দীপাবলি স্পেশাল: ফুলের মতো সুন্দর মুখশ্রী পেতে

প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন, উজ্জ্বল এবং দাগহীন মুখশ্রীর। ত্বক সুস্থ থাকলে নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আসে এবং মনও ভালো থাকে। এমন মুখশ্রী পেতে আপনার পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই কারণ আমরা আপনাকে ফুলের মতো সুন্দর মুখ পেতে এমন কিছু Face Pack তৈরির প্রক্রিয়া বলব, যা আপনি ঘরেই তৈরি করতে পারেন।

ত্বকের প্রকৃতি অনুযায়ী গাঁদা, গোলাপ, জুঁই, জবা, ল্যাভেন্ডার প্রভৃতি ফুল দিয়ে তৈরি ফেস প্যাকের নিয়মিত ব্যবহার ত্বককে দাগহীন ও উজ্জ্বল করে তুলতে পারে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই ফুলের ফেস প্যাকগুলি তৈরি করা যাবে।

১. গোলাপ এবং গমের মাস্ক

এটি তৈরি করতে, ২ চা চামচ গোলাপের পাপড়ি গুঁড়ো, ১ চা চামচ গমের ভুসি এবং ২ চা চামচ দুধ মিশিয়ে নিন। তারপর এটি মুখ এবং ঘাড়ে প্রয়োগ করুন এবং শুকিয়ে যেতে দিন। তারপর এটি ধুয়ে ফেলুন এবং মুখ মুছে ফেলুন। আপনার মুখে উজ্জ্বলতা আসবে।

২. জেসমিন এবং দইয়ের প্যাক

এই প্যাকটি লাগালে মুখের মৃত ত্বক দূর হবে এবং মুখের উজ্জ্বলতা বাড়বে। এর ফলে আপনাকে ফর্সা দেখাবে। এটি তৈরি করতে ১ চা চামচ দই, ১ চা চামচ চিনি এবং ১ মুঠো জুঁই ফুলের পাপড়ি পিষে নিন। মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে যেতে দিন, তারপর ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৩. ল্যাভেন্ডার এবং ওটস প্যাক

ল্যাভেন্ডার আপনার ত্বক স্ক্রাব করবে এবং ওটস আপনার ত্বককে সাদা করে তুলবে। এটি তৈরি করতে ১ চা চামচ ওটস পাউডার প্রস্তুত করুন। সেদ্ধ ল্যাভেন্ডার পাতা ফিল্টার করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটিতে ওটস পাউডার যোগ করুন এবং এটি মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। শুকানোর পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৪. গোলাপ এবং চন্দনের প্যাক

এই প্যাকটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো। এটি লাগালে মুখ থেকে পিগমেন্টেশন দূর হবে এবং মুখ পরিষ্কার হবে। এই প্যাকটি তৈরি করতে ৩টি মাঝারি আকারের গোলাপ নিয়ে সেদ্ধ করুন। তারপর এগুলি ফিল্টার করে পিষে চন্দনের গুঁড়ো এবং দুধ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখ এবং ঘাড়ে প্রয়োগ করুন এবং শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫. জবা ফুলের পাতা, গোলাপ এবং মুলতানি মাটি প্যাক

এটি একটি ব্রাইডাল প্যাক যা তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন ৯-১০ টি গোলাপের পাপড়ি, এক মুঠো জবা ফুলের পাতা এবং ১ চা চামচ মুলতানি মাটি এবং ১ চা চামচ দই। এই সমস্ত জিনিসের একটি পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে তালুতে হালকা জল প্রয়োগ করে মুখ স্ক্রাব করুন। তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। উজ্জ্বলতা আসবে আপনার মুখে।

৬. গাঁদা এবং শুকনো আমলা প্যাক

১ কাপ গাঁদা ফুলের পাপড়ি, ১ চা চামচ শুকনো আমলা গুঁড়ো, ২ চা চামচ দই এবং ১-২ চা চামচ লেবুর রস নিন। এটি তৈরি করতে গাঁদা ফুলের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়ো তৈরি করুন। তারপর এতে শুকনো আমলা পাউডার, লেবুর রস এবং দই মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে এবং ঘাড়ে প্রয়োগ করুন এবং শুকিয়ে যেতে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

 

 

দীপাবলি শুভ হোক ১০-টি পরামর্শে

আলোর উৎসব যথার্থই আনন্দে উদ্ভাসিত হোক, এটাই সকলের কাম্য। কিন্তু একটু অসাবধানতা আনন্দের মেজাজটাই নষ্ট করে দিতে পারে। ১০-টি পরামর্শ দিচ্ছেন উজ্জয়িনী সেন, যাতে দীপাবলির দিনটি আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

দীপাবলি মানেই হইহুল্লোড়, বাজির রোশনাই, আলোকমালায় আর প্রদীপে চেনা ঘরটিকে একেবারে নতুন করে তোলা। ছোটো-বড়ো সবাই যেন আলোর উৎসবে মেতে ওঠে, আগল খোলা আনন্দে গা ভাসিয়ে দেয়। কিন্তু সেই আনন্দ যেন হঠাৎই নিরানন্দে পরিণত না হয়, তার জন্য বিশেষ কয়েকটি জিনিস মেনে চলুন।

দীপাবলিতে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে আতসবাজি ছাড়ার সময়। ছোটোরা যখন রংমশাল, ফুলঝুরি, চরকি বা তুবড়ি জ্বালাবে, বড়োদেরও তাদের সঙ্গে থাকা জরুরি। অনেকেই সাহস দেখানোর জন্য বেপরোয়া ভাবে বিপজ্জনক বাজি মাটিতে না বসিয়ে, হাতের পাতায় রেখে অগ্নিসংযোগ করতে যায়। এ ধরনের ঝুঁকি একেবারেই নেওয়া উচিত নয়।

অসুস্থ, বৃদ্ধ, শিশু এবং অসহায় জীবজন্তুদের ব্যাপারে একটু মানবিক হবার চেষ্টা করুন। তাদের অসুবিধার কথা ভেবে তারা খুব কাছাকাছি থাকলে শব্দবাজি ফাটাবেন না। অনেকে কুকুরদের খুব হেনস্থা করে পাশবিক আনন্দ পায়। এসব কুকর্ম থেকে বিরত থাকুন।

কোনও বাজি যদি ফাটতে দেরি করে, সেটার কাছে এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয়বার অগ্নিসংযোগ করার চেষ্টা করবেন না। ঘরের ভিতর, অপরিসর গলিতে আতসবাজি না পোড়ানোই ভালো। আগুন নিয়ে খেলার আগে ভালো করে আশপাশ দেখে নিন, কোথাও দাহ্য কোনও বস্তু রয়েছে কিনা।

এসময় বাইরে থেকে আনানো ভাজাভুজি, মিষ্টি প্রভৃতি বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়। নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবেন না। ছোটোদের ওগুলি বেশি খেতে দেবেন না, যাতে দীপাবলির আনন্দটা হাসপাতালেই না মাটি হয়ে যায়।

বাজি পোড়ানোর সময় অতিরিক্ত ঘেরওয়ালা বা লেস, ফিতে লাগানো পোশাকআশাকের বদলে, আঁটোসাঁটো পোশাক পরুন। সিন্থেটিক জাতীয় কাপড় বর্জন করুন। সুতির জামাকাপড়ই বাজি পোড়ানোর সময় পরা বাঞ্ছনীয়।

Diwali fireworks

 

বিপদ কখনও বলে কয়ে আসে না। তাই বাজি পোড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে, আগে থেকেই ঘরে বালতি ভর্তি জল, কম্বল, বালি, ফ্রিজের আইস ট্রেতে বরফ এবং পুড়ে যাওয়ার স্থানে লাগানোর মতো ওষুধ মজুত রাখুন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা থাকলে, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ফার্স্ট এইড কিট প্রস্তুত রাখুন।

দীপাবলির উপহার আদানপ্রদানের সময় শুধু পরিজন-বান্ধবদের কথা না ভেবে, অনাথ বা পথশিশুদের কথাও একটু ভাবুন। বাজি এবং অন্যান্য উপহার পেয়ে ওদের মুখে যে হাসি ফুটে উঠবে, তাতে আপনার দীপাবলি আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

এই সময় উৎসব উপলক্ষ্যে দোকানগুলি নানা প্রোডাক্ট-এর উপর বিশেষ ছাড় দিয়ে থাকে। শুধুমাত্র প্রলোভনের বশবর্তী হয়ে অতিরিক্ত জিনিস কিনে না ফেলে, প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা তৈরি করে কেনাকাটি সারুন। কোনও বিশেষ অফারে কিছু কিনলে অবশ্যই তার শর্তাবলি দেখে নিন এবং সত্যিই তাতে আপনি লাভবান হচ্ছেন কিনা বিবেচনা করে, তবেই এই খাতে অর্থ ব্যয় করুন।

অনেক পরিবারেই, বিশেষ করে অবাঙালিদের মধ্যে, এদিন জুয়া ও মদ্যপানের আসর বসে। এই ধরনের ক্রিয়াকলাপ থেকে বিরত থাকুন। নিজের কষ্টের উপার্জন কোনও অর্থকরী স্কিমে বিনিয়োগ করুন।

প্রদীপ দিয়ে ঘরদোর সাজানোর সময় সতর্ক থাকুন, যাতে পর্দা প্রভৃতি ঝুলে না থাকে। এই ব্যাপারে সতর্ক হলে বড়োসড়ো অগ্নিকাণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

দীপাবলিতে খুশি রাখুন প্রিয়জনকে

দীপাবলি উপলক্ষ্যে বরের কাছ থেকে কী উপহার পাবে, তা আগেই জেনে যায় মিমি। কারণ, মিমির কী চাই তা জেনে নিয়ে সেইমতো উপহার কেনে মিমির বর। কিন্তু বরের এইরকম উপহার কেনার ধরন পছন্দ হয় না মিমির। উপহার পাওয়ায় চমক থাকলেই ভালো লাগে ওর। তাই আগামী দীপাবলিতে উপহার দেওয়ার আগে যাতে জিজ্ঞেস না করে, বরকে সেই অনুরোধ করেছে মিমি।

তবে, মিমির মতো না হলেও, উপহার পাওয়ার ব্যাপারে রুবিরও অন্যরকম সমস্যা রয়েছে। বিয়ের পর প্রথম কয়েকবছর দীপাবলিতে বরের কাছ থেকে ভালো উপহার পেত রুবি। কিন্তু তারপর ব্যস্ততার কারণেই হোক কিংবা যে-কোনও কারণেই হোক, রুবিকে আর উপহার দেয়নি ওর বর। তাই প্রায় পাঁচ বছর উপহার পাওয়া বন্ধ থাকার পর হঠাৎই বরের কাছ থেকে হিরের আংটি উপহার পেয়ে কেঁদে ফেলেছিল রুবি। আর রুবির কান্নার কারণ বুঝতে পেরে ওর বর জানিয়েছিল, পাঁচবছর কোনও উপহার না দিয়ে, টাকা জমিয়ে হিরের আংটি উপহার দিতে পেরেছে সে।

আসলে, মিমি এবং রুবি এই দুই বন্ধুর উপহার পাওয়ার সুখ-দুঃখের বিষয়টিই তুলে ধরা হল মাত্র। কিন্তু উপহার পাওয়া নিয়ে এমন আরও অনেক ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে ছোটোগল্পও লেখা যায় অনায়াসে। যেমন— ‘গিফ্‌ট অফ দ্য ম্যাজাই’ গল্পটির বিষয়ই ধরা যাক। স্বামী এবং স্ত্রী পরস্পরকে ভীষন ভালোবাসে। দু’জনেই চায় একে অন্যকে সেরা উপহার দিতে। কিন্তু হঠাৎ আয় কমে গিয়ে ওরা মনের ইচ্ছেপূরণ করতে পারে না। অবশেষে দুজনে নিজের মতো ভেবেচিন্তে একটা উপায় বের করে। স্বামীর সুন্দর হাতঘড়ির ছেঁড়া বেল্টের পরিবর্তে ভালো বেল্ট উপহার দিতে চায় স্ত্রী এবং স্ত্রীর সুন্দর চুলের পরিচর্যার জন্য ভালো একটা চিরুনি উপহার দিতে চায় স্বামী। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এই দুটো ভালোবাসার উপহার দিতে গিয়ে স্ত্রী বিক্রি করে দিয়েছে তার মাথার অমূল্য চুল এবং স্বামী বিক্রি করে দিয়েছে তার দারুণ হাতঘড়িটা। এভাবেই উপহার নিয়ে নানা সুখ দুঃখের স্মৃতি বহন করে চলেন অনেকেই।

আসলে, একজনের সঙ্গে অন্যজনের সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করে উপহার। তাই কাকে, কখন, কোন্ উপহার দেবেন— তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উপহারের রকমফের

উপহার নানা রকমের হয়। কিন্তু, এই নানারকম উপহার দেওয়া-নেওয়ার বিষয়ে অনেকে বেশ চাপে থাকেন। বিশেষ করে, দীপাবলি উপলক্ষ্যে কী উপহার দেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না অনেকে। কিন্তু, উপহার এমন হওয়া চাই, যা সবার নজর কাড়বে এবং উপহার প্রাপকের মন জয় করবে। যেমন, স্ত্রীকে স্বামীর এমন উপহার দেওয়া উচিত, যাতে স্ত্রীর মনে খুশির বন্যা বয়ে যায়। অবশ্য শুধু নিজের ক্ষেত্রেই নয়, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে দীপাবলি অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলে কী উপহার দিলে সম্মান রক্ষা হবে এবং সম্পর্ক মজবুত হবে, সেই বিষয়েও অনেকের কপালে ভাঁজ পড়ে।

সবচেয়ে মজার কথা, সবাই চান কম টাকায় ভালো গিফ্‌ট কিনতে কিন্তু কী কিনবেন তা ঠিক করে উঠতে পারেন না। তবে বিবেচকদের মতে, মোটা টাকার বিনিময়ে উপহার কিনে দিয়ে দম্ভ জাহির না করে, এমন উপহার দিন, যার বিচার মূল্য দিয়ে হবে না, অন্তর ছুঁয়ে যাবে, স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সবাই জানেন, উপহারের রকমফের আছে। যেমন— শো পিস, পেন, ঘড়ি, সানগ্লাস, জামা-প্যান্ট, শাড়ি, সালোয়ার, বেডকভার, ফোটো অ্যালবাম, পুতুল, ফুলদানি, ব্যাগ, ছাতা, ফুলের তোড়া, গিফ্‌ট ভাউচার প্রভৃতি সাধারণ উপহারের মধ্যে পড়ে। রুচিশীল উপহারের মধ্যে রয়েছে বই, মিউজিক অ্যালবাম, বাদ্যযন্ত্র, কালার টেবিল ল্যাম্প, পেন্টিং, অ্যাকোয়ারিয়াম প্রভৃতি। আর বহুমূল্য উপহারের মধ্যে রয়েছে টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল, ট্যাব, ল্যাপটপ, মিউজিক সিস্টেম, জমি-বাড়ি-ফ্ল্যাট, গাড়ি, ফিক্সড ডিপোজিট এমন আরও অনেক কিছু। এছাড়া রয়েছে আবেগমিশ্রিত উপহার। যেমন— মা, বাবা, ভাই, বোন কিংবা স্ত্রীর আদেশ কিংবা অনুরোধে ধূমপান কিংবা মদ্যপান ছেড়ে দেওয়া।

সেরা উপহার

প্রত্যেক মানুষই ভিন্ন স্বভাব এবং ভাবধারা নিয়ে বেড়ে ওঠেন। তাই, সবাইকে একইরকম উপহার দিয়ে সমান ভাবে খুশি করতে পারবেন না। অতএব, কে কেমন স্বভাবের এবং কী উপলক্ষ্যে উপহার দিচ্ছেন তা জেনে-দেখে নিয়ে তবেই উপহার দিন। নয়তো, সবই বিফলে গিয়ে আপনি মর্মাহত হবেন। যেমন— কেউ চায় ব্যবহার্য সামগ্রী, কেউ চায় শৌখিন জিনিস, কেউ চায় দামি কিছু, কেউবা আবার হয়তো আবেগমিশ্রিত ব্যক্তিগত কিছু ইচ্ছের বাস্তবায়ন চায় উপহারকে উপলক্ষ্য করে।

আর এই আবেগমিশ্রিত উপহারগুলির মধ্যে হয়তো মনের মানুষের দেশ-দেশান্তরে বেড়ানোর ইচ্ছেপূরণ করতে হতে পারে, তাড়াতাড়ি সন্তান চাইলে তাও দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে কিংবা ভাড়াবাড়ি ছেড়ে স্থায়ী ঠিকানার বন্দোবস্তও করতে হতে পারে। শুধু তাই নয়, ধূমপান, মদ্যপান-এর মতো ‘কুঅভ্যাস’ ত্যাগ করানোকেও অনেকে সেরা উপহার মনে করেন।

যা করা অনুচিত

  • ছোটো বাচ্চাকে দামি মোবাইল কিংবা খেলনা আগ্নেয়াস্ত্র উপহার দেবেন না।
  • সাধ থাকলেও, যদি সাধ্য না থাকে, তাহলে টাকা ধার করে উপহার কিনে দেবেন না।
  • নগদ অর্থ উপহার দিতে চাইলে, খামে না ভরে দেবেন না।
  • বাড়িতে একাধিক বাচ্চা থাকলে বিভিন্নরকম উপহার দেবেন না।
  • নরম মনের মানুষকে উপহার দেওয়া নিয়ে রঙ্গ-রসিকতা করবেন না কিংবা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
  • উপহার পছন্দ না হলেও, মনে আঘাত দিয়ে কোনও কথা উপহারদাতাকে বলবেন না।
  • উপহার দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক বিচার করবেন না।

মিষ্টি নোনতা স্ন্যাক্স-এর মজা (শেষ পর্ব)

বাচ্চারা দিনের অনেকটা সময়ে স্কুলে থাকে। এতটা সময় চোখের আড়ালে থাকার ফলে খাওয়াদাওয়া, জল খাওয়ার বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে আপনার সন্তানকে কী টিফিন দিচ্ছেন, সেটা কিন্তু জরুরি। লুচি, পরোটা, নুডলসের বদলে অন্য কিছু দিন। তাটে পেটও ভরে আবার মুখের স্বাদও বজায় থাকে৷

মালাইসুজি রেক্ট্যাঙ্গেলস

উপকরণ:  ৩/৪ কাপ মালাই, ১/৪ কাপ সুজি, ৪টি ব্রেড স্লাইস, ২টো পেঁয়াজ কুচি করা, ১ বড়ো চামচ সবুজ, লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম কুচি করা, ২টো কাঁচালংকা কুচোনো, প্রয়োজন অনুযায়ী ঘি, স্বাদমতো নুন ও গোলমরিচের গুঁড়ো।

প্রণালী : মালাই (সর) ফেটিয়ে এর মধ্যে সবজি, নুন, সুজি এবং গোলমরিচ মেশান। ব্রেডের ধার কেটে নিয়ে দু’পিঠে এই মিশ্রণ চারিয়ে দিন। ননস্টিক প্যানে ঘি গরম করে, ব্রেড-এর দু’পিঠ ভালো ভাবে বাদামি করে ভেজে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

ভেজি ফ্রেঞ্চ টোস্ট

vegi_egg_toast recipe

উপকরণ

৭ থেকে ৮ রুটি স্লাইস, ১ থেকে ২ টেবিল চামচ মাখন, ২ চামচ তাজা ধনে পাতা, ২ থেকে ৩ টি কাঁচা লঙ্কা, ২ চামচ টম্যাটোকুচি, ১চামচ সবুজ ক্যাপসিকামকুচি, ২ চামচ লাল পেঁয়াজকুচি, ৩টি বড়ো ডিম, ১/২ কাপ ফুল ফ্যাট যুক্ত দুধ, নুন এবং মরিচগুঁড়ো স্বাদ অনুযায়ী৷

প্রণালী

একটি ফ্ল্যাট প্যান-এ কিছুটা মাখন গরম করুন এবং এটি পুরো প্যানে ছড়িয়ে দিন।পাউরুটি বাদ দিয়ে বাকি সব উপকরণ একটা বাটিতে নিন৷ ডিম ফাটিয়ে এই বাটিতে দিয়ে ভালো করে ফেটান৷পাউরুটি ত্রিবুজ করে কেটে নিন৷ ডিমের মিশ্রণে একটি পাউরুটির টুকরো ডোবান৷ তারপর প্যানে ভাজতে দিন৷ খেয়াল রাখবেন, প্রতিটি পাউরুটির স্লাইস প্রায় ১০ থেকে ২০ সেকেন্ডের জন্য সবজি আর ডিমের মিশ্রণে ডুবিয়ে তারপর প্যানে ভাজতে দিন।মাঝারি আঁচে দুপিঠ সোনালি বা বাদামি হওয়া পর্যন্ত টোস্ট করুন৷তারপর মরিচগুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবশন করুন৷

বিস্কুটি লাড্ডু

Biscuit Laddu recipe

উপকরণ:  ১২টা ডাইজেস্টিড বিস্কুট, ১৫০ গ্রাম শুকনো পেঠা, ১/২ কাপ নারকেলকোরা, ১ বড়ো চামচ বাদামের গুঁড়ো, ১৪ কাপ টুটি ফ্রুটি, ১/৪ ছোটো চামচ এলাচগুঁড়ো, ২ বড়ো চামচ বাদাম ফ্লেক্‌স, ২ বড়ো চামচ পেস্তা ফ্লেক্‌স।

প্রণালী : ইলেকট্রিক হ্যান্ড চপারের সাহায্যে বিস্কুট গুঁড়িয়ে নিন। পেঠাগুলোও চপারে ম্যাশ করে নিন। বিস্কুটের গুঁড়ো ও পেঠার গুঁড়ো বাকি সমস্ত উপকরণের সঙ্গে মেখে, লাড্ডু গড়ে নিন।

Apex Prime-এ দেখুন ওয়েব-সিরিজ ‘হস্তিনাপুর’

সম্প্রতি আনুষ্ঠানিক ভাবে লঞ্চ করা হল ‘হস্তিনাপুর’ ওয়েব-সিরিজের অফিসিয়াল ট্রেলার। সৌম্যজিৎ গাঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত এই ওয়েব সিরিজটি এখন Apex Prime OTT প্ল্যাটফর্মে স্ট্রিমিংয়ের অপেক্ষায় আছে বলে জানানো হয়েছে। পরিচালক নিজেই লিখেছেন এই ওয়েব-সিরিজের কাহিনি এবং চিত্রনাট্য। প্রোজেক্ট-হেড সৌমিতা দাস। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন এস এস মণ্ডল।

‘হস্তিনাপুর’ ওয়েব-সিরিজটি ক্ষমতার লড়াই এবং সম্পর্কের জটিলতায় সমৃদ্ধ বলে জানানো হয়েছে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। আরও জানানো হয়েছে, একদল বন্ধু ব্ল্যাকমেইলের এক বিপজ্জনক খেলায় জড়িয়ে পড়বে এই কাহিনিতে। Varchaswaa Media Private Limited এই ওয়েব-সিরিজটি প্রযোজনা করেছে।

এই সিরিজটিতে ঋতুরাজ কে সিং, পারস মাদান, শিব রিন্দানি, শ্বেতা খান্দুরি এবং সাইনি দীক্ষিত অভিনয় করেছেন বিভিন্ন চরিত্রে। সেইসঙ্গে, রবি ভাটিয়া, আখতার সিদ্দিক, তেজদীপ গিল এবং রোহিত কেপি-কেও অভিনয় করতে দেখা যাবে এই ওয়েব-সিরিজে।

মুখ্য চরিত্র মিসেস সঙ্গীতা মিশ্র-র মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শ্বেতা খান্দুরি। জনপ্রিয় অভিনেতা শিব রিন্দানি এই সিরিজে এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চরিত্রে রূপদান করেছেন বলে জানানো হয়েছে। একজন বিশিষ্ট বিধায়কের ভাই এবং মাফিয়া ডনের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে তাঁকে।  দক্ষ অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে নিজের খুশি ব্যক্ত করেছেন সাইনি দীক্ষিত। এক অপরাধমূলক চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ার পরও কীভাবে নিজেকে প্রোটেক্ট করবেন এবং প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখবেন, তা-ই প্রতিফলিত হবে তাঁর চরিত্রটির মাধ্যমে।

আদিত্য নারায়ণের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে ঋতুরাজ কে সিং-কে। এই সিরিজে কাজ করতে পেরে নিজের ভালোলাগার কথা জানিয়েছেন ঋতুরাজ।   চেইন-স্মোকার গাট্টুর ভূমিকায় অভিনয় করে ভীষণ খুশি বলে জানিয়েছেন পারস মাদান। এমন একটি সুন্দর কাহিনিকে দর্শকদের উপহার দিতে রাজি হওয়ার জন্য Apex Prime OTT প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পারস। এই ওয়েব সিরিজে ইন্সপেক্টর শরৎ চৌধুরীর ভূমিকায় দেখা যাবে তেজদীপ গিল-কে এবং সন্তোষের চরিত্রে দেখা যাবে রোহিত কেপি-কে।

‘হস্তিনাপুর’-এর পুরো টিম শ্রোতাদের অ্যাপেক্স প্রাইম অ্যাপ ডাউনলোড করতে অনুরোধ করেছেন এবং এই ওয়েব-সিরিজটি উপভোগ করতে বলেছেন।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, Apex Prime OTT একটি সাবস্ক্রিপশন-মুক্ত অ্যাপ বলে জানানো হয়েছে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। আরও জানানো হয়েছে, এই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ, শর্ট ফিল্ম এবং রিয়েলিটি শো প্রদর্শনের ব্যবস্থা রেখেছে। সেইসঙ্গে Apex Prime OTT প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষ অঙ্গীকার করেছেন যে, কোনও সাহসী বা আপত্তিকর দৃশ্য বর্জিত ওয়েব-সিরিজ, শর্ট ফিলম এবং রিয়ালিটি শো-ই শুধু প্রদর্শিত হবে এই প্ল্যাটফর্মে। তাই পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে বিনোদন উপভোগ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে। ক্রাইম, সাসপেন্স,  ড্রামা, কমেডি সহ বিভিন্ন জেনারে মানসম্পন্ন কন্টেন্ট সমৃদ্ধ প্রোজেক্টগুলি সব বয়সের দর্শকদের আকর্ষণ করবে বলে-ই দাবী করা হয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-টির পক্ষ থেকে।

ড্রেসিং সেন্স-এ সাবলীল

বদলে যাওয়া ঋতুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলায় ফ্যাশনের বহতা স্রোত । আপনি যদি সেই স্রোতের অনুসারী হয়ে থাকেন— তাহলে আপনাকেও সময়ে সময়ে ওয়ার্ডরোব-টিতে মৃতসঞ্জীবনী সঞ্চার করতে হবে। বদলে ফেলতে হবে পোশাকের কাট-ছাঁট। জীবন্ত রঙে ফিরিয়ে আনতে হবে ফ্যাশনের জোয়ার।

বাজার ছেয়ে গিয়েছে ট্রেন্ডি ক্রপ টপ এবং হাই ওয়েস্ট জিনস-এ।কিন্তু এই পোশাক মধ্য বয়সিদের ঠিক মানায় না৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ডৌলেও পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। এথনিক পোশাক  এক্ষেত্রে আপনার সহায় হবে৷ তাই কেনাকাটি করতে যাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি টিপস রইল আপনাদের জন্য।

একটু লম্বা ঝুলের কুর্তি এখন ফ্যাশনে ইন। কিনে ফেলুন রাউন্ড শেপড কুর্তি। ওই পোশাকের সঙ্গে পরুন লেগিংস বা সিগারেট প্যান্ট। পরতে পারেন পালাজোও। কানে থাকুক একটু বেশি ঝুলের কানের দুল। কে বলতে পারে এই লুকেই হয়তো কতজনের মন চুরি করে ফেলবেন আপনি।

শাড়ি থাকবে না তা হতেই পারে না। কিন্তু একঘেয়ে তাঁত কিংবা সিল্ক ছেড়ে এবার মন দিন অন্য দিকে। কারণ বর্তমানে ফ্যাশনে ইন হ্যান্ডলুম আর নানা প্রদেশের সিল্ক। থ্রি কোয়ার্টার কিংবা স্লিভলেস ব্লাউজের সঙ্গে  শাড়ি পরে আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজেকে চিনতে পারবেন না আপনি।

শাড়ি পরার সময়ে বিশেষ কয়েকটি টিপস সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। নাহলে সাজটাই মাটি হবে। পেটিকোটের রং এবং ফিটিংসের দিকে খেয়াল রাখুন। ব্লাউজের ফিটিংসের দিকে অবশ্য়ই লক্ষ্য রাখুন। শাড়িতে  মাত্রারিক্ত সেফটিপিন লাগাবেন না। এতে সাজটাই নষ্ট হয়। এসব টিপস সঙ্গে রাখুন, আপনাকে শাড়িতে এতটাই সুন্দর দেখাবে যে কেউ আপানর থেকে চোখে ফেরাতে পারবে না।

অনেকেই পশ্চিমী পোশাক পরতে পছন্দ করেন। আপনারও কি সেরকমই প্ল্যান রয়েছে? সেক্ষেত্রে কয়েকটি দিকে খেয়াল রাখুন। পোশাকের সঙ্গে মানানসই অন্তর্বাস পরুন। ভুল অন্তর্বাস পরলে আপনার সাজটাই মাটি হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে সঠিক অ্যাকসেসরিজ দিয়ে লুকটিকে পার্ফেক্ট করে তুলতে হবে। তবেই না পাবেন ফ্যাশনিস্তার তকমা!

প্রয়োজনে নিজের ডিজাইন সেন্স থেকেই অদলবদল করে নিতে হবে পুরোনো হয়ে যাওয়া পোশাকগুলির মলিন চেহারা। এক কথায় শ্রী ফিরিয়ে আনতে হবে ওয়ার্ডরোব এবং নিজের।

পুরোনো শাড়ি দিয়েও করতে পারেন ফ্যাশন মেকওভার। পুরনো শাড়ি যা বহু বার পরেছেন  অথচ সেটি খুব প্রিয় বলে বাতিল করতেও পারছেন না—তা দিয়ে কিন্তু নতুন স্টাইলের ড্রেস বানিয়ে নিতে পারেন। দরকার একটু সৃজনশীলতা আর একটু বুদ্ধি খরচ, তাহলেই বাজেটের মধ্যেই ফ্যাশন মেকওভার করতে পারেন।

ওয়ান-পিস গাউন সবাই পরতে ভালোবাসে আর এখন এটা ফ্যাশন ট্রেন্ডেও ইন। একরঙা গাউন হোক কিংবা প্রিন্টেড অথবা প্যাচওয়ার্ক করা, যেরকমই হোক না কেন আপনি কিন্তু আপনার পুরোনো শাড়ি দিয়ে দিব্যি একটা ওয়ান-পিস গাউন তৈরি করে নিতে পারেন এবং সেটাও কম খরচে।

ফিউশন স্কার্ট খুব ভালো লাগে দেখতে। পুরনো শাড়ি কেটে যদি স্কার্ট বানাতে চান তাহলে চেষ্টা করুন প্রিন্টেড শাড়ি দিয়ে তৈরি করানোর। প্রিন্টেড স্কার্ট আজকাল খুব চলছে।আপনার পছন্দ মতো যে-কোনও টপের সঙ্গে আপনার এই স্কার্ট কিন্তু দারুন লাগবে দেখতে। আর এতে বেশি খরচও নেই।

এক রঙের কোনও শাড়ি আর তাতে পাড় বসানো থাকলে তা থেকে আনারকলি বানিয়ে নিন। আনারকলি বানানোর অনেক কাপড় লাগে যেহেতু আনারকলিতে অনেক কুঁচি হয় আর ফল বেশি হয়, আর সেই কাপড়টা আপনি আপনার পুরনো শাড়ি থেকে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। ব্যস এবার  আপনি আসন্ন উৎসবে অংশ গ্রহণ করতে একদম রেডি৷

দীপাবলি স্পেশাল চুলের Style

উৎসবের মরশুমে সবাই বাড়ি সাজাতে পছন্দ করেন। এই সময়ে বাড়ি ছাড়াও পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে নতুন চেহারা, পোশাক, চুল এবং মেক-আপ ঠিকঠাক করার চেষ্টা করেন। এজন্য পার্লারে গিয়েও নিজেদের চেহারা বদলাতে দ্বিধা করেন না। গত ৩৫ বছর ধরে এই পেশায় থাকা গোদরেজ প্রফেশনাল-এর এডুকেশন অ্যাম্বাসেডর আশা হরিহরন বলেন, আজকের মহিলারা বিভিন্ন Hair Style পছন্দ করেন।

১. ত্বকের টোন অনুযায়ী রং

ত্বকের টোন অনুযায়ী চুল রং করা পরনের পোশাককে আরও স্টাইলিস্ট করে তোলে। লোকেরা ট্রেন্ডি এবং নন-ট্রেন্ডি রং পছন্দ করেন। ময়ূরকণ্ঠী নীল রং এমন মহিলাদের পছন্দ যারা খুব হাসিখুসি, ফানলাভিং এবং অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন এবং এই রং তাদের জন্য উপযুক্তও বটে। এতে কানের নীচে ভাইব্রেনট রং এবং এর উপরে গাঢ় রং ব্যবহার করা হয়।

২. এই চুলের রং অফিসের জন্য পারফেক্ট

কর্মরতা মহিলাদের জন্য সেরা চুলের রং হল বাদামি। অফিসে ফর্মাল লুক পছন্দ করা হয়, তবে উৎসব বা পার্টিতে ফানলাভিং মহিলাদের জন্যও এটি একটি ভালো রং। দ্বিতীয়ত এটি ভারতীয়দের চুলের জন্য খুব ভালো, কারণ আমাদের ত্বকের টোন সাধারণত হালকা এবং মাঝারি হয়। ব্রাউনেরও বিভিন্ন শেড রয়েছে, যেমন কফি ব্রাউন, অ্যাশ ব্রাউন, পার্পল ব্রাউন প্রভৃতি। এর জনপ্রিয়তার কারণ ফ্যাশনে রেট্রো লুক নিয়ে আসা।

৩. ব্যক্তিত্ব-ভিত্তিক রং

চুলের রং একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের উপর ভিত্তি করে যদি করা হয়, তাহলে এটি সেই ব্যক্তির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আশা জানিয়েছেন যে তিনি এখন এখানেও Blond Hair Colour নিয়ে কাজ করছেন। এটি পশ্চিমের দেশগুলিতে খুব জনপ্রিয়। যারা চুল রং করার পেশায় আছেন তারাই  হাই লাইট কালার করার কাজ করেন। এছাড়াও Blond Hair Colour-এর অনেক রং রয়েছে।    উদাহরণস্বরূপ, Ash Blond Hair Colour-এর রুপোলী টোন বেশি থাকে, প্ল্যাটিনাম Blond Hair Colour হয় লাইট শেডের, ভ্যানিলা Blond Hair Colour-এ ক্রিম রঙের Blond রয়েছে, Gold Blond Colour-এর সোনালি আভা রয়েছে।

৪. লাইফস্টাইল অনুযায়ী

লাইফস্টাইল অনুযায়ী Blond Colour ব্যবহার করা হয়। এতে অনেক ক্যালকুলেশন রয়েছে যা একমাত্র স্যালনেই করা যায়। এতে চুলের ক্ষতি না করে চুল রং করা একটা চ্যালেঞ্জ। এই উৎসবে, ব্রাউনের সাথে Blond বা ব্রাউনের সাথে লাল রঙের সাযুজ্য ফ্যাশন এ ভীষণ ভাবে ইন। এ ছাড়া ময়ূরকণ্ঠী নীল, লাল, বাদামি ইত্যাদিও এই উৎসবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. চুল রং করার পরে কিছু সাবধানতা

১) সমস্ত রং অ্যামোনিয়া মুক্ত, তাই এর ফরমুলেশন হালকা হওয়া উচিত

২) সঠিক রং নির্বাচন করা জরুরি

৩) রং-টি এমনভাবে প্রয়োগ করা উচিত যাতে এটি মাথার ত্বককে সুরক্ষিত রাখে

৪) কালার প্রোটেকশন শ্যাম্পু লাগানো উচিত যাতে ৬ মাস পরেও চুল সুন্দর থাকে।

মিষ্টি নোনতা স্ন্যাক্স-এর মজা (পর্ব ১)

বাচ্চাদের আজকাল বাইরের খাবারের প্রতি প্রবল আসক্তি৷ চট করে সুইগিতে অর্ডার দিলেই যেখানে মুখরোচক খাবার হাজির, সেখানে তারা বাড়ির খাবার খেতে চাইবে কেন? অথচ রোগ  প্রতিরোধ শক্তি স্বাভাবিক ভাবেই বড়োদের চেয়ে কম হয় ছোটোদের। ফলে এই  উৎসবের মরসুমে বাড়ির খুদে সদস্যটির প্রতি বাড়তি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। বাড়িতেই ছোটোদের পছন্দের নোনতা-মিষ্টি ডিশ বানিয়ে দিন৷ এতে ওরা সুস্থও থাকবে আবার মুখের স্বাদও বদলাবে৷

তিলপনিরের কিউবস

উপকরণ : ৩০০ গ্রাম পনিরের টুকরো, ২ বড়ো চামচ টম্যাটো সস, ১ বড়ো চামচ রেড চিলি সস, ২ বড়ো চামচ সাদা তিল, ২ বড়ো চামচ আদা-রসুন পেস্ট, স্বাদমতো গোলমরিচের গুঁড়ো, স্বাদমতো তেল, নুন পরিমাণমতো।

প্রণালী : একটা প্যানে তেল গরম করে আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার টম্যাটো এবং চিলি সস পনিরের টুকরোর উপর দিয়ে ভালো ভাবে মাখিয়ে নিন। নুন ও গোলমরিচের গুঁড়োও দিন। এই মশলা মাখানো পনির প্যানে দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার তিল দিয়ে আরও কিছুক্ষণ সঁতে করুন। পনির কিউবস গ্রিন চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ফ্রায়েড কর্ন

Fried Corn recipe

উপকরণ: ২০০ গ্রাম ভুট্টার দানা, ১ কাপ কর্নফ্লাওয়ার, ১/২ ছোটো চামচ গোলমরিচগুঁড়ো, ২ বড়ো চামচ চালের গুঁড়ো, ভাজার জন্য তেল, নুন ও লংকাগুঁড়ো স্বাদমতো।

প্রণালী: ভুট্টার দানা ২ মিনিট অল্প নুন দিয়ে জলে সেদ্ধ করে নিন। এবার একটা কিচেন টাওয়েলের উপর চারিয়ে দিন যাতে জল শুকিয়ে যায়। একটা বোল-এ কর্নফ্লাওয়ারের সঙ্গে সমস্ত শুকনো মশলা আর চালের গুঁড়ো মেশান। শুকনো অবস্থাতেই এই মিশ্রণ ভুট্টার দানার উপর ছড়িয়ে দিন। ভালো ভাবে এই মিশ্রণ ভুট্টার উপর কোটিং হয়ে যাবে। কড়ায় তেল গরম করুন। অল্প অল্প করে ভুট্টার দানা ডিপ ফ্রাই করুন। সার্ভ করুন চায়ের সঙ্গে।

সুইট দালিয়া

Sweet Dalia recipe

উপকরণ:  ১/২ কাপ দালিয়া, ১/৩ কাপ গুড়ের গুঁড়ো, ৩ বড়ো চামচ নারকেলকোরা, ২টো এলাচ গুঁড়ো করা, ১/২ ইঞ্চি দারচিনির টুকরো, ১ বড়ো চামচ বাদাম ফ্লেক্স, ১ বড়ো চামচ পেস্তা ফ্লেক্‌স, ২ বড়ো চামচ দেশি ঘি, ১০-১২টা কেসরের ছড়া দুধে ভেজানো।

প্রণালী : একটা প্রেশার কুকারে ঘি গরম করে এলাচ ও দারচিনি ভেজে নিন। এবার এতে দালিয়া ঢেলে ১ মিনিট নাড়াচাড়া করুন এবং ১/২ কাপ জল দিয়ে একটা সিটি হতে দিন। প্রেশার বেরিয়ে যাওয়ার পর ২-৩ মিনিট ঢিমে আঁচে রান্না করুন। এবার এতে গুঁড়ো করা গুড় দিন এবং আঁচ বাড়িয়ে রান্না হতে দিন। শুকনো হয়ে এলে নারকেলকোরা আর কেসর দিন। বাটিতে ঢেলে কুচোনো মেওয়া ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

দুর্গা (শেষ পর্ব)

শেষ পর্ব

গিরিডি স্টেশন আসতেই শুভায়ুর মন থেকে দুর্গার কথা কর্পূরের মতোই উবে গেছিল। তার কারণ পাটনার মতো অজানা অচেনা জায়গায় গিয়ে কোথায় উঠবে, কোথায় থাকবে সেটাই ছিল তখন চিন্তার বিষয়। কথায় বলে জীব দিয়েছেন যিনি, আহার দেবেন তিনি। তা না হলে সেদিন ট্রেনের কামরায় গেরুয়াবসন পরা এক সন্ন্যাসীর সঙ্গে তাদের দেখা হবে কেন? কেন সেই সন্ন্যাসী দুই বন্ধুর ভাবগতিক দেখে সন্দেহের বশে বলে উঠলেন, ‘তোমরা কি বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে?’

শোভন বলেছিল, ‘হ্যাঁ। আপনি ঠিকই ধরেছেন।’

—কিন্তু কেন? সন্ন্যাসী আবার তাকে প্রশ্ন করেছিলেন।

শোভনের মুখ থেকে সব শুনে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের রাঁচিতে একটা আশ্রম আছে। সেখানে মিশনের সেবামূলক কাজ যদি করতে চাও তাহলে আমার সঙ্গে যেতে পারো। ওখানে তোমাদের থাকা-খাওয়ার কোনও অসুবিধা হবে না। আর যদি সেখানে ভালো না লাগে, তাহলে আমি তোমাদের আটকাব না।’

এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে কে? আশ্রমে তিনমাস অজ্ঞাতবাসে থাকার পর শোভনের আর মন টিকল না। কলকাতার ছাত্র রাজনীতির হাতছানি তাকে অস্থির করে তুলল। শুভায়ুরও বাড়িতে ফেরার জন্য মন টানছিল। শেষে দুই বন্ধু রাঁচির পাট তুলে চলে এল গ্রামের বাড়িতে।

শুভায়ু ফিরে এসে ভর্তি হল কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে, আর শোভন মেতে রইল রাজনীতির আখড়ায়। রাঁচি থেকে ফিরে আসার পর শুভায়ু দুর্গার সঙ্গে আর দেখা করেনি। কারণ শোভন যাকে ভালোবাসে, সেখানে ভাগ বসাতে তার মন ওঠেনি। তার কাছে তখন প্রেমের চেয়েও বড়ো ছিল শোভনের বন্ধুত্ব। যদিও দুর্গার সঙ্গে নিভৃতে একটু কথা বলার জন্য, তার গায়ের সুগন্ধটুকু পাওয়ার জন্য শুভায়ুর মনপ্রাণ উতলা হয়ে উঠত। কিন্তু শোভনের কথা ভেবে সে নিজেকে দুর্গার কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিল। দুর্গা পথে ঘাটে যতবার কথা বলার চেষ্টা করেছে, সে এড়িয়ে গেছে। একবার জয়নগরের চড়কের মেলায় হঠাৎ তার সঙ্গে দুর্গার দেখা হয়ে গিয়েছিল।

দুর্গা তার পথরোধ করে দাঁড়িয়ে কান্নার স্বরে বেজে উঠেছিল, ‘তুমি এ ভাবে আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ কেন? আমি কী দোষ করেছি?”

শুভায়ু তার অশ্রুসজল চোখের দিকে তাকিয়ে নির্লিপ্ত ভাবে বলেছিল, “দোষ তুমি করোনি। তোমাকে ভালোবাসাটাই আমার অন্যায় হয়েছে।’

—কিন্তু কেন? দুর্গার অশ্রুভেজা চাপা স্বর শোনা গিয়েছিল।

দুর্গাকে সে আঘাত দিতে চায়নি। তবু সেদিন শুভায়ু তার ক্ষোভ উজাড় করে দিয়ে দুর্গার উদ্দেশে বলেছিল, “দু’-নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না। শোভনকে তুমি ভালোবাসো, এ কথা জানলে আমি কিছুতেই তোমাকে মন দিতাম না!”

সে কথা শুনে দুর্গা অশ্রুসজল চোখে বলেছিল, ‘তোমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আমি শোভনদাকে দাদার মতো সম্মান করি!” দুর্গা তখন হাত নেড়ে আরও কী যেন বলতে চেয়েছিল। কিন্তু শুভায়ু তাকে আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে দ্রুত বাড়ির উদ্দেশে পা বাড়িয়েছিল।

এর পর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে। কলকাতায় থেকে কলেজে পড়ার জন্য শুভায়ু বারড্রোন গ্রাম থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে শিয়ালদার একটি মেসবাড়িতে এসে উঠেছিল। লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকার জন্য দুর্গার কথা তার মনেই ছিল না। তার তখন একটাই চিন্তা, লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।

একদিন রাতে মেসবাড়িতে বসে শুভায়ু এক মনে পার্ট টু পরীক্ষার পড়া মুখস্থ করছে— হঠাৎ শোভন ঝড়ের গতিতে এসে বলল, ‘দুর্গার বিয়ে হয়ে গেছে জানিস?’

সে কথা শুনে শুভায়ু হকচকিয়ে গিয়ে বলেছিল, ‘সে কি কার সঙ্গে!’

—বাসুলডাঙা গ্রামের বাড়ুজ্যেবাড়ির ছোটো ছেলের সঙ্গে।

—কিন্তু আমি যে জানতাম দুর্গা তোকে ভালোবাসে।

—ভুল শুনেছিস, ও আমাকে দাদার মতো ভালোবাসে। আসলে দুর্গা তোকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসত।

—তুই জানলি কী করে?

—বিয়ের পর ওর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। দুর্গা আমাকে সব কথা বলেছে। তুই যদি আমাকে একবার বলতিস তা হলে বউদিকে বলে তোর সঙ্গেই দুর্গার বিয়ে দিতাম।

আজ মাকে পুড়িয়ে আসার পর দাওয়ায় বসে দুর্গার দিকে তাকিয়ে শুভায়ুর মনে হল জীবনে একটা মস্ত বড়ো ভুল হয়ে গেছে। মাকে দাহ করে শ্মশান থেকে ফিরে শুভায়ুর মনে যে শোকের আগুনটা ছাইচাপা আগুনের মতো ধিকিধিকি জ্বলছিল, বহুদিন বাদে দুর্গাকে দেখার পর তা যেন ভালোবাসার আগুন হয়ে শতগুন বেড়ে গেল।

সমাপ্ত

 

বম্বের বড়া পাও

কলকাতায় যেমন রাস্তার ধারে ধারে ফুচকার স্টল, রোল, চাউমিনের ছড়াছড়ি,  তেমনই মুম্বই নগরীর পথে ঘাটে আপনার চোখে পড়বে বড়া পাওয়ের দোকান। বান পাউরুটির মাঝে আলুর বার্গার বা বড়া, সঙ্গে ঝাল ঝাল গুঁড়ো চাটনি, আর ধনেপাতার চাটনি! সকালের জলখাবার, দুপুরের খাবার কিংবা বিকেলের স্ন্যাক্স হিসেবে জুড়ি নেই এই বড়া পাওয়ের৷

জানেন কি মুম্বইয়ের বড়া পাও বিশ্ব দরবারে সেরার সেরা স্বীকৃতি পেয়েছে? বিশ্বের সেরা ১০০টি স্যান্ডউইচের তালিকায় ১৩ নং স্থানে রয়েছে মুম্বইয়ের বড়া পাও।মুম্বইবাসী জলখাবারে  বড়া পাও পেয়ে গেলে আর  কিচ্ছুটি চান না ! এবার street style বড়া পাওয়ের সেই সিক্রেট রেসিপি আমরা আপনাদের জন্য হাজির করছি৷ শিখে নিন এই রান্না৷

 

উপকরণ

২ চামচ তেল, ১ চামচ সরষের দানা, ৩ চামচ  কারি পাতা, ৩ কোয়া রসুন,  ১ ইঞ্চি আদা,  ৩টে  কাঁচা লঙ্কা, ১/২ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ২ কাপ সেদ্ধ আলু চটকানো , স্বাদ অনুসারে নুন এবং ১ চামচ ধনেপাতাকুচো, পাও লাগবে প্রয়োজন মতো।

বেসনের পেস্ট বানাতে

২ কাপ বেসন, ১ চামচ রাইস ফ্লাওয়ার, স্বাদ অনুসারে নুন, ১/২ চামচ হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণমতো জল,পরিমাণ মতো তেল,অল্প বেকিং সোডা।

রসুনের মশলা বানাতে

১/২কাপ নারকেলকুচি, ৪ চামচ বাদামগুঁড়ো,২-৩ চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, ২ চামচ তিল, ১০-১২ কোয়া রসুন, ৪-৫ টা শুকনো লঙ্কা।

বড়া পাও প্রণালী

মিক্সিতে কাঁচা লঙ্কা, রসুন এবং আদা নিয়ে ভালো করে মিক্স করে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন।
তারপর একটা প্যানে ২ চামচ তেল নিয়ে মাঝারি আঁচে তেলটা গরম করুন। তাতে সরষে ফোড়ন দিন৷  কারিপাতা ফেলে নাড়ান।
লঙ্কার পেস্ট দিন। হলুদগুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। সেদ্ধ আলু মিশিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন।
২ মিনিট রান্না করার পরে আলুর মিশ্রণটি একটি পাত্রে তুলে ঠান্ডা হতে দিন।  আলুর মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে কম করে ৮-৯ টা বল বানিয়ে নিন।

এবার বড়া বানানোর পালা।একটা বড়ো পাত্রে বেসন, রাইস ফ্লাওয়ার, নুন এবং হলুদ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর অল্প করে জল মিশিয়ে ঘন একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। ১৫-২০ মিনিট মিশ্রণটা আলাদা করে রেখে দিন।
এবার রসুনের মিশ্রণে এক এক করে আলুর বড়াগুলো চুবিয়ে নিয়ে সেগুলি তেলে ডিপ ফ্রাই করে নিন।
রসুনের চাটনি করতে প্রথমে একটা নন-স্টিক প্যান নিয়ে তাতে নারকেলকুচি ফ্রাই করুন ও তুলে নিন৷এরপরে একই প্যানে বাদামগুঁড়ো নিয়ে একই ভাবে ভেজে নিন ও তুলে রাখুন। তারপর শুকনো লঙ্কা এবং তিল নিয়ে ফ্রাই করে নিন। সবশেষে রসুনের কোয়াগুলি নিয়ে কম করে ১ মিনিট ভেজে নিয়ে আলাদা একটা প্লেটে রাখুন।
এবার মিক্সিতে সবকটি উপাদান নিয়ে অল্প করে নুন মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর অল্প  লঙ্কাগুঁড়ো মিশিয়ে আরও একবার মিক্সিটা চালিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে রসুনের মশলা।
এবার পাও বানগুলো মাঝখান থেকে কেটে নিয়ে তাতে গ্রিন চাটনি লাগিয়ে নিন।এরপরে রসুনের মশলাটা ভালো করে মাখিয়ে নেওয়ার পরে বড়া, পাওয়ের মাঝখানে ঢুকিয়ে দিন। এরপর আবারও একবার রসুনের চাটনিটা অল্প করে ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।

পড়ার জন্য সীমাহীন গল্প-নিবন্ধসাবস্ক্রাইব