রঙের আইলাইনার লাগান। চোখের কোণায় হোয়াইট আইলাইনার যতটা সম্ভব পয়েন্টেড করুন।এতে  চোখ আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

কুল লুক

কুল লুক যদি পেতে চান তাহলে প্রথমে চোখের উপর পাতায় ব্ল্যাক কালারের লিকুইড আইলাইনার লাগান। এরপর পেনসিল শিমারি হোয়াইট আইলাইনার লাগিয়ে হালকা স্মাজ করুন। এতে মেক-আপে একটা আইসি (বরফের মতো) এফেক্ট আসবে এবং কুল লুক আনতে সফল হবেন।

ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট লুক

যদি পোশাক হয় ব্ল্যাক ও হোয়াইটের কম্বিনেশন, তাহলে একই রঙের অ্যাক্সেসরিজ-এর সঙ্গে সঙ্গে মেক-আপকেও দিন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট লুক। এর জন্য চোখের উপর ব্ল্যাক লিকুইড আইলাইনার ও নীচের পাতায় হোয়াইট আইলাইনার লাগান। আবার উলটো-টাও করতে পারেন। উপরে সাদা রেখে নীচে ব্ল্যাক-ও ব্যবহার করতে পারেন।

ড্রামাটিক লুক

রাতের পার্টিতে গ্ল্যামারাস লুক পেতে হলে চোখের পাতায় ব্ল্যাক বা ব্রাউন কালারের সিংগল কোট আইলাইনার লাগান। এর উপর হোয়াইট আইলাইনার লাগান। এর গা ঘেঁষে ব্লু, গ্রিন বা পার্পল শেডের আইলাইনার লাগিয়ে গ্লিটার আইলাইনার দিয়ে ফিনিশ করুন। সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আপনি সফল হবেন-ই।

হোয়াইট আইলাইনার যেমন ডিফারেন্ট আই লুক দিতে সক্ষম, তেমনি ফেসিয়াল খামতিগুলোও পূরণ করতে পারে অনায়াসে। সুতরাং সৗন্দর্য বিকশিত করতে কীভাবে সাহায্য করতে পারে হোয়াইট আইলাইনার আসুন জানি–

আইশ্যাডোরও কাজ করবে আইলাইনার

পেনসিল হোয়াইট আইলাইনার আপনি আইশ্যাডোর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। যদি হোয়াইট আইলাইনার, অ্যাইশ্যাডোর মতো লাগিয়ে তার উপর যে-কোনও রঙের আইশ্যাডো লাগান তাহলে ওই রঙের শেড- টি আরও ডার্ক মনে হবে এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আইশ্যাডো টিকে থাকবে।

পিওর শেড

যখনই ব্লু, গ্রিন, পার্পল-এর মতো কালারফুল শেড লাগাবার ইচ্ছে হবে, তার আগে লিকুইড হোয়াইট আইলাইনার লাগিয়ে নেবেন। তার উপর ইচ্ছেমতন রং অ্যাপ্লাই করলে, হোয়াইট বেস থাকার ফলে আপনার কালার্ড আইলাইনারের পিওর শেড-টা বুঝতে পারবেন।

হাইড ডার্ক সার্কলস

যদি আপনার চোখের নীচে ডার্ক সার্কলস থাকে এবং সেটা যাতে সকলের দৃষ্টিগোচর না হয় তার জন্য, হোয়াইট পেনসিল আইলাইনার লাগিয়ে সেটা হালকা স্মাজ করে আশেপাশে ছড়িয়ে দিন। আইলাইনার দিয়ে যখন ডার্ক সার্কলস পুরোপুরি ঢেকে যাবে এবং সেট হয়ে যাবে তখন মেক-আপ করা শুরু করুন।

হাইলাইট আইব্রোজ

আইব্রোজ-কে হাইলাইট করতে হলে, আইব্রো বোন-এর উপর পেনসিল হোয়াইট আইলাইনার লাগান এবং ভালো করে সেটি স্মাজ করুন। এর ফলে চোখ এবং আইব্রোজ-এর মধ্যেকার গ্যাপ বাড়বে এবং আইব্রোজ আরও স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

কারেক্ট আইব্রোজ

আইব্রোজ যদি খুব পাতলা হয় অথবা যদি ভুরুর কোনও শেপ না থাকে, তাহলে পেনসিল হোয়াইট আইলাইনার ব্যবহার করে ভুরুকে সঠিক শেপ দিন। ভুরুর ভিতরে ব্ল্যাক বা ব্রাউন শেডের আইশ্যাডো লাগিয়ে আইব্রোজকে পারফেক্ট শেপ ও লুক দিন।

ফুলার লিপ্স

ঠোঁট যদি খুব পাতলা হয় তাহলে পেনসিল হোয়াইট আইলাইনারের ব্যবহার লিপলাইনার হিসেবেও করতে পারেন। হোয়াইট আইলাইনার দিয়ে প্রথমে ঠোঁটকে পারফেক্ট শেপ দিন। এর পর ভিতরের অংশে লিপস্টিক দিয়ে রং ভরে নিন। এতে ফুলার লিপ্স এফেক্ট পাবেন।

কুইক মেক-আপ টিপ্স

আজকাল সকলের হাতেই সময় কম। যুগটা গতির। এই গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে আমরা নির্ভর করে ফেলছি ফাস্ট ফুড আর ইন্সট্যান্ট মেক-আপ-এর উপর। সহজে, চটজলদি গ্ল্যামারাস হওয়ার সুপ্ত বাসনা কার না থাকে। কিন্তু এর জন্য আপনাকে জানতে হবে সঠিক পদ্ধতিগুলো। এখানে দেওয়া হল কিছু সহজ Quick Make-up Tips  যা নিমেষে আপনাকে পার্টির জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

ফাউন্ডেশন – ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন মেক-আপ-এর বেস ঠিক থাকলে অর্ধেক সাফল্য পেয়ে গেলেন। মেক-আপ যত ন্যাচারাল দেখাবে, ততই পারফেক্ট লাগবে আপনাকেও। কেক, লিকুইড আর পাউডার, তিন রকমের ফাউন্ডেশন বাজারে মেলে।বিয়েবাড়ির পার্টিতে যাওয়ার আগে হয় হাইড্রেটিং বা স্টেন ফিনিশ লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

পাউডার টাচ – ক্রিম আইশ্যাডো আর ক্রিম ব্লাশ অন লাগানোর ফলে কিছুক্ষণ পর থেকেই আপনার স্কিন টোন প্যাচি লাগতে পারে। মুখে বলিরেখা থাকলে সেটাও প্রকট হবে। তাই চটজলদি মেক-আপ করতে হলে লাইট পাউডার আইশ্যাডো আর পাউডার ব্লাশ অন ব্যবহার করুন।

আই পেন্সিল -কম বয়সি মহিলারা লাইনার লাগাতে চান না। তাই এর ভালো বিকল্প হতে পারে কালারফুল পেন্সিল। ব্লু ও গ্রিন এই দুটো বেসিক কালারের সঙ্গে ব্রাউন পেন্সিলও কিনে রাখুন।

লিপ কালার – ঠোঁটে ইনস্ট্যান্ট গ্লো আনতে ন্যাচারাল ক্রেয়নের বদলে ভাইব্র্যান্ট রেড বা চেরি কালার লিপস্টিক লাগান। পার্টি লুক-এ রেড খুব হট লাগে।

পিয়োর ব্রাউন শেড্‌ – আপনি ব্রাউনের ভক্ত হলেও প্লিজ পার্টিতে ম্যাটি ব্রাউন আই শ্যাডো লাগাবেন না। এই রঙে হলদে ও লালের কিছু পরিমাণ থাকে, যা ব্রাউন আইশ্যাডো লাগানোর পরে আপনার চোখের ক্লান্ত ভাব প্রকট করে। এর বদলে পিয়োর ব্রাউন লাগান, বা খয়েরি। এতে ন্যাচারাল লাগবে।

পরিশেষে বলি, রেগুলার হেয়ারস্টাইল থেকে বেরিয়ে, নতুন কিছু ট্রাই করুন। সিঁথি বদলে কোনও স্টাইল করুন বা খোলা চুলে লাগান স্টাইলিশ অ্যাক্সেসরি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ নিয়েই অনিষ্ঠান হচ্ছে।তাই নজড় কাড়তে হলে আপনার সাজটিকে সবার থেকে আলাদা করে তুলুন।Quick Make-up Tips আপনাকে সহায়তা করবে৷

প্রেমিক ওপেন সম্পর্কে বিশ্বাসী কিন্তু আমি সেটা মানতে পারি না

আমার বয়স কুড়ি বছরআমি আমার প্রেমিক গত তিন বছর ধরে সম্পর্কে লিপ্তকিছু পারিবারিক সমস্যা থাকায় বছর দুয়েক পরে আমরা বিয়ে করব ঠিক করেছিআমাদের পরিবারও জানে আমাদের সম্পর্কের কথাআমরা প্রায়ই মিলিত হই এবং আমাদের মধ্যে এতদিন বোঝাপড়ার কোনও সমস্যা ছিল নাকিন্তু সম্প্রতি আমার প্রেমিক বলছে যে তার ওপেন রিলেশনশিপ পছন্দসে অন্য যৗনসঙ্গীকে গ্রহণ করতে মানসিক ভাবে প্রস্তুত এবং আমাকেও অন্য সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হতে পরামর্শ দিচ্ছেতার মতে এর ফলে আমাদের যৗনজীবনে যে একঘেয়েমি এসে গেছে, তা থেকে আমরা বেরোতে পারবসে যতটা সহজে এই প্রস্তাব দিতে পেরেছে, আমি সেটা ততটা সহজে মানতে পারছি নাতাকে ছাড়া অন্য কোনও যৗনসঙ্গীর আমার প্রয়োজন নেই একথা তাকে বলেছিএকঘেয়েমি কাটানোর জন্য কী করব সেটা অবশ্য বুঝতে পারছি না, আবার ওর এই অদ্ভুত ইচ্ছাকে প্রশ্রয় দিতেও পারছি নাকী করি জানান

ওপেন রিলেশনশিপ সবাই মেনে নিতে পারে না। বিশেষ করে ভারতীয় মেয়েরা যে-ধরনের অনুশাসনে বেড়ে ওঠে, তাতে চট করে একাধিক সেক্স পার্টনারকে গ্রহণ করতে মানসিক ভাবে তারা প্রস্তুত থাকে না। পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রেখে, প্রেমিকের অন্য প্রেমিকাকে মুক্ত মনে অ্যাকসেপ্ট করা সহজ নয়। আপনার ক্ষেত্রেও এটাই ঘটেছে। আপনি আগে খোঁজ নিয়ে দেখুন আপনার প্রেমিকটি অন্য কোনও মহিলার সঙ্গে ইতিমধ্যেই ইনভলভ্ড কিনা। হয়তো সেই জন্যই তিনি এই ওপেন রিলেশনশিপের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইমোশনালি বা সেক্সুয়ালি যেভাবেই উনি জড়িয়ে পড়েছেন কিন্তু একটা কথা স্পষ্ট যে তিনি আপনাকেও হারাতে চান না। তাই দু’পক্ষই বজায় রাখার এটা অজুহাত নয়তো? খোলাখুলি জানতে চান তার কাছে যে, তার অন্য কোনও মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে কিনা। যৗনক্রিয়ায় একঘেয়েমি কাটানোর জন্য কিছু অনুঘটকের সাহায্য নিন। যেমন পর্ন ভিডিয়ো বা একান্তে ছুটি কাটানো, পশ্চার-এ পরিবর্তন। কিন্তু এসবেও তিনি যদি কনভিন্সড্ না হন, তাহলে বুঝে নিন নিশ্চিত ভাবেই উনি অন্য কোথাও জড়িয়ে পড়েছেন। সম্পর্ক শেষ হবার দিকেই এগোচ্ছেন আপনারা ।

 

আমি বিবাহিত কিন্তু আমার গর্ভে প্রেমিকের সন্তান। কী করি?

আমি ২৬ বছর বয়সি তরুণী। পেশা সাংবাদিকতা। নিউজ স্টোরির জন্য মাঝেমধ্যে আমাকে ট্রাভেল করতে হয় বিভিন্ন জায়গায়। আমার সঙ্গে থাকে একজন স্টাফ ফোটোগ্রাফার। দীর্ঘদিন ওই ফোটোগ্রাফার-এর সঙ্গে কাজের সূত্রে জার্নি করতে করতে আমি ওর প্রেমে পড়ে যাই। আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একসময় বুঝতে পারি, আমি প্রেগন্যান্ট এবং আগত সন্তানের বাবা আমার স্বামী নন, আমার প্রেমিক। আমার বিবাহিত জীবন চার বছরের। সন্তান চেয়েছি, তাই কন্ট্রাসেপ্টিভস ব্যবহার না করেই স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমার স্বামীর দ্বারা আমি মা হতে পারিনি। এখনও আমার স্বামীকে জানাতে পারিনি যে আমি কন্সিভ করেছি। কিন্তু আমি তাকে জানাতে চাই। হয়তো একথা শুনলে তিনি খুশিও হবেন। তবে আমার প্রেমিক চান আমি অ্যাবরশন করিয়ে নিই কিন্তু আমি মা হতে চাই, সন্তানের পিতা যে-ই হোক। জানি না আমি ঠিক পথে এগোচ্ছি কিনা? আমি পরামর্শ চাই।

স্বামী এবং প্রেমিকের সঙ্গে যেহেতু সমান ভাবে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন আপনি, তাই গর্ভস্থ শিশুর পিতা যে আপনার প্রেমিক, এ বিষয়ে একশো ভাগ নিশ্চিত হওয়া যায় না। আপনার উচিত, পেটারনিটি টেস্ট করা। কারণ, চার বছরে আপনার স্বামীর দ্বারা আপনি মা হতে না পারলেও, তারই ঔরসে মা না হওয়াও অসম্ভব নয়। কারণ, তার পৗরুষত্ব আছে কিনা সেরকম কোনও পরীক্ষা করানো হয়নি। তাই আপনার গর্ভস্থ সন্তানের বাবা কে তা পরীক্ষা করা উচিত। আর এই পরীক্ষা আপনার স্বামীকে না জানিয়েও করা সম্ভব। যদি দেখা যায় আপনার গর্ভস্থ শিশুর পিতা আপনার স্বামী, তাহলে তো কোনও সমস্যা থাকবে না, আপনি নিশ্চিন্তে মা হতে পারবেন। আর যদি তা না হয়, তাহলে আপনাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি স্বামীর সঙ্গে থাকতেই হয়, তাহলে আপনাকে অ্যাবরশন করাতে হবে এবং আপনার প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করতে হবে। আর যদি প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে মা হতে চান, তাহলে স্বামীকে সবকিছু বলে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বিবাহ-বিচ্ছেদ করা উচিত। নয়তো, ভবিষ্যতে আপনার দাম্পত্যজীবন অসুখী হতে পারে যখন আপনার স্বামী সত্যিটা জানতে পারবেন। কারণ, এত বড়ো সত্যি চাপা থাকে না সধারণত। তাছাড়া, আপনার স্বামীকে সবকিছু জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সারাজীবন আপনাকে ব্ল্যাকমেল করতে পারে আপনার প্রেমিক। আপনি একজন শিক্ষিতা, মহান পেশার সঙ্গে যুক্ত, তাই অবিবেচক হবেন না আশাকরি। অতএব সিদ্ধান্ত নিন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে।

পড়ার জন্য সীমাহীন গল্প-নিবন্ধসাবস্ক্রাইব