একাধিক শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি। কী করব?

আমি ত্রিশ বছরের এক যুবতি। আমার সমস্যাটা একটু ব্যতিক্রমী। হয়তো সেটা জানলে আমাকে চরিত্রহীন ভাববেন। আমার নিজেরও অপরাধবোধ হয় কিন্তু কিছুতেই একটা প্রবৃত্তি থেকে বেরোতে পারছি না। বর্তমানে গত ৪ মাস ধরে আমি একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত। কিন্তু এর আগেও আমার একটি প্রেম ছিল। সেই ছেলেটির সঙ্গে আমার পাঁচ বছরের বন্ধন ছিল। নানা মতানৈক্যে আমাদের ব্রেক আপ হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের মধ্যে সবচেয়ে মিল ছিল যৗনতার ক্ষেত্রে। আমরা পরস্পরের জন্য আইডিয়াল  ছিলাম।

এখন সমস্যা হচ্ছে ব্রেক-আপ হয়ে যাবার পর আমরা দুজনে আলাদা আলাদা সঙ্গী নির্বাচন করলেও, পরস্পরের প্রতি যৗন আকর্ষণ কমেনি। তাই আমরা এখন গোপনে মিলিত হই এবং পরস্পরের সান্নিধ্য উপভোগ করি। ঘটনাটা ঘটে যাবার পর, প্রতিবার আমার অনুতাপ হয়। মনে হয় এই-ই শেষ, কিন্তু আবার কিছুদিনের বিরতির পর সেই অমোঘ টানে পরস্পরের দিকে আকর্ষিত হই।

আমি বুঝতে পারছি, এভাবে আমি আমার বর্তমান সম্পর্কেও পুরোপুরি ইনভলভ্ড হতে পারছি না, আবার ওই দুষ্কর্ম থেকে বেরোতেও পারছি না। কী করব বলে দিন।

ব্রেক-আপের পরও সম্পর্কটা জিইয়ে রাখা আপনার অন্যায় হয়েছে। আপনি শুধু আপনার বর্তমান প্রেমিককেই নয়, নিজেকেও ঠকাচ্ছেন। দু-নৗকোয় পা দিয়ে চললে, একটা সময়ের পর আপনার এই সম্পর্কও ভেঙে যেতে বাধ্য। তাছাড়া প্রাক্তনের সঙ্গে যৗন মিলনের পর আপনার আত্মগ্লানি হচ্ছে, এর মানে, আপনি যে একটি গর্হিত কাজ করছেন, সে ব্যাপারে আপনি সচেতন। চেষ্টা করুন আপনার পুরোনো বন্ধুটির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করতে। আপনি আপনার বর্তমান প্রেমিকের সঙ্গে এই অন্যায় করতে পারেন না। তিনি তো কোনও দোষ করেননি, ফলে কেন তাকে ঠকাবেন? পুরোনোকে ভুলতে চেষ্টা করুন। সাময়িক ভাবে কষ্ট হবে, কিন্তু বর্তমান সঙ্গীকে শরীরে মনে আপন করে নিন। দেখবেন সুখী হবেন।

রিভার্স এজ মেক-আপ

অভিনেত্রী রেখার রহস্যময় সৗন্দর্য, শ্রীদেবীর সেই ইনোসেন্ট ফেস, মাধুরীর মাদকতা, বিপাশার মোহিনীরূপ দেখলেই মনে হয়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এদের সৗন্দর্যও যেন বেড়ে চলেছে। এখন অনেকেই বলবেন সার্জারির ছোঁয়া৷ কথাটা হয়তো মিথ্যে নয়। মুদ্রার একপিঠে যেমন সার্জারি, তেমনই অন্যপিঠে রয়েছে সঠিক মেক-আপ, হেয়ার স্টাইল আর ড্রেস সেন্স।সার্জারি ছাড়াও সঠিক মেক-আপের সাহায্যে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন গ্লোয়িং, ইয়ং অ্যান্ড বিউটিফুল।একেই বলে Reverse Age Make-up৷ কিন্তু তার জন্য মাথায় রাখতে হবে জরুরি কয়েকটি বিষয়৷

কী করবেন আর কী করবেন না?

ভুল মেক-আপ হ্যাবিট

মেক-আপ মুখের সৗন্দর্য বাড়ানোর জন্য করা হয়ে থাকে, কিন্তু হেভি মেক-আপ, বেমানান হেয়ারকাট যেমন কদর্য করে তোলে মুখ, তেমন বয়সটাও বাড়িয়ে দেয় অনেকটা। অথচ, মুখের আদল অনুযায়ী যথাযথ হেয়ারকাট, হেয়ার স্টাইল এবং হালকা মেক-আপের টাচেই সৗন্দর্যের পাশাপাশি বয়সটাও খানিকটা কমিয়ে ফেলতে পারেন।

ব্যবহার করুন টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার

মেক-আপ করার আগে মুখ পরিষ্কার করতে কেউ ভোলেন না কিন্তু ময়েশ্চারাইজার-এর ব্যাপারটা এড়িয়ে যান। অথচ ক্লিনজিং আর টোনিং-এর মতো , ময়েশ্চারাইজিং প্রক্রিয়াও ভীষণ জরুরি। নয়তো মেক-আপের পরে একটা প্যাচি লুক চলে আসে। তাই গর্জিয়াস লুক পেতে চাইলে কয়েক ফোঁটা টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার হালকা হাতে মুখের নীচ থেকে উপরের দিকে ব্লেন্ড করে নিন।

কনসিল ডার্ক সার্কল্স উইথ রাইট শেড

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক চাপ, ঘুম কমে যাওয়া, অসময়ে খাবার খাওয়া, ফাস্ট ফুড গ্রহণের বদ অভ্যাস, অতিরিক্ত কাজের প্রেশার– ডাক সার্কল্স বাড়িয়ে দেয়। ব্লু টোন ডার্ক সার্কল্স হলে, ইয়োলা আর পিচ টিন্টেড কনসিলার ব্যবহার করুন। আর লাইট অর্থাৎ হালকা সার্কল্স থাকলে স্কিন টোনের তুলনায় খানিক হালকা শেড, ব্রাশ নয়তো আঙুলের ডগা দিয়ে লাগান। দীর্ঘক্ষণের জন্য কোথাও যেতে হলে পাউডার দিয়ে লক করে দিন।

প্লামপিং লিপ্স

পাতলা ঠোঁট আর তার চারপাশের শিথিল হয়ে যাওয়া ত্বকই জানান দেয়, আপনার বয়স যৗবনের প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। মহিলাদের মধ্যে একটা প্রবণতা আছে, একটু বয়স বাড়লেই তারা ডার্ক কালারের পেন্সিল দিয়েই ঠোঁট আঁকেন। এতে নাকি বয়সটা কম মনে হয়। সেক্ষেত্রে বলি আপনাদের ধারণা একেবারেই ভুল, কারণ ডার্ক লিপস্টিক লাগানোর ফলে পাতলা ঠোঁট আরও প্রমিনেন্ট হয়ে পড়ে। ফলে সবার নজর ওদিকেই থাকে। ঠোঁটের চারপাশের চামড়া শিথিল হয়ে যাওয়ার কারণে একটু খাওয়াদাওয়া করলেই লিপস্টিক স্মাজ হয়ে ভীষণ বিশ্রী দেখতে লাগে। ঠোঁটে প্লামপিং এফেক্ট দেওয়ার জন্য আউটলাইনার দিয়ে পুরো ঠোঁটটি ভরে, সুন্দর আকার দিন। পরে হালকা করে লিপগ্লস লাগান।

ক্রিমি ব্লাশার

Reverse Age Make-up করলে ক্রিমি ব্লাশার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। আপনার স্কিন টোন (লাইট, মিডিয়াম, ডার্ক) অনুযায়ী ক্রিমি ব্লাশার বেছে নিন। এটা ন্যাচারাল গ্লোয়িং চিকস্ এফেক্ট দেবে। আর একটা কথা মাথায় রাখবেন, পাউডার ব্লাশার কখনওই ব্যবহার করবেন না। এতে বলিরেখা আরও প্রকট হয়ে ওঠে। দেখতেও রুক্ষ লাগে।

অ্যান্টি-এজিং আই মেক-আপ

বয়সের ছাপ সর্বদা চোখ আর তার আশপাশের ত্বকেই বেশি লক্ষ্য করা যায়। হরমোনের অসামঞ্জস্যতার ফলে আই ল্যাশেস হালকা হয়ে যাওয়া, বলিরেখার কারণে আইব্রোজ শিথিল হয়ে যাওয়া, ডার্ক সার্কল্স ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে থাকে।

আইব্রোজ শেপ

চোখের মেক-আপ করার আগে আইব্রো দুটিকে পয়েন্ট আর্চ-এর শেপ দিন। আইব্রো যতটা সম্ভব মোটা রাখার চেষ্টা করবেন, যাতে আপনাকে আপনার বয়সের থেকে কম বয়সি মনে হয়।

আইব্রোজ মেক-আপ

আইব্রোজ মেক-আপের জন্য ব্রাউন কালারের আইশেড অথবা পেন্সিল দিয়ে আইব্রোজ শেপ দেওয়ার সময় অবশ্যই ট্রান্সপারেন্ট মাসকারা ব্যবহার করুন।এটাই Reverse Age Make-up করার মন্ত্র৷

ল্যাশেজ কার্ল

বয়সের সাথে সাথে আইলিড ঢিলে হয়ে যাওয়ার কারণে আই ল্যাশেজ ফ্ল্যাট মনে হয়। তাই

২ কোট (এক কোট শুকিয়ে গেলে, আর এক কোট লাগান) মাসকারা অবশ্যই লাগান। এছাড়া বাজারে বায়োমাইজিং মাসকারাও পাওয়া যাচ্ছে। ভালো পরিণাম পেতে হলে অবশ্যই ব্যবহার করুন।

লাইট আইশ্যাডো

আইলিড-এর ইনার কর্নারে হালকা শিমার আইশ্যাডো ব্যবহার করলে চোখগুলিও বড়ো মনে হবে এবং চোখ বসাও লাগবে না। আউটার কর্নারে মিডিয়াম ডার্ক শেড আর ব্রো বোন-এ লাইট শিমার দিয়ে হাইলাইট করুন। খেয়াল রাখবেন হেভি গ্লিটার আপনার জন্য যথাযথ নয়, তাই এটা এড়িয়ে চলাই ভালো।

পারফেক্ট হেয়ার কাট এবং কালার

আপনার হেয়ার কাটও আপনার বয়স কম দেখাতে বেশ খানিকটা সক্ষম। তাই সেকেলে বিনুনি, খোঁপা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন কিছু হেয়ার কাট ট্রাই করুন। তার মানে এই নয় যে, স্টাইলের জন্য হুট করে লম্বা চুল কেটে একেবারে ছোটো করে ফেললেন। লম্বা চুলেও দারুন দারুণ কাট রয়েছেন যা আপনার সৗন্দর্য বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে। যেমন পিরামিড লেয়ার, ফিউশন মাল্টিপল লেয়ার্স, ইনোভেটিভ ফেদার্স টাচ ইত্যাদি। আর মেহেন্দির পরিবর্তে হেয়ার কালার বা হাইলাইটার করুন, দেখবেন আপনার লুকটাই চেঞ্জ হয়ে গেছে৷

যৌন অনুভূতির পাঁচ রহস্য

যৌনতার প্রকৃত আনন্দ তখনই পাওয়া যায়, যখন স্বামী-স্ত্রীর অনেক না-বলা কথা উভয়ে বুঝতে পারেন অনায়াসে। মাত্র পাঁচটা সহজ স্টেপস-এ কী করে জিতে নেবেন সঙ্গিনীর মন,তা জেনে নিন ।

বেশিরভাগ মহিলাই চান, স্বামী যেন তার সেক্স সিক্রেটস আবিষ্কার করে নেন ভালোবেসে। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না সবার ক্ষেত্রে। এই বিষয়ের গবেষক এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, সিংহভাগ বিবাহিত পুরুষ ঠিকমতো বোঝেনই না তার স্ত্রীর চাহিদা এবং যৌন অনুভূতির রহস্যের বিষয়ে। কিন্তু সত্যি যদি কেউ সেক্স ফিলিংস-এর সঠিক রহস্য আবিষ্কার করে নিতে পারেন, তাহলে তার দাম্পত্য-জীবনের শারীরিক সম্পর্ক মধুময় হবেই।

সেক্স মানেই শুধু ইন্টারকোর্স নয়

আনন্দদায়ক সেক্স মানেই শুধু ইন্টারকোর্স নয় বিবাহিত মহিলাদের কাছে, বরং স্বামীর সঙ্গে অন্য সময়ের সুখানুভূতিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। স্বামী সবসময় নিজের কাজে ব্যস্ত থাকলে কিংবা কোয়ালিটি টাইম না দিয়ে শুধু বিছানায় শারীরিক চাহিদা মেটালে স্ত্রীর অপছন্দের কারণ হয়ে যেতে পারেন। স্ত্রী-র তখন মনে হতে পারে, তিনি শুধু ভোগ্যবস্তুর মতো মর্যাদা পাচ্ছেন স্বামীর কাছে। কারণ প্রায় প্রত্যেক স্ত্রী-ই চান, শুধু বিছানায় নয়, বিছানার বাইরেও যেন অসীম ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন তার স্বামী। গুরুত্ব দিয়ে, সুখদুঃখ শেয়ার করে, আদরযত্নে ভরিয়ে দিয়ে, ভালোমন্দের খোঁজখবর রাখলে তবেই খুশি থাকেন স্ত্রী–এই সত্যিটা বুঝতে হবে লাইফ পার্টনারকে।

সমাজতত্ত্ববিদদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্ক সফল হওয়ার আসল রহস্য লুকিয়ে থাকে প্রতিটি অনুভবি মুহূর্তে। কথা, ব্যবহার, সাহায্য, সহানুভূতি, প্রেরণা, সঙ্গদান, খুনসুটি, এমনকী উপহার প্রদানের মাধ্যমেও সুখানুভব জাগানো যায়। কারণ, এসবের সুপ্রভাব পড়ে বিছানায়, শারীরিক সম্পর্কে। ঝগড়া-বিবাদের যেমন কুপ্রভাব পড়ে বিছানায়, ঠিক তেমনই প্রতিটি সুখকর মুহূর্তের সুপ্রভাবও পড়ে ইন্টারকোর্স-এর ক্ষেত্রে। অতএব, শারীরিক সম্পর্ককে সফল রূপ দিতে হলে, গুরুত্ব দিতে হবে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে। দায়িত্ব, কর্তব্য, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের সুবন্দোবস্ত, হইহুল্লোড় প্রভৃতিও যে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, একথা খেয়াল রাখতে হবে স্বামীকে।

‘টার্ন-অন’ করা জরুরি

মানুষ সবসময় হাসিখুশি, প্রাণোচ্ছল থাকতে পারেন না জীবনের নানা সমস্যার কারণে। তাই শরীরও সবসময় প্রস্তুত থাকে না যৌনতার জন্য। অতএব, স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই মানসিক পরিস্থিতি বুঝতে হবে উভয়কেই। মনে রাখতে হবে, এটা সম্পূর্ণ অনুভবের বিষয়। অন্তরাত্মার মিল থাকলে, একে অন্যের মানসিক পরিস্থিতি বুঝতে পারা খুব কঠিন হয় না। আর যেটুকু অনুভবের মাধ্যমে বোঝা কঠিন হবে, তা হালকাচালে কথা বলে বুঝে নিতে হবে। পরিস্থিতি জটিল বুঝলে সেইসময় ইন্টারকোর্স থেকে বিরত থেকে অবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা উচিত। আর যদি দেখা যায় পার্টনার-এর মনখারাপের সমস্যা তত গভীর নয়, তাহলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ‘টার্ন-অন’ করুন তাকে। অর্থাৎ, সঙ্গীর শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে যৌনতার জন্য। এই প্রস্তুতির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন নৈশভোজের সময় থেকে। প্রথমে সঙ্গীর মনখারাপের কারণ জেনে নিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিন এবং প্রসঙ্গ বদলে মজাদার কথা বলে পার্টনার-এর মেজাজ ফুরফুরে করার চেষ্টা করুন। মাথায় হাত রাখুন, প্রশংসামূলক কথা বলুন, কোথাও বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দিন, প্রয়োজনে খুনসুটি করে গাল টিপুন। এরপর ধীরে-ধীরে আদর-আহ্লাদের মাধ্যমে জাগিয়ে তুলুন শরীরকে।

নন-সেক্সুয়াল টাচ্

শুধু যৌনতা নয়, দাম্পত্য সম্পর্ক উপভোগ করা যায় নানা ভাবে। স্বামী কেয়ারিং হলে খুশি হন স্ত্রী-রা। তাই, স্ত্রীর পরিহিত পোশাক ঠিক আছে কিনা তা হাত ধরে ঘুরেফিরে দেখে প্রশংসা করুন। কপালের টিপ প্রপার জায়গায় নেই–এই অজুহাতে টিপ তুলে আবার পরিয়ে দিন হাত ধরে। হঠাৎ করে শাড়ি কিংবা গয়না এনে হাতে দিয়ে পরে দেখাতে বলুন। স্ত্রী যখন শাড়ি গয়না পরে দেখাবে, তখন ‘দারুণ লাগছে’ বলে জড়িয়ে ধরুন। পার্টনার-এর পছন্দের খাবার এনে নিজের হাতে খাইয়ে দিন মাঝেমধ্যে। মোটকথা, নানা অজুহাতে ‘নন্-সেক্সুয়াল টাচ’ প্রয়োজন, যা পার্টনার পছন্দ করেন। মনে রাখবেন, এর সুফল পাবেন পরে। কারণ, ‘সবুরে মেওয়া ফলে’।

পরিপূর্ণ তৃপ্তির প্রয়োজন

যৌন-স্বাস্থ্য সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, দাম্পত্যে যতবার সম্ভোগক্রিয়া হয়, তার অর্ধেক সময় পরিপূর্ণ তৃপ্তি পান মাত্র ষাট শতাংশ দম্পতি। কিন্তু, এই তৃপ্তির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পরিপূর্ণ যৌনতৃপ্তি পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ বাড়ায়, বন্ধন দৃঢ় করে। শুধু তাই নয়, যৌনতৃপ্তি শরীরে, মনে যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই, পাশবিক ভাবে নয়, পরিপূর্ণ যৌনতৃপ্তির জন্য এগোতে হবে ‘স্লো বাট স্টেডি’ ফরম্যাট-এ। তবে শুধু নিজের পরিপূর্ণ যৌনতৃপ্তির কথা মাথায় রাখলে চলবে না, পার্টনার-কেও খুশি করার দায়িত্ব নিতে হবে। এরজন্য ফোরপ্লে জরুরি। পরস্পরকে আলিঙ্গন করুন, চুম্বনে ভরিয়ে দিন, যৌনসম্পদ উপভোগের আগে, উষ্ণ স্পর্শে তৃপ্তিলাভের আবহ তৈরি করুন এবং একজন অন্যজনকে ধীরে-ধীরে বিবস্ত্র করুন। আর ক্লাইম্যাক্স-এ পশ্চার পরিবর্তনের মাধ্যমে যৌনক্রিয়া উপভোগ করুন।

অ্যাটেনশন আফটার সেক্স

বেশিরভাগ দম্পতিই পূর্ণ আনন্দলাভের পর মুখ ফিরিয়ে শুয়ে থাকেন, যা কাম্য নয়। কারণ, এই স্বভাব শুধু শরীর সর্বস্বতার ইঙ্গিত বহন করে। তাছাড়া, স্খলনের পরেও শরীরের উষ্ণতায় তৃপ্তির রেশ থাকে। তবে মনে রাখবেন, এই আফটার এফেক্ট উপভোগ করতে হলে, ভালোবাসা জারি রাখতে হবে। কারণ, শুধু শরীর নয়, মানসিক তৃপ্তিও প্রধান ভূমিকা নেয় উভয়ের অন্তরাত্মার মিলনের জন্য। আসলে, মানুষ মনে মনেই বাঁচে বেশিটা। তাই, সঙ্গীকে অকপট ভালোবাসুন, আনন্দে থাকুন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, শরীরচর্চা করুন আর সেক্স রিলেটেড বাজারি ওষুধ খাওয়া বন্ধ করুন। দেখবেন, পরিপূর্ণ তৃপ্তিলাভ হবেই।

—-x—-

ডার্ক সার্কল্স সরাতে

কথায় বলে চোখ নাকি আপনার মনের কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে চোখ কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যেরও খবর দেয়। অর্থাৎ শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনও সমস্যা থাকলে, আগে চোখে তা স্পষ্ট হয়। আপনার জীবনশৈলীর প্রভাব সবচেয়ে আগে চোখের নীচের নরম ত্বকে পড়ে। ঘুম কম হওয়া কিংবা পানীয় গ্রহণ করার কুফল সবচেয়ে বেশি প্রকট হয় চোখের নীচের ত্বকে।

তাই যতই সাজগোজ করুন ক্লান্তির ছাপ এড়ানো যাবে না আপনার চোখের ভাষায়। দীঘদিনের ক্লান্তির ছাপ Dark Circles তৈরি করবে। এছাড়া কোনও গভীর অসুস্থতাও চোখের নীচে ব্যাগ্স ও কালচে ভাবের জন্য দায়ী। এটা একটা সিগনাল ধরে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কেন হয় Dark Circles

ডার্ক সার্কল্স হবার অনেক কারণ থাকতে পারে। ব্যস্ত জীবনশৈলীর কারণে বিশ্রামের অভাব, অপর্যাপ্ত ঘুম, হরমোনের পরিবর্তন, বংশানুক্রমিক সমস্যা, টেনশন প্রভৃতি অনেক কারণেই ডার্কসার্কল্স হতে পারে।

ক্লান্তি স্ট্রেস

মহিলারা তেমন স্বাস্থ্যসচেতন নন। সারাদিন ঘরে বাইরের কাজ সামলান কিন্তু নিজের খাওয়াদাওয়া ও ঘুমের ব্যাপারে মোটেই যত্নশীল নন। কর্মরতাদের ক্ষেত্রে অফিসের স্ট্রেসটাও একটা বড়ো কারণ। এছাড়া বাচ্চা ছোটো থাকলে মায়েদের ঘুম ও বিশ্রামের অভাব ঘটে। এমন নানা কারণে চোখের নীচে কালচে ছোপ পড়ে যায়।

রোগও কারণ

অ্যানিমিয়া, কিডনির সমস্যা, টিবি, টাইফয়েড প্রভৃতি অসুখের কারণেও চোখের নীচে কালি পড়তে পারে।

জলের অভাব

জল কম খাওয়া হলে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হয়। এর ফলে ব্লাড সার্কুলেশন সুষ্ঠু ভাবে হয় না। চোখের নীচে কালচে ছোপ পড়ে কারণ চোখের নীচের অংশের শিরাগুলোয় সঠিক পরিমাণে রক্ত চলাচল করে না।

নেশার কুফল

অতিরিক্ত ধুমপান, মদ্যপান, ক্যাফিন প্রভৃতি গ্রহণ করার ফলেও কালচে ছোপ পড়তে পারে চোখের নীচের

সংবেদনশীল ত্বকে।

পিগমেন্টেশন

চড়া রোদে নিয়মিত বেশিক্ষণ কাজ করলে ডার্ক সার্কল্স হতে পারে।

মেক-আপ

চোখের নীচের অংশ যেহেতু অতি সংবেদনশীল, তাই নিম্ন মানের মেক-আপ প্রোডাক্টস্ ব্যবহার করার ফলে এই অংশে কালচে ছোপ পড়ে যেতে পারে।

সোডিয়াম-পটাসিয়াম বৃদ্ধি

নিয়মিত ভাবে খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে সোডিয়াম পটাসিয়াম অধিক মাত্রায় প্রবেশ করলেও ডার্ক সার্কলস-এর সমস্যা হতে পারে। বিন্স, পিনাট বাটার, ইয়োগার্ট, দুধ, টম্যাটো, কমলালেবু, আলু প্রভৃতিতে অধিক পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে। নুন বেশি খেলে শরীরে প্রবেশ করে অতিরিক্ত সোডিয়াম।

অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাদ্য

কোনও বিশেষ খাবারে আপনি অ্যালার্জিক হলেও, সেই খাবার খেলে ডার্ক সার্কল্স বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক সময় চকোলেট, মটর, ইস্ট, টক ফল, চিনিও হতে পারে এই ধরনের অ্যালার্জির কারণ।

নিরাময়ের উপায়

  • ব্যালেন্সড্ ডায়েট জরুরি ৷ চেষ্টা করুন রোজকার খাবারে ভিটামিন ও আয়রন-যুক্ত খাদ্যপদার্থ রাখতে। অর্থাৎ সবুজপাতা-যুক্ত সবজি, শাক, ফল, মাছ ডিম নিয়মিত খান
  • প্রতিদিন ৬-৭ ঘন্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি। চেষ্টা করুন যাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যেতে পারেন
  • রোদ এড়ান এবং বাইরে বেরোলে রোদের প্রকোপ থেকে চোখের নীচের ত্বককে বাঁচাতে সানগ্লাস ব্যবহার করুন
  • ভিটামিন সাপ্লিমেন্টস ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন এ, কে, ই, বা ডি কিংবা ফলিক অ্যাসিডের অভাবে যাতে ডার্ক সার্কল্স না হয়, তাই রোজ একটা করে মাল্টি ভিটামিন ক্যাপসুল খান
  • ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে প্রচুর পরিমাণে জল বা জলীয় পদার্থ গ্রহণ করুন। জুস, সুপ হেল্থ
  • ড্রিংকস পান করুন দিনের নানা সময়ে। দুধ পান করুন। এর ফলে পর্যাপ্ত ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম, প্রোটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করবে
  • মেক-আপ করার সময় ডার্ক সার্কল্স ঢাকতে ভালো ব্র্যান্ডের কনসিলার ব্যবহার করুন। এর ফলে ত্বকের টেক্সচারেও একটা সামঞ্জস্য আসবে। খুঁত কভার করে তারপর বেস মেক-আপ করুন
  • স্কিন প্যাচ টেস্ট প্রয়োজন৷ ত্বকের উপর প্রদাহ তৈরি করে, এমন প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে একজন ভালো ডার্মাটোলজিস্ট-এর সাহায্যে একটা টেস্ট করিয়ে নিন।

যৌন সম্পর্কে আমি তৃপ্ত হতে পারিনি

আমার বয়ফ্রেন্ড ও আমি গত চারমাস ধরে ডেট করছি। সম্প্রতি কয়েকবার আমরা যৌন সম্পর্কেও লিপ্ত হয়েছি। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা সুখকর হয়নি। ওকে আমার সহবাসের সময় অত্যন্ত স্বার্থপর মনে হয়েছে। ও নিজে সহজেই তৃপ্তি হয়ে যায়, কিন্তু আমি হয়তো তখনও পুরোপুরি যৗনক্রিড়ায় লিপ্তই হইনি। আমার প্রশ্ন হল এটা ভবিষ্যতে আমাদের সম্পর্কেও অতৃপ্তি তৈরি করবে না তো ?

সেক্সুয়াল কমপ্যাটেবিলিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিঃসন্দেহে। বেশির ভাগ সময়ই আমরা প্রিয় মানুষটিকে এতটাই ভালোবেসে ফেলি যে, যৗনতার অতৃপ্তিটাকে মেনেও নিই। আমাদের সমাজে মেয়েরা যৗনতা নিয়ে খুব একটা সোচ্চার নয়। মেয়েরা তাদের তৃপ্তি-অতৃপ্তি, পছন্দ- অপছন্দের কথা এতকাল স্পষ্ট করে বলতেও পারত না।দিন বদলেছে। এখন মেয়েরা তাদের চাহিদার ব্যাপারে অনেক বেশি অকপট। আপনি প্রয়োজনে আপনার বয়ফ্রেন্ডকে খুলে বলুন আপনার অতৃপ্তির কথা। দুজনে চেষ্টা করুন ফোরপ্লেটাকে দীর্ঘায়িত করতে। চূড়ান্ত মুহূর্তে পৌঁছোনোর আগের পর্বটাও যে সুখ ও তৃপ্তি এনে দিতে সাহায্য করে, এটা সে বুঝলে, আর তাড়াহুড়ো করবে না।পরস্পরকে সময় দিন। এই সমস্যা মিটে যাবার সম্ভাবনাই বেশি।

 

এই মেয়েটির সঙ্গে কি দাম্পত্য সম্পর্কে আমি সুখী হব?

আমি ২৮ বছর বয়সি এক তরুণ একটি ম্যারেজ ওয়েবসাইট আমার একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ের ঠিক হয়েছে পারিবারিক অনুমোদনে বর্তমানে আমরা দুজনেই বাড়ি থেকে দূরে দুটি পৃথক শহরে কর্মরত আমরা ভিডিও কলিং চ্যাটের মাধ্যমে ৬মাস ধরে অন্তরঙ্গ হয়েছি পরিবারকে না জানিয়ে আমরা বিয়ের আগেই একটি হলিডে প্ল্যান করেছিলাম যাতে পরস্পরের সান্নিধ্য পাওয়া যায় বাট আই মাস্ট সে ইট ওয়াজ হলিডে ডিজাস্টার কমপ্লিট ওয়েস্ট অফ টাইম অ্যান্ড মানি

হলিডে প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্য করলাম বেড়ানোর জায়গাটা ওর পছন্দ হয়নি ফলে শুরু থেকেই আমার ট্রিপ আইডিয়া নিয়ে মতান্তর হতে শুরু করল বেড়াতে গিয়ে জায়গাটা ওর ভীষণ অপছন্দ হল মতান্তরের জেরে আমরা একবারও শরীরী মিলনে লিপ্ত হতে পারলাম না ডিনারেও কথা বন্ধ করে নিজের ফোন ঘাঁটতে লাগল দ্বিতীয় দিন গল্পের বই নিয়ে হোটেলের ঘরেই থেকে গেল আমার সঙ্গে বেড়াতেই গেল না হোটেলের অন্য গেস্টদের সঙ্গে গল্প আড্ডায় যোগ দিল কিন্তু আমার ব্যাপারে কোনও উৎসাহই দেখাল না এতদিন ফোনে বা ভিডিও চ্যাটে যাকে পেয়েছিলাম, এই মানুষটি যেন তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা

আমাদের বিয়ের আর মাস বাকি এখন আমার মনে হচ্ছে এই মেয়েটির সঙ্গে কি দাম্পত্য সম্পর্কে আমি সুখী হব? কারণ আমাদের পরস্পরের মধ্যে মিলের চেয়ে অমিলটাই যেন বেশি

 

আপনার নেতিবাচক ভাবনাটা, অযৗক্তিক নয়। এখন তো আপনারা ছুটি কাটিয়ে যে-যার কর্মস্থলে ফিরে গেছেন। এবার তাহলে সরাসরি কথা বলুন আপনার বান্ধবীর সঙ্গে। যদি এটা সাময়িক মুড সুইং হয়, তাহলে এটা কোনও সমস্যাই নয়। কিন্তু ওর প্রকৃতি যদি বাস্তবিকই আপনার থেকে পৃথক হয়, তাহলে কিন্তু দাম্পত্যজীবনে সমস্যা তৈরি হবে। তার চোখে আপনি যদি বিয়ের আগেই ‘বোরিং’ হয়ে ওঠেন, তাহলে বৈবাহিক জীবনে সে কোনও উৎসাহই পাবে না। তাই তার মনোভাব বোঝার চেষ্টা করুন। কথা বলে যদি বোঝেন আপনাদের মত পার্থক্যটা বৃহত্তর ক্ষেত্রেও হচ্ছে, তাহলে বিয়ের সিদ্ধান্তে না এগোনোই ভালো। পরিবারকে জানিয়ে দিন এই বিয়ে হচ্ছে না।

 

আত্মহত্যাই কি তবে আমার শেষ পথ?

মাই লাইফ ইজ ইন টোটাল মেস আমার একটি মেয়ের সঙ্গে গত পাঁচ বছর ধরে প্রেম ছিল কিন্তু হঠাৎই ইনটার্নশিপ করার সময় আমি অন্য একটি মেয়ের প্রেমে পড়ি অন্য শহরে নির্বান্ধব অবস্থায় ওই মেয়েটিই আমার সবকিছু হয়ে ওঠে যদিও তার দিক থেকে আমি প্রেমের কোনও সাড়া পাইনি সে শুধুই বন্ধুত্ব রাখতে চেয়েছিল সে আমাকে চুমু খেতে দিতেও রাজি ছিল না এদিকে এই মেয়েটিকে নিয়ে আমি মনে মনে অনেক দূর এগিয়ে গেছি এর সঙ্গেই ভবিষ্যতে গাঁটছড়া বাঁধব ভেবে আমার আগের প্রেমিকাকে সব বলে ব্রেকআপ করেছি কিন্তু আমার বর্তমান বান্ধবী আমায় হতাশ করেছে আমি পুরোনো প্রেমিকার কাছে ফিরে যেতে চাই কিন্তু আমার আগের প্রেমিকাও এখন আমায় গ্রহণ করতে রাজি নয় এই অবস্থায় আমি ক্রমশ হতাশায় ডুবে যাচ্ছি আমার জীবনটাকে আমিই নষ্ট করলাম মনে হচ্ছে কী করি? আত্মহত্যাই কি তবে আমার শেষ পথ?

আপনি বেঁচে আছেন, নিঃশ্বাস নিচ্ছেন, এই সুন্দর পৃথিবীটাকে দেখতে পাচ্ছেন, এটা একটা বিরাট পাওয়া। তাই প্রেম শেষ হয়ে গেল মানেই জীবনটা রাখার কোনও মানে হয় না, এমন ভাববেন না। আপনি ইচ্ছাকৃত ভাবে আপনার পুরোনো প্রেমিকাকে ঠকিয়ে অন্য মেয়েটির সঙ্গে প্রেম করবেন, তা তো ভাবেননি। কিন্তু ঘটনাটা ঘটেছে। আপনার প্রেমিকা থাকা সত্ত্বেও আপনার জীবনে অন্য কেউ এসেছে এবং তাকে আপনি ভালোবেসে ফেলেছেন। এমনটা স্বাভাবিক ভাবেই হতেই পারে। এতে দোষের কিছু নেই। এদিকে আপনার নতুন প্রেমিকা আপনাকে একই ভাবে ভালোবাসতে পারেনি। তার জন্য তাকেও দোষ দেওয়া যায় না।

আপনি এই মুহূর্তে একা। পুরোনো প্রেমিকার কাছেও ফিরতে পারছেন না। এটা দুর্ভাগ্যজনক ঠিকই কিন্তু ভেবে দেখুন আপনাদের সম্পর্কে নিশ্চয়ই কোনও ফাঁক ছিল, নইলে আপনার জীবনে দ্বিতীয় নারী আসবেই কেন? তাই পুরোনো প্রেমিকার কাছে ফিরতে পারলেন না বলেই জীবন শেষ হয়ে গেল তা নয়। মুভ অন। কে বলতে পারে, হয়তো আপনার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করে আছে আগামী দিনগুলিতে।

বেডরুম-এ রোমান্স

আধুনিক জীবনশৈলীতে সবচেয়ে বেশি যে-জিনিসটির অভাব দেখা দিয়েছে, তা হল ইমোশনাল এক্সচেঞ্জ। দম্পতিদের মধ্যেও এটা ঘটছে, ফলে সম্ভোগের ক্ষেত্রে থেকে যাচ্ছে অপূর্ণতা। মন থেকে শরীরে, পরস্পরের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে চার দেয়ালের গুরুত্ব অপরিসীম। বেডরুম-ই একমাত্র দূরত্ব ঘুচিয়ে পূর্ণতর করতে পারে শরীরী প্রেমকে। এখানে নিজের ইচ্ছেকে অনেকটাই প্রাধ্যন্য দেওয়া যায়। মন আর শরীরকে মাতিয়ে তোলা যায় নিশ্চিন্তে। নিরাপত্তা রক্ষা করে চারটে দেয়াল আর ছাদ। কিন্তু চার দেয়ালের মধ্যে প্রেমকে পূর্ণতা দিতে হলে চাই উপযুক্ত আবহ। বর্ণ, গন্ধ, সাজ, শয্যা সবই হওয়া চাই আকর্ষণীয়।

দেয়ালের রং

শয়নকক্ষের দেয়ালের রং-এর এক আলাদা গুরুত্ব আছে। কারণ, দেয়ালের রং প্রভাবিত করে মনকে। রং-এর সংস্পর্শে যদি চোখ আরাম পায়, তাহলে মন আর শরীরও জেগে ওঠে। পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত তরঙ্গায়িত হয় প্রেমময় অনুভূতির আবেশে। আর এই সুখানুভূতি জাগাতে পারে দেয়ালের গোলাপি, আকাশি, বাদামি প্রভৃতি রং।

সাজান ছবি দিয়ে

আপনার বেডরুম-এ রাখুন পাখি, প্রজাপতি, ফুল প্রভৃতির সুন্দর ছবি। ফ্রেমবন্দি হতে পারে অরণ্যের সবুজ বা বিস্তীর্ণ বেলাভূমি– যার মাঝে আপনারা হারিয়ে যেতে পারবেন ওই একান্ত মুহূর্তে। আপনাদের রোমান্টিক ছবিও রাখতে পারেন ফ্রেমবন্দি করে। মোটকথা, ক্লান্তি, মানসিক চাপ দূর করে ফুরফুরে মেজাজ এনে দেবে এমন ছবি দিয়েই সাজিয়ে তুলুন আপনার শয়নকক্ষ।

আলো

অন্ধকার আর আলো থাকে হাত ধরাধরি করে। কারণ, অন্ধকারে প্রেম গাঢ় হলেও, শুভারম্ভ হয় আলো গায়ে মেখে। হালকা আলোয় পরস্পরকে আবিষ্কার করার মজাই আলাদা। তাই কম ওয়াটেজ-এর ল্যাম্পশেড যুক্ত নীল, সবুজ আলো দিয়ে সাজিয়ে রাখুন বেডরুম।

সুগন্ধি

গন্ধের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শয়নকক্ষে। ঘর সুন্দর গন্ধে ভরা থাকলে তৈরি হয় রোমান্টিক মুড। সন্ধেবেলা কয়েকটা রজনীগন্ধা কিংবা বেলফুলের মালা এনে ঘরে রাখুন। দেখবেন মেজাজ মিঠে হয়ে গেছে। আর যদি ফুল জোগাড় করতে না পারেন, তাহলে ঘরে অ্যারোমা ক্যান্ডেল কিছুক্ষণ জ্বালিয়ে রাখুন। জমে যাবে রোমান্স।

বিছানা

ঘরের মধ্যে বিছানা হল রোমান্স প্লে করার মঞ্চ। তাই মঞ্চ সাজিয়ে তো রাখতেই হবে। বিছানা, বালিশ হবে নরম তুলতুলে। বেডশিট হবে মসৃণ, ধবধবে সাদা। দেখবেন, রোমান্স-এ পাবেন স্বর্গীয় অনুভূতি।

ফ্রুটস

আঙুল, কলা, স্ট্রবেরি, সফেদা  কিংবা খরবুজা  কেটে একটা পাত্রে রাখুন বেডরুমে। রোমান্স করতে করতে যেমন টুকটাক মুখে পুরে স্বাদ নিতে পারবেন, ঠিক তেমনই এইসব ফলের গন্ধে মাদকতা জাগবে।

পর্দা

ঘরের দরজা-জানালার পর্দাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনকে স্নিগ্ধ করবে এমন পর্দা নির্বাচন করুন। বেছে নিন সাদা কিংবা হালকা একরঙা পর্দা। দেখবেন, ঘরের উপযুক্ত বর্ণ, গন্ধ, সাজ-শয্যার মিশেলে রোমান্স আলাদা মাত্রা পাবে।

স্পাইসি অ্যাপেল পকোড়া

শীত আসছে। এই সময়ই বাজারে পাবেন সুস্বাদু মিষ্টি আপেল। আপেলের  মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে  ফাইবার আর জল । গবেষণায় দেখা গিয়েছে লাঞ্চের আগে একটা গোটা আপেল খেলে পেট অনেকটাই ভর্তি লাগে। আপেলের জুস খেলে কিন্তু এটা হবে না। আবার দিনের প্রথম খাওয়াটাও  যদি আপেল দিয়ে শুরু করতে পারেন,তাতেও ঢের উপকার। প্রায় ৫০ জন ওভারওয়েট মহিলার ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গিয়েছে আপেল খেয়ে ১০ সপ্তাহে ১ কেজির বেশি ওজন কমেছে। একই ক্যালোরি এবং ফাইবার যুক্ত অন্য খাবার খেয়ে যা হয়নি।

দেশে বিদেশে আপেল দিয়ে নানা রকম মিষ্টি আইটেম তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু আমরা এনেছি একটি নোনতা ডিশ।এই আ্যপেল পকোড়া আপনার অতিথিদের মন ভরিয়ে দেবে। জেনে নিন রান্নার কৌশল।

উপকরণ – ১ কাপ ওট্‌সগুঁড়ো, ১ বড়ো চামচ কর্নফ্লাওয়ার, ১ টা আপেল কাটা, ১-২টো কাঁচালংকাকুচি, ১/২ ছোটো চামচ দারচিনিগুঁড়ো, ১/২ ছোটো চামচ গরম মশলা, ভাজার জন্য তেল।

প্রণালী – ওট্‌স ও কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে মিশিয়ে এতে নুন, দারচিনিগুঁড়ো, গরমমশলা ও কাঁচালংকা দিয়ে, অল্প জল দিয়ে গুলে নিন। এবার এতে আপেলের কুচি ডুবিয়ে গরম তেলে ভেজে নিন। মধুর সঙ্গে পরিবেশন করুন এই মিষ্টি পকোড়া।

 

মৌখিক ভদ্রতার পাঠ দিন সন্তানকে

 

জেদের বশে বাচ্চার অভদ্র আচরণ এবং অনাবশ্যক অভদ্র ভাষা ব্যবহার করা, অনেক অবিভাবককেই সহ্য করতে হয়। এতে দোষ শুধু কি বাচ্চাদেরই, না বড়োরাও এর জন্য অনেকটাই দায়ী?

প্রায়শই আমরা শুনতে পাই, ‘বাচ্চারা আজকাল একেবারেই বাচ্চাদের মতো ব্যবহার করে না।’ অনেক সময় সকলের সামনে বাচ্চা এমন কথাও বলে বসে, যাতে সেখানে উপস্থিত বড়োদের রীতিমতো লজ্জায় পড়তে হয়। আসলে বাচ্চার আচরণের অনেকটাই নির্ভর করে বাচ্চাটির সঙ্গে তার অভিভাবকদের সম্পর্ক এবং ব্যবহারের উপর। বাচ্চরা অনেক সময় যে যে অসভ্যতা করে সেগুলি হল–

বাড়ির কথা সকলের সামনে বলে দেওয়া

অনেক সময় বাচ্চা বাড়ির ভিতরের কথা যেমন মা-বাবার মধ্যে সম্পর্কের কথা অথবা বাইরে প্রকাশ্য নয় এমন কথা, সকলের সামনে বলে বসে। এতে মা-বাবাকে লোকজনের সামনে লজ্জায় পড়ে যেতে হয়।

বাড়িতে নিন্দে করা হলে বাইরে বলে দেওয়া

বাচ্চা নিজে থেকে যেমন লজ্জাজনক কিছু বলে ফেলে তেমনই বাড়িতে কাউকে নিয়ে বড়োদের আলোচনাও বাচ্চার মাথায় গেঁথে যায় এবং সেটা বাচ্চা-র মুখ থেকে এমন সময় প্রকাশ হয়ে পড়ে যা বড়োদের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে।

দরজার কলিংবেল বাজতেই সাত বছরের ছেলেটি দৗড়ে গেল দরজা খুলতে। ওখান থেকেই চেঁচিয়ে বলল, ‘মা কাকু এসেছে।’

‘কোন কাকু?’

ছেলেটি স্থান-কাল-পাত্র ভুলে উত্তর দিল, ‘আরে তোমরা যাকে বলো, যে ঠিক খাওয়ার সময়ই দেখে দেখে উপস্থিত হয়, সেই কাকু এসেছে। খাব না-খাব না করতে থাকে কিন্তু দিলে পুরোটাই খেয়ে নেয়।’

এটা বলার নয় যে ওই ভদ্রলোকের সামনে ছেলেটির মা-কে কতটা লজ্জায় পড়তে হয়েছিল।

অনেক সময় বাড়ির সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া হলেও বাচ্চা তার সম্পূর্ণ বিবরণ বাইরের লোকেদের কাছে প্রকাশ করে ফেলে। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে চাইলে, বড়োদের উচিত বাচ্চার সামনে এমন কোনও বিষয় নিয়ে চর্চা না করা যেটা বাচ্চার শোনার কোনও প্রয়োজন নেই। যে-ধরনের কথা বাচ্চার জন্য উপযুক্ত সেটাই শুধু ছোটোদের সামনে বলা উচিত।

কটূক্তি করা

কিছু কিছু বাচ্চা ছোটো থেকেই গালিগালাজ দিতে শিখে যায়। ওই বয়সে বাচ্চার সঠিক বুদ্ধি বিকশিত হয় না এবং গালিগালাজ করা যে শোভন নয়, সেটাও তার অজ্ঞাত থাকে। এই ক্ষেত্রে অভিভাবকদের খেয়াল রাখা প্রয়োজন যে বাচ্চা কোথা থেকে বা কার থেকে এই ধরনের ভাষা শিখছে। তারা নিজেরাই এর জন্য দায়ী নয়তো? অনেক পরিবারেই দেখা যায় রাগের মাথায়, গালাগালি দিয়ে কথা বলার অভ্যাস রয়েছে।

বাড়ির আর্থিক পরিস্থিতি বাইরের লোকের কাছে বলা

বাড়িতে হাজারও সমস্যা থাকলেও, সেই পরিস্থিতি প্রকাশ না করেই মানুষ সমাজে নিজের একটা পৃথক ছবি ধরে রাখার চেষ্টা করে যায়। অনেক সময় বাচ্চারা এই সমস্যাগুলো বাইরের লোকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলে ফেলে।

বাড়ির আর্থিক অবস্থা অনেক সময় ঠিক না হওয়ার কারণে কোনও অনুষ্ঠান বা গেট-টুগেদার থাকলে বাড়ির অনেক মহিলাই বান্ধবীর শাড়ি বা গয়না ধার করে পরে অনুষ্ঠান অ্যাটেন্ড করেন। হয়তো শাড়ি বা গয়নাটির সৗন্দর্যের কারণে প্রশংসিত-ও হন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত বাড়ির বাচ্চাটি এই ক্ষেত্রে অনেক সময় বলে ফেলে মায়ের বা দিদির শাড়িটি বা গয়নাটি অমুকের কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে আসা। এই ক্ষেত্রে পরিবারের সম্মান ধুলোয় মিশে যাওয়ার মতো হয়। বাড়ির আর্থিক অবস্থার কথা সকলের কাছেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

জোরে জোরে কথা বলা

অনেক বাচ্চাই খুব তাড়াতাড়ি রেগে যায় আর চিৎকার করে কথা বলে। বাড়ির লোকেরা হয়তো তার জেদ মেনেও নেন তাকে চুপ করাবার জন্য কিন্তু একবার এই অভ্যাস হয়ে গেলে বাইরের লোকের সঙ্গেও বাচ্চা একইরকম ব্যবহার করে।

বাড়িতে অনেক সময়েই অতিথিরা আসেন অথবা নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে অপরের বাড়িতেও মাঝেমধ্যেই যেতে হয়। অপর ব্যক্তিদের সামনে বাচ্চারা নিজের প্রতি অ্যাটেনশন ড্র করতে অনেক সময় মিথ্যা বায়না শুরু করে দেয় এবং চ্যাঁচামেচি করতে থাকে। এতে মা-বাবারা লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে অনেক সময় মিথ্যা বায়নাও মেনে নিতে বাধ্য হন।

শপিং-এর জন্য জেদ করা

মা-বাবার সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে অথবা শপিং করতে গিয়ে অনেক সময়েই চোখে পড়ে কিছু একটা কিনে দেওয়ার জন্য বাচ্চা বায়না করছে কিন্তু মা বাবা কিছুতেই সেটা কিনে দিতে রাজি নন। এতে বাচ্চা কেঁদেকেটে মাটিতে শুয়ে পড়ছে, জেদ দেখাচ্ছে। এমনও হয় উত্তেজিত হয়ে গিয়ে বাচ্চা মা-কে বা বাবাকে মারছে এমনও দৃশ্য চোখে পড়ে। এতে পাবলিক প্লেসে মা-বাবাকে লজ্জার মুখে পড়তে হয়।

খারাপ শব্দের ব্যবহার

বাড়িতে শাসন না থাকলে অথবা অতিরিক্ত আদরে বাচ্চা শুধু বাড়িতেই নয় বাইরে এমনকী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও সহপাঠীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং খারাপ শব্দও না বুঝেই বলে ফেলে।

বাচ্চাকে শেখান সঠিক ব্যবহার

  • সন্তানের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে বাচ্চাকে বড়ো করবেন, সেই দায়িত্বটা পুরোটাই কিন্তু বর্তায় মা-বাবার উপর। বাড়ি থেকেই বাচ্চা প্রথম শিক্ষালাভ করে সুতরাং প্রাথমিক ভাবে কী ধরনের শিক্ষা বাচ্চাকে দেওয়া হবে সেটা পুরোটাই নির্ভর করে অভিভাবকদের উপর।
  • ছোটো থেকেই বাচ্চার মধ্যে সু-অভ্যাস গড়ে তুলুন
  • সাইকোলজিস্ট-দের মতে প্রথম ৬ বছরে বাচ্চা যা শেখে তার ছাপ পড়ে সারাজীবনের উপর। সুতরাং শৈশব থেকেই বাড়িতে বাচ্চাকে সু-অভ্যাসের শিক্ষা দেওয়া উচিত।

সঠিক সঙ্গী নির্বাচন

বাচ্চারা স্কুলে এবং বাড়ির আশেপাশে কাদের সঙ্গে মিশছে বা বন্ধুত্ব করছে সেটা খেয়াল রাখা খুব দরকার। যদি কোনও বাচ্চার ব্যবহার খারাপ হয় অথবা কারও বাড়ির পরিবেশ খুব খারাপ হয়, তাহলে নিজের বাচ্চাকে তার সঙ্গে মিশতে দেবেন না।

বাচ্চার মুখে খারাপ কথা শুনলে তৎক্ষণাৎ জিজ্ঞেস করুন কার কাছ থেকে সে এই ধরনের কথা শিখছে। আশেপাশে কারও বাচ্চা হলে তার মা-বাবাকে ব্যাপারটা জানান। যদি স্কুল যেতে বাচ্চা খারাপ কথা শিখে আসে, তাহলে পেরেন্ট-টিচার্স মিটিং-এ বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করুন।

বাচ্চাকে সময় দিন। আধুনিক যুগে মা-বাবা সকলেই নিজের নিজের কাজ পেশা নিয়ে ব্যস্ত। বাচ্চাকে দেওয়ার মতো সময় কারও কাছেই নেই। কিন্তু এই ব্যস্ত জীবনেও তাদের উচিত হচ্ছে সন্তানকেও কিছুটা করে সময় দেওয়া। তাদের সঙ্গে আনন্দ উপভোগ করা। বাচ্চার শিক্ষার শুরু হয় মা-বাবার হাত ধরেই। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক এবং ব্যবহার কীরকম, সেটারও সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বাচ্চার শৈশব কীভাবে গঠিত হবে তার উপর।

সুতরাং বাড়িতে সকলের সঙ্গে বিশেষ করে বড়োদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখাটা একান্ত জরুরি যাতে বাচ্চার শিক্ষায় এবং জীবনে তার প্রভাব না পড়ে।

পড়ার জন্য সীমাহীন গল্প-নিবন্ধসাবস্ক্রাইব